কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল

আহমেদাবাদ-সহ ৪ শহরে করোনা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক, জানাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

শহরগুলি ঘুরে রিপোর্ট জমা দেয় কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৪, ২০২০, ২১:৫২

options
link
আহমেদাবাদ-সহ ৪ শহরে করোনা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক, জানাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশের কয়েকটি শহরে করোনা পরিস্থিতি গুরুতর বলে জানাল কেন্দ্র। আহমেদাবাদ, সুরাট, চেন্নাই, হায়দরাবাদের মত শহরগুলিতে হটস্পট বলেও চিহ্নিত করা হয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফ থেকে। এই শহরগুলিতে লকডাউনের নিয়ম লঙ্ঘন করায় পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হচ্ছে বলে জানা যায়।

Advertisement

লকডাউনেও সংক্রমণ বাড়তে থাকায় চিন্তার ভাঁজ পড়েছিল বিশেষজ্ঞদের কপালে। তাই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কড়া হাতে হাল ধরেছ্লি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। দেশের সংক্রমিত এলাকাগুলিকে চিহ্নিত করে সেখানে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল পাঠানো হয়। তাঁরা গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে রিপোর্ট দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই চিহ্নিত করা হয় পরবর্তী হটস্পটগুলিকে। আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানায়, “লকডাউনের নিয়ম না মানায় দেশের উল্লিখিত হটস্পটগুলি হল গুজরাটের আহমেদাবাদ ও সুরাট, মহারাষ্ট্রের থানে, তেলেঙ্গানার হায়দরাবাদ, তামিলনাড়ুর চেন্নাই।” এখনও এই শহরগুলিতে ৫টি কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি পরীক্ষা চালাচ্ছে বলে জানা যায়। দেশের হটস্পটগুলিকে চিহ্নিত করতে আগেই ১০টি কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলকে (IMCT) তৈরি করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফ থেকে পূর্বে মুম্বই, পুণে, ইন্দোর, জয়পুর, পশ্চিমবঙ্গকে চিহ্নিত করা হয়। স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানায় দেশের বেস কয়েকটি জেলায় লকডাউ অমান্য করায় পরিস্থিতি ক্রমশ হাতের বাইরে চলে যায়। তাই জনস্বার্থে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফ থেকে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানায়, “করোনা মোকাবিলায় দেশের বেশ কয়েকটি স্থানে স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর হামলা চালানোর প্রতিবাদে ও বারংবার তাঁদের হেনস্তা করায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করে। অনেক জায়গায় আবার সামাজিক দূরত্বও বজায় রাখা হয়নি, ফলে বেড়েছে সংক্রমণ।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন:দিল্লির চিড়িয়াখানায় মৃত্যু বাঘিনীর, করোনা সন্দেহে নমুনা গেল পরীক্ষার জন্য]

এই কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল হটস্পটগুলিতে গিয়ে তৎখনাত পরিস্থতি খতিয়ে দেখছেন। সরেজমিনে দেখছেন সেখানকার হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থা। এমনকি লকডাউনের নিয়ম মানা হচ্ছে কিনা জানতে রাস্তাতেও নেমে ঘুরছেন তাঁরা। তারপরেই তাঁরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে রিপোর্ট জমা দিচ্ছেন। ২০০৫ সালের বিপর্যয় মোকাবিলা আইনের নিয়ম মেনেই কাজ করছেন এই কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। তবে আইএমটিসি-র নির্দেশ মেনে পরিস্থিতি কতটা বদলায় সেদিকেই তাকিয়ে বিশেষজ্ঞরা।

Advertisement

[আরও পড়ুন:‘র‍্যাপিড টেস্ট কিটে কোনও সমস্যা নেই’, অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি চিনা প্রস্তুতকারী সংস্থার]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন