রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: মুখ্যমন্ত্রীর করোনা এক্সপ্রেস বিতর্কে এবার মুখ খুললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তাঁর বক্তব্য, করোনা এক্সপ্রেস বলার পর নিজের কথা থেকে পিছিয়ে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার এক সাংবাদিক বৈঠকে এ প্রসঙ্গে দিলীপবাবু বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর চিন্তাভাবনা করে কথা বলা উচিত। অনুরোধ করব, ভেবে কথা বলুন যাতে পিছিয়ে আসতে না হয়।”
রাজ্যে আসা কেন্দ্রীয় অর্থ খরচ হচ্ছে না। লুঠ হচ্ছে বলেও এদিন ফের অভিযোগ করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের আবাস যোজনার টাকায় বাড়ি হচ্ছে না। গ্রাম সড়ক যোজনার অর্থ ফেরত যাচ্ছে। রাস্তা পাকা হচ্ছে না। রাজনৈতিক কারণে মানুষের কষ্ট বাড়ানো হচ্ছে। যেখানে কাটমানি নেই, সেখানে কাজ আটকে দেওয়া হচ্ছে বলে শাসকদলের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন তিনি। অমিত শাহর কাছে তথ্য আছে। তিনি সঠিক কথা বলে গিয়েছেন।
[আরও পড়ুন: ‘দিলীপ ঘোষ অনুমতি দিলেই মারের বদলা মার দেব’, হুঁশিয়ারি বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁর]
‘তৃণমূল যতই তাদের নেতাদের নামাক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কথাই বিশ্বাস করবে মানুষ’, মন্তব্য দিলীপ ঘোষের। রাজ্যে আবার হিংসার ঘটনা শুরু হয়েছে। বিজেপি নেতা-কর্মীদের উপর হামলা হচ্ছে, অভিযোগ মেদিনীপুরের সাংসদের। প্রসঙ্গত, বুধবার বিকেলে সাংবাদিক বৈঠকে ট্রেন চালানো প্রসঙ্গে আলোচনা করার সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বলেন, “আমি কিন্ত কোনও দিনই করোনা এক্সপ্রেস বলিনি। বলেছি সাধারণ মানুষ বলছে। ভুল ব্যাখ্যা হয়েছে।” এরপরই পরিযায়ীদের দুর্দশা প্রসঙ্গে কেন্দ্রকে তোপ দেগে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “লকডাউনের আগেই যদি শ্রমিকদের ঘরে ফেরানোর ব্যবস্থা করা হত, তাহলে এভাবে তাঁদের প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে ফিরতে হত না। এত সমস্যাও ভোগ করতে হত না।”
[আরও পড়ুন: ভারচুয়াল সভার পরই বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষে উত্তপ্ত পূর্ব বর্ধমান, জখম ৪]
সর্বশেষ খবর
-
সরকারি নির্দেশ অমান্য করে টিউশনে ‘চাপ’ শিক্ষকের, কলকাতার স্কুলে অভিভাবক বিক্ষোভে ধুন্ধুমার
-
‘নকআউট পর্যায়ে শুরু হবে আসল লড়াই’, প্রত্যাবর্তনের বার্তা দিলেন রোনাল্ডো
-
রামমন্দিরে ‘চুরি’ করেই বাড়ি, ফার্মহাউজ, গাড়ি! ফুলেফেঁপে উঠেছিল শ্যালক-জামাইবাবু জুটি
-
স্ট্রিটফুড হিসেবে দেদার বিকোচ্ছে ফড়িং-রেশমকীট ভাজা, অক্টোপাস-ঝিনুকেও রসনা চিনে
-
বিশ্বকাপ থেকে গ্রুপ পর্বে বিদায়, নেতৃত্ব হারাচ্ছেন হরমনপ্রীত? মুখ খুললেন কোচ অমল