সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ৯ কোটির চেক বাউন্স মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়েছেন রাজপাল যাদব (Rajpal Yadav)। তবে জামিন মঞ্জুর হলেও বেশ কিছু শর্ত বেঁধে দেওয়া হয়েছে তাঁর ক্ষেত্রে। আর এসবের মাঝেই নীরবতা ভাঙলেন ব্যবসায়ী মাধবগোপাল আগরওয়াল। অর্থাৎ যে ব্যবসায়ীর থেকে ছবি নির্মাণের জন্য ৫ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিলেন অভিনেতা। প্রথমবার মুখ খুললেন তিনি।
আরও পড়ুন:
২০১২ সালে ‘আতা পাতা লাপতা’ ছবির জন্য রাজপাল যাদবকে ৫ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছিলেন ব্যবসায়ী মাধবগোপাল আগরওয়াল। এরপর কেটে গিয়েছে ১৪ বছর। আর এতগুলো বছরে এই টাকা শোধ হওয়া নিয়ে ঠিক কী পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে? সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ওই ব্যবসায়ী বলেন, “আমি ওই টাকা অনেকের থেকে ধার করে রাজপালকে দিয়েছিলেম। ‘আতা পাতা লাপতা’ ছবি তৈরি জন্য ওই টাকা তাঁকে দেওয়া হয়েছিল। আমি বারবার রাজপালকে অনুরোধ করেছিলাম আমার টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য। এমনকী ওর বাড়িতে গিয়েও বহুবার অনুরোধ করেছি, কান্নায় ভেঙে পড়েছি। কিন্তু কোনওভাবেই আমার টাকা ফেরত পাইনি।”
আরও পড়ুন:

২০১২ সালে ‘আতা পাতা লাপতা’ ছবির জন্য রাজপাল যাদবকে ৫ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছিলেন ব্যবসায়ী মাধবগোপাল আগরওয়াল। এরপর কেটে গিয়েছে ১৪ বছর।
মুরলি প্রোজেক্টস প্রাইভেট লিমিটেড’র কর্ণধার আরও বলেন, “সাংসদ মিথিলেশ কুমার কাঠেরিয়ার মাধ্যমে রাজপালের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। তাঁর সূত্রেই রাজপালের সঙ্গে প্রথম দেখা। রাজপাল আমাকে তখন বলেছিল তাঁর ছবি ‘আতা পাতা লাপতা’র কাজ ইতিমধ্যেই শেষের দিকে। প্রয়োজনীয় অর্থ দিয়ে যদি আমি এগিয়ে না আসি তাহলে তাঁর ছবির বাকি কাজই নাকি আটকে যাবে। আমি তখন টাকা দিতে রাজি হইনি। এরপর রাজপালের স্ত্রী আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং আমাকে অনেক অনুরোধ করেন। অবশেষে আমি রাজি হই। রাজপালকে ৫ কোটি টাকা দেওয়া হয়। এই মর্মে চুক্তি হয়, ছবির সাফল্য, ব্যর্থতা কোনও কিছুর প্রভাব দেয় অর্থে পড়বে না, এবং ওই টাকা রাজপাল সময়মতো ফেরত দেবেন। কিন্তু তা হয়নি। সময়মতো টাকা দিতে পারেননি রাজপাল। তাঁর কাছে পর্যাপ্ত টাকা নেই বলে জানান।”
এরপর ছবি মুক্তি আটকাতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মাধবগোপাল। কিন্তু ছবি মুক্তি না পেলে বকেয়া টাকা ফেরত দিতে পারবেন না তা ব্যবসায়ী মাধবগোপালকে জানান রাজপাল। তাই ছবির উপর থেকে স্থগিতাদেশ তুলে নিয়ে ছবিটি মুক্তি দেওয়া হয়। কিন্তু বক্স অফিসে তা মুখ থুবড়ে পড়ে। ব্যবসা হয় না ভালো। টাকা ফেরত পাওয়ার কোনও আশার আলো দেখতে না পেয়ে ফের আদালতের দ্বারস্থ হন মাধবগোপাল। এরপর বেশ কয়েকটি চেক রাজপাল দিলেও সবগুলোই বাতিল হয়ে যায়। এবং তারপর থেকেই এই মামলা এতদূর গড়ায়।
সর্বশেষ খবর
-
বিশ্বকাপে মহা অঘটন! রুদ্ধশ্বাস টাইব্রেকারে প্যারাগুয়ের কাছে হেরে বিদায় জার্মানির
-
সামুরাই সূর্যাস্ত, শিষ্য জাপানকে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় গুরু ব্রাজিল
-
‘তৃণমূলের ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি নেই’, বঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক কংগ্রেস নেতা বেনুগোপালের
-
এবছরই দেশে ফেরার ঘোষণা হাসিনার, কী বলল ঢাকা?
-
‘বিয়ে করতে জেলে যাচ্ছি’, টোপর পরিয়ে ‘জামাই আদর’, তৃণমূল কাউন্সিলরকে ঘিরে জনরোষ!