উত্তরপ্রদেশ

লকডাউনে হেঁটেই পার ৫০০ কিলোমিটার! বাড়ি ফিরল উত্তরপ্রদেশের ৪ পড়ুয়া

পড়ুয়ারা বাড়ি ফেরায় খুশি পরিবারের সকলে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২২, ২০২০, ১৫:১১

options
link
লকডাউনে হেঁটেই পার ৫০০ কিলোমিটার! বাড়ি ফিরল উত্তরপ্রদেশের ৪ পড়ুয়া

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অদম্য জেদে ভর করে হেঁটেই বাড়ি ফিরলেন উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) ৪ পড়ুয়া। ভর দুপুর রোদকে পরোয়া না করে হাঁটলেন প্রায় ৫০০ কিলোমিটার। সঙ্গে রসদ হিসেবে নিয়ে এসেছেন কয়েক প্যাকেট বিস্কুট, বইপত্র, ও জল।

Advertisement

ঘড়ির কাঁটায় তখন ১১টায় কিন্তু রোদের তেজে তখন মাটিতে পা দেওয়াই দায়। সেই পরিস্থিতিতে ৫০০ কিলোমিটার হেঁটে বাড়ি ফিরলেন ৪ কলেজ পড়ুয়া। পড়াশোনা করতে গিয়ে লকডাউনের জেরে আটকে পড়েছিলেন তাঁরা। ২১ দিনের লকডাউন কেটে গেলে বাড়ি ফিরতে পারবে এই আশাতেই ছিলেন তাঁরা। কিন্তু লকডাউনের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হওয়ায় সমস্যায় পড়েন তারা। তাই বাড়ি ফিরতেই হবে। এই মনস্থির করে সুলতানপুর-বেনারাসের জাতীয় সড়কের খোঁজ নিতে শুরু করেন বরেলির বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। গোটা একদিন হেঁটে প্রায় ২৫০ কিলোমিটার পেরিয়া তাঁরা বরেলি থেকে লখনউ পৌঁছে যান। এরপর সেখান থেকে তারা ফের হাঁটতে শুরু করেন বারানসীর উদ্দেশ্যে। এই ৪ পড়ুয়ার মধ্যে গোলু মিশ্রা জানান, “লকডাউনের প্রথম পর্বে বাড়ি থেকে আমাদের টাকা পাঠান হয় থাকা-খাওয়ার জন্য। কিন্তু পরিবারের কেউই দ্বিতীয় পর্বের জন্য প্রস্তুত ছিলেন না। তাই লকডাউনের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হওয়ায় সমস্যা দেখা দেয়। বরেলির একটি বাড়িতে আমরা চার বন্ধু ভাড়া থাকতাম। তাই টাকা শেষ হয়ে যাওয়ায় আমরা সিদ্ধান্ত নিই যেভাবেই হোক বাড়ি ফিরতে হবে।”

Advertisement

[আরও পড়ুন:‘চিকিৎসকদের পাশে আছে সরকার’, বৈঠকে নিরাপত্তার আশ্বাস স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর]

লকডাউনের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হওয়ার পরই দেখা যায় বান্দ্রায় পরিযায়ী শ্রমিকরা বাড়ি ফেরার দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ দেখান হয়। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থানে দেখা পরিযায়ী শ্রমিকরা হেঁটেও বাড়ি ফিরছেন। কেউ বা সাইকেল চালিয়ে পাড়ি দিচ্ছেন এক রাজ্য থেকে আরেক রাজ্যে। তবে এই চার পড়ুয়া বাড়ি ফিরে আসায় খুশি তাদের পরিজনেরা।

Advertisement

[আরও পড়ুন:লকডাউনে বন্ধ উপার্জন, মানসিক অবসাদে আত্মঘাতী ষাটোর্ধ্ব ব্যবসায়ী]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.