নিট কেলেঙ্কারিতে বলিউডের মৌন তারকাদের ভিড়ে ‘বুকের পাটা’ দেখিয়ে সলমন খান বুঝিয়ে দিয়েছেন ‘টাইগার অভি জিন্দা হ্যায়’। তবে দিল্লির আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সমর্থনে সুর চড়িয়ে নেটভুবনের একাংশের ‘বিরাগভাজন’ হতে হয়েছে ভাইজানকে! ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শিক্ষাব্যবস্থা সুনিশ্চিত করতে দেশের ঐক্যবদ্ধ পড়ুয়াদের কুর্নিশ জানানোয় বিগত আটচল্লিশ ঘণ্টায় সলমন যেমন প্রশংসা কুড়োচ্ছেন, তেমনই লাগাতার কটাক্ষের শিকার হতে হচ্ছে তাঁকে। প্রশ্ন উঠেছে, সলমন খান কি ভয়ে সিঁটিয়ে গিয়েছেন? তবে ভাইজানও দমে যাওয়ার পাত্র নন। পালটা কড়া জবাবে নিন্দুকদের বুঝিয়ে দিলেন, ‘ডর কে আগে জিত হ্যায়’!
আরও পড়ুন:
নিট কেলেঙ্কারিতে ভাইজান এমন এক সময়ে মুখ খুলেছেন, যখন তাঁর বহু প্রতীক্ষিত ‘ব্যাটেল অফ গালওয়ান’ ওরফে ‘মাতৃভূমি’ সেন্সরে আটকে রয়েছে। বলিউডে ফিসফাস, ছবিতে লাল ফৌজ নিধনের কাহিনিতে কূটনৈতিক সম্পর্কে প্রভাব পড়ায় আশঙ্কায় সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পাচ্ছেন না সলমন!
ঠিক কী ঘটেছে? নিট কেলেঙ্কারি ইস্যুতে গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার সোশাল মিডিয়ায় পর পর দুটো পোস্ট করেন সলমন। পয়লা পোস্টে রাজধানীর ছাত্র আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে অভিনেতা লিখেছিলেন, “আমার এটা ভেবে আনন্দ হচ্ছে যে, উন্নত শিক্ষাব্যবস্থার দাবিতে আমাদের দেশের পড়ুয়ারা একজোট হয়েছে এবং ওদের অভিভাবকরাও পাশে দাঁড়িয়েছেন। আন্দোলন বা প্রতিবাদই একমাত্র সঠিক পথ। আর শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ দেখিয়েছে। ওরা সত্যিই সাহসী এবং অদম্য। শিক্ষার প্রতি এই প্রজন্মের এমন একাগ্রতা ও উদ্দীপনা ভবিষ্যতে ভারতকে গর্বিত করবে।” সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে মায়ানগরীর সেলেবপাড়়ার নিস্তব্ধতা ভেদ করে যে মন্তব্য সলমন খানকে নেটভুবনের ‘হিরো’ করে তোলে। এরপরই বৃহস্পতিবার আরেকটি পোস্টে সোনম ওয়াংচুককে ‘ভাই’ সম্বোধন করে অনশন ভাঙার অনুরোধ জানান তিনি। শুধু তাই নয়, মোদি সরকারে আস্থা রাখার নিদান দিয়ে পড়ুয়াদের বাড়ি ফেরার আর্জি জানান ভাইজান। এরপর থেকেই সলমন খানকে নিয়ে বিতর্কের ঝড়! প্রশ্ন উঠেছে, ‘সলমন কি ভয় পেয়েই দ্বিতীয় পোস্টে সরকারকে সন্তুষ্ট করার চেষ্টা করেছেন?’

‘আপনি কি ভয় পেয়েই উভয় পক্ষের হয়ে নিজস্ব অবস্থান স্পষ্ট করলেন? নাকি ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টা?’ নেটপাড়ার এহেন তীর্যক বাক্যবাণের ঝড় নজর এড়ায়নি সলমনের। অতঃপর ঢিলের পালটা পাটকেল মারতেও পিছপা হননি অভিনেতা।
উল্লেখ্য, নিট কেলেঙ্কারিতে ভাইজান এমন এক সময়ে মুখ খুলেছেন, যখন তাঁর বহু প্রতীক্ষিত ‘ব্যাটেল অফ গালওয়ান’ ওরফে ‘মাতৃভূমি’ সেন্সরে আটকে রয়েছে। বলিউডে ফিসফাস, ছবিতে লাল ফৌজ নিধনের কাহিনিতে কূটনৈতিক সম্পর্কে প্রভাব পড়ায় আশঙ্কায় সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পাচ্ছেন না সলমন! ফলত, ছবিমুক্তিও আটকে রয়েছে। এমন আবহে পড়ুয়াদের সমর্থনে সুর চড়ানোয় সেপ্রসঙ্গ টেনেই নেটভুবনের একাংশ প্রশ্ন তুলেছেন, ‘আপনি কি ভয় পেয়েই উভয় পক্ষের হয়ে নিজস্ব অবস্থান স্পষ্ট করলেন? নাকি ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টা?’ নেটপাড়ার এহেন তীর্যক বাক্যবাণের ঝড় নজর এড়ায়নি সলমনের। অতঃপর ঢিলের পালটা পাটকেল মারতেও পিছপা হননি অভিনেতা। শুক্রবার মাঝরাতে জিমে ঘাম ঝরানোর মাঝেই নিন্দুকদের কড়া জবাব ছুড়েছেন তিনি। ‘শোলে’র গব্বর সিংয়ের সংলাপ ধার করে ভাইজানের স্পষ্ট কথা, “সলমন খান ভয় পেয়েছে…? হুমম, জো ডর গয়া, ওহ মর গয়া (যে ভয় পেয়েছে, সে মরেছে)।” আর সুপারস্টারের এহেন হাইভোল্টেজ উত্তরই বর্তমানে নেটভুবনে চর্চার শিরোনামে।
View this post on Instagram
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মাথার দাম ১ কোটি, বঙ্গেই গা ঢাকা! মদনকে জেরায় মাওবাদী নেতা আকাশের তথ্য পেল পুলিশ
-
ভবানীপুরে বিজেপি কর্মীকে মারধর, মাকে শ্লীলতাহানি! পুলিশের জালে তৃণমূল নেতা
-
‘টোটো অবৈধ, এ বার ই-রিকশা’, ঘোষণা পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিংয়ের
-
বিচ্যুতি দেখলেই ‘অ্যাকশন’, ‘তোলাবাজ’ ধরতে জেলা পর্যবেক্ষকদের গুরুদায়িত্ব শমীকের!
-
যশের দ্বৈত চরিত্রে ঘায়েল দর্শক, ‘টক্সিক’-এর ট্রেলারে উঠে এল নয়ের দশকের অন্ধকার জগৎ