মমতা বনাম ঋতব্রতপন্থী তৃণমূল কংগ্রেসের ‘লড়াই’ এবার নির্বাচন কমিশনের দুয়ারে! ‘আসল’ তৃণমূলের নামে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের দল দখলের যাবতীয় চাল ভেস্তে দিতে রাতারাতি কমিশনের দ্বারস্থ হলেন দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। নিজের তৈরি সংশোধিত জাতীয় কর্মসমিতি ও দলের অন্যান্য সাংগঠনিক স্তরের যাবতীয় তথ্য তিনি পাঠালেন কমিশনে। তাতে চেয়ারপার্সন হিসেবে নিজের নাম, সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম রয়েছে। এছাড়া রাজ্য সভানেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, যুগ্ম সম্পাদক পদে ডেরেক ও ব্রায়েন, দোলা সেনের নাম এবং কোষাধ্যক্ষ শুভাশিস চক্রবর্তীর নাম রয়েছে। অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৈরি সংগঠনের খুঁটিনাটি তথ্য নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়ে দলের রাশ নিজেদের হাতে রাখতে মরিয়া প্রয়াস কালীঘাট তৃণমূলের।

আরও পড়ুন:
জানা গিয়েছে, সোমবার বিকেলে নিউটাউনের হোটেলে যখন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরে নিজেদের জাতীয় কর্মসমিতি তৈরিতে ব্যস্ত ছিল, সেই সময় নতুন কমিটি তৈরি করে তা নির্বাচন কমিশনে পাঠানোর উদ্যোগ নেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নতুন তালিকায় চেয়ারপার্সন হিসাবে তিনি সই করেছেন। ৫ জুন কালীঘাটে তৈরি হওয়া জাতীয় কর্মসমিতিতে অরূপ বিশ্বাসকে রাখা হলেও, সোমবারের সংশোধিত তালিকা থেকে তাঁকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
ছাব্বিশের ভোটে ঘাসফুল শিবিরের ভরাডুবির পর থেকেই দল ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গিয়েছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে বিধানসভায় নিজেদের সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ দিয়ে ‘আসল’ বিরোধী দলের তকমা ছিনিয়ে নিতে সক্ষম হয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস। সোমবার নিউটাউনের পাঁচতারা হোটেলে তাঁদের নেতৃত্বে দলের বিশেষ অধিবেশনে নতুন করে ঘোষণা করা হয়েছে জাতীয় কর্মসমিতি। তাতে মমতা কিংবা অভিষেকের কোনও জায়গাই হয়নি। দলের চেয়ারপার্সন হয়েছেন অরূপ রায়। সাধারণ সম্পাদক ঋতব্রত-সহ চারজন। এছাড়া বিভিন্ন পদে রয়েছেন ঋতব্রতপন্থী নেতারাই। নিয়ম মেনে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এই নতুন কমিটিকে নির্বাচন কমিশনে নথিভুক্ত করার কথা জানিয়েছিলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তার আগে রাতারাতি পালটা চাল দিল মমতার নেতৃত্বাধীন কালীঘাট তৃণমূল।
ঋতব্রতপন্থীদের পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে সোমবার রাতেই মমতার হাতে তৈরি সংশোধিত জাতীয় কর্মসমিতির যাবতীয় খুঁটিনাটি তথ্য নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হল। জানা গিয়েছে, সোমবার বিকেলে নিউটাউনের হোটেলে যখন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরে নিজেদের জাতীয় কর্মসমিতি তৈরিতে ব্যস্ত ছিল, সেই সময় নতুন কমিটি তৈরি করে তা নির্বাচন কমিশনে পাঠানোর উদ্যোগ নেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নতুন তালিকায় চেয়ারপার্সন হিসাবে তিনি সই করেছেন। ৫ জুন কালীঘাটে তৈরি হওয়া জাতীয় কর্মসমিতিতে অরূপ বিশ্বাসকে রাখা হলেও, সোমবারের সংশোধিত তালিকা থেকে তাঁকে বাদ দেওয়া হয়েছে। একই দলের দুই জাতীয় কর্মসমিতি নিয়ে এবার লড়াই শুরু হল নির্বাচন কমিশনে। এর জল গড়াতে পারে আদালত পর্যন্ত।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
সুযোগ পান সতীর্থকে ‘বঞ্চিত’ করে! এশিয়ান গেমসে ইতিহাস সেই মণিপুরী কন্যার
-
মধ্যরাতে গ্রেটার নয়ডায় চলন্ত এসি বাসে আগুন, ঝলসে মৃত ৯, প্রাণ বাঁচাতে ঝাঁপ বহু যাত্রীর
-
জিটি রোড ও বাসরুটে আর চলবে না টোটো! নির্দেশিকা কার্যকরে কড়া পরিবহণদপ্তর
-
পড়ুয়া-পরিকাঠামোহীন! ডিসেম্বরে আরও প্রায় ৩০০ মাদ্রাসা বন্ধ হচ্ছে বাংলায়
-
সাতসকালে কালীঘাটে সস্ত্রীক গৌতম আদানি, দুপুরে হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর, বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে