মাস ঘুরলেই পুজো! কোনদিন কোন জামা গায়ে বেরনো হবে, প্ল্যান হয়ে গিয়েছে সবই। অথচ রোজের ধুলো-ধোঁয়ার কারণে চুলের অবস্থা তথৈবচ! এমন অবস্থায় সাজ যেমনই করা যাক না কেন, কোনও লুকই খোলতাই হবে না। শ্যাম্পু করেও স্বাভাবিক হচ্ছে না চুলের রুক্ষতা। এমন নিস্তেজ চুলে পার্লার থেকে কোনওরকম স্টাইলিং করারও উপায় থাকে না।
আরও পড়ুন:
কী করা যায় তবে? সাধারণ বাজারচলতি তেল-শ্যাম্পু যথেষ্ট নয়। অভিজ্ঞ হেয়ারস্টাইলিস্টরা বলেন, ঘরেই বানানো যায় হরেক গুণ সমৃদ্ধ প্রাকৃতিক হেয়ার মাস্ক (Natural Hair Masks)। নিয়মিত তা মাখতে পারলে চুলের মসৃণতা ফিরে আসে, চাইলে ইচ্ছেমতো লুকে সেজে ওঠা যায়।

১. নারকেল তেল ও মধুর হেয়ার মাস্ক
এই মাস্ক চুলে গভীর পর্যন্ত পুষ্টি জোগায় আর ফ্রিজি ভাব কমাতে সাহায্য করে।
কীভাবে ব্যবহার করবেন?
২ টেবিলচামচ নারকেল তেলের সঙ্গে ১ টেবিলচামচ মধু ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। চুলের মাঝখান থেকে ডগা পর্যন্ত লাগান। ৩০–৪০ মিনিট রেখে যে কোনও মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একবার এই মাস্ক লাগাতে পারলেই কাজ হবে।
২. কলা ও অলিভ অয়েল হেয়ার মাস্ক
রুক্ষ চুলকে নরম করতে ও ফ্রিজ কমাতে সাহায্য করে এই মাস্ক।
কীভাবে ব্যবহার করবেন?
একটি পাকা কলা ভালোভাবে চটকে নিয়ে তার সঙ্গে ১ টেবিলচামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিন। ভেজা চুলে মেখে নিন ভালোভাবে। ২০–৩০ মিনিট রেখে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। প্রতি ১০ দিনে একবার ব্যবহার করতে পারবে এই মাস্ক।
৩. অ্যালোভেরা জেল ট্রিটমেন্ট
চুলে আর্দ্রতা জোগাতে ও স্ক্যাল্পকে পুষ্টি দিতে সাহায্য করে এই মাস্ক।
কীভাবে ব্যবহার করবেন?
গন্ধহীন খাঁটি অ্যালোভেরা জেল চুল ও মাথার ত্বকে সরাসরি লাগান। ৩০ মিনিট রেখে তারপর জল দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। আঠালো ভাব রয়ে গেলে, মাইল্ড শ্যাম্পু ব্যবহার করুন ধোয়ার জন্য। সপ্তাহে ২ বার ব্যবহার করতে হবে এটি।
৪. ডিমের কুসুম ও টক দইয়ের প্যাক
চুলে প্রোটিন জোগাতে ও শাইন বাড়াতে এই মাস্কের জুড়ি মেলা ভার।
কীভাবে ব্যবহার করবেন?
একটি ডিমের কুসুমের সঙ্গে ২ টেবিলচামচ টক দই মিশিয়ে নিন। কেবলমাত্র চুলে মাখুন। স্ক্যাল্প তৈলাক্ত হলে সরাসরি না লাগানোই ভালো। ২০ মিনিট রেখে ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একবার মাখতে পারলেই যথেষ্ট।

৫. রাইস ওয়াটার রিন্স
চুলের কিউটিকল মসৃণ করে এই হেয়ার মাস্ক, চুলের উজ্জ্বলতাও বাড়ে।
কীভাবে ব্যবহার করবেন?
চুল ধোয়ার কাজ মিটিয়ে, সাধারণ চাল ছেঁকে সেই জল দিয়ে ফের চুল ধুয়ে নিন। চাল সারা রাত জলে ভিজিয়ে রেখে সেই জলও ব্যবহার করতে পারেন। এরপর প্রায় ১০ মিনিট রেখে স্বাভাবিক জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মূলস্রোতের স্কুলে পড়বে দিব্যাঙ্গ শিশুরাও! পরিকাঠামো উন্নয়নে নজর রাজ্যের
-
ষষ্ঠ বিদেশি সই করিয়ে ফেলল ইস্টবেঙ্গল, এক বছরের জন্য লাল-হলুদে আইভোরি কোস্টের স্ট্রাইকার
-
ফুচকার লোভ দেখিয়ে নাবালিকাকে ‘ব্যাড টাচ’! গ্রেপ্তার প্রতিবেশী ‘দাদু’, উত্তরপাড়ায় হুলস্থুল
-
চূড়ান্ত হয়ে গেল কলকাতা লিগের ডার্বির দিনক্ষণ, বারাসতে মুখোমুখি হবে মোহন-ইস্ট
-
বুধে বালুরঘাটে সুকান্তের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারবেন মুখ্যমন্ত্রী, মেনুতে থাকছে কোন বিশেষ মাছ?