সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পুজোর ছবি রঘু ডাকাত মুক্তির আগে থেকেই বাগবিতণ্ডায় জড়িয়েছিলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষের সঙ্গে দেব। ‘রঘু ডাকাত’ নিয়ে একের পর এক সোশাল মিডিয়াতে কুণাল ঘোষের পোস্টে পালটা জবাব দিয়েছেন দেব ও রানা সরকার। এবার কুণাল ঘোষের মতো একই পথে হেঁটে দেবকে একহাত নিলেন ব্রাত্য বসু।
সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে ব্রাত্য বলেন, “দেব ও কুণালের মধ্যে ঠিক কী হয়েছে আমি জানি না। তবে এই পুজোয় চার-চারটে বাংলা ছবি মুক্তি পেয়েছে। সবকটাই দর্শক দেখছেন। তবে রাজনৈতিক প্রেক্ষিতে আমি যা বলতে পারি তা হল বাংলা ছবিতে কেউ সুপারস্টার নন। বিষয়টিই হাস্যকর। ভালো অভিনেতা হতে পারেন, স্টার হতে পারেন। কিন্তু সুপারস্টার নন। যিনি সুপারস্টার হবেন তিনি কখনও কারও অধীনে রাজনীতি করবেন না। তিনি নিজে একটি দল গড়বেন। তাই রাজনৈতিক দিক থেকে বলতে গেলে একথা বলতে হয় যে, এক্ষেত্রে একমাত্র সুপারস্টার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় হলেন স্টার।” এখানেই শেষ নয়, এর পাশাপাশি নিজের উপমা টেনে তিনি বলেন যে, “যেমন আমি নিজেই অভিনয়ও করি আবার রাজনীতিতেও রয়েছি। তাই নিজেকে যদি আমি এক্ষেত্রে সুপারস্টার বলি তাহলে এর থেকে হাস্যকর কিছু হবে না।”
উল্লেখ্য, পুজোর ঠিক আগে প্রেক্ষাগৃহে পুজো রিলিজের স্লট পাওয়া নিয়ে একটি পোস্ট করেন কুণাল ঘোষ। পুজোর মরশুমে চারটি সিনেমাই যেন সমান সংখ্যক স্লট পায় কিংবা স্লট পাওয়া নিয়ে যেন কোনও এক তারকার দিকে পাল্লা ভারী না হয়। বাংলা সিনেমা তথা টলিউডের ক্যাশবাক্স চাঙ্গা করার স্বার্থে তাঁর এহেন পোস্টের পালটা প্রযোজক রানা সরকার সোশাল মিডিয়ায় প্রশ্ন তোলেন, ‘কুনাল ঘোষ কেন দেব বিরোধী? কিংবা বাংলা সিনেমা নিয়ে এত কথা কেন বলেন তিনি?…’ প্রযোজকের পোস্ট নজর এড়ায়নি তৃণমূল নেতার। অতঃপর চাঁচাছোলা ভাষায় রানাকে জবাব ছুড়তেও পিছপা হননি তিনি।
সর্বশেষ খবর
-
বিশ্বকাপে মহা অঘটন! রুদ্ধশ্বাস টাইব্রেকারে প্যারাগুয়ের কাছে হেরে বিদায় জার্মানির
-
সামুরাই সূর্যাস্ত, শিষ্য জাপানকে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় গুরু ব্রাজিল
-
‘তৃণমূলের ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি নেই’, বঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক কংগ্রেস নেতা বেনুগোপালের
-
এবছরই দেশে ফেরার ঘোষণা হাসিনার, কী বলল ঢাকা?
-
‘বিয়ে করতে জেলে যাচ্ছি’, টোপর পরিয়ে ‘জামাই আদর’, তৃণমূল কাউন্সিলরকে ঘিরে জনরোষ!