স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় বরাবরই গণেশভক্ত। মুম্বইতে থাকাকালীনও গণপতি উৎসবে আমেজে মেতে উঠতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। এবার গণেশ চতুর্থীর আবহে ‘দিদি নম্বর ওয়ান’-এর সেট থেকে ভিডিও ভাগ করে নিতেই কটাক্ষের শিকার অভিনেত্রী। প্রশ্ন তোলা হয়েছে তাঁর রাজনৈতিক মতাদর্শ এবং আধ্যাত্মিকদর্শন নিয়ে। তবে ছেড়ে কথা বলেননি অভিনেত্রী। নেটভুবনের নীতিপুলিশদের ঢিলে পালটা পাটকেলও ছুড়ে দিয়েছেন।
আরও পড়ুন:
“আমার প্রাণের প্রিয় ঠাকুর। অবশ্য শুধু ঠাকুর নয়, আমার বন্ধু ও। একা একা বসে কত কথা হয়েছে আমাদের।…”
ঠিক কী ঘটেছে? সম্প্রতি ‘দিদি নম্বর ওয়ান’-এর গণেশ চতুর্থী স্পেশাল পর্বের প্রচারঝলক ভাগ করে নিয়েছিলেন স্বস্তিকা। যেখানে মারাঠি সাজপোশাকে নজর কাড়েন নায়িকা। পরনে চওড়া সবুজ পাড়ের লাল শাড়ি। নথনি, ভারী অলংকারে আভূষিতা অভিনেত্রীর দিক থেকে চোখ ফেরানো যেন দায়! শোয়ের এহেন প্রোমো ভাগ করে নিয়ে মায়ের স্মৃতিতে ডুব দিয়েছিলেন স্বস্তিকা। ক্যাপশনে উল্লেখ, “আমার প্রাণের প্রিয় ঠাকুর। অবশ্য শুধু ঠাকুর নয়, আমার বন্ধু ও। একা একা বসে কত কথা হয়েছে আমাদের। আপদে বিপদে সর্বক্ষণ সঙ্গে থাকেন ইনি। মায়ের সবথেকে প্রিয়। আমার যাত্রাপথের সঙ্গী, বেড়াতে যাওয়ারও সঙ্গী- গণেশ। আমাদের গণপতি বাপ্পা।” আর সেই পোস্টের মন্তব্যবাক্সেই জনৈক নেটবাসিন্দা বিরূপ মন্তব্য করে বসেন।
প্রশ্ন ছোড়েন, ‘কমিউনিস্টরা আবার ঠাকুর মানে?’ নজর এড়ায়নি স্বস্তিকার। অতঃপর পালটা জবাবে ওই নিন্দুককে ধরাশায়ীও করেছেন তিনি। অভিনেত্রীর মন্তব্য, ‘লক করা প্রোফাইলের পিছনে বসে আপনার যেমন কচকচ করতে ভালো লাগে ঠিক তেমন।’ স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের এহেন যোগ্যজবাবে অনুরাগীরাও সায় দিয়েছেন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
একবারেই কর্মীদের ৭ বছরের বকেয়া ডিএ মেটাবে সরকার, বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের
-
স্থানীয়দের কাঁধে চেপে এলাকা পরিক্রমা, বাংলার এই দুর্গাপ্রতিমা নিরঞ্জনেও রয়েছে বিশেষ চমক
-
দক্ষিণেশ্বর থেকে ফেরার পথে অঘটন, ট্রেন থেকে পড়ে মৃত্যু পুণ্যার্থীর
-
‘ইন্ডিয়া’র ইলিশ খাব না! ভারত থেকে রুপোলি শস্য আমদানি নিষিদ্ধ করল বাংলাদেশ সরকার
-
অভিষেকের রোষানলে বরখাস্ত! পুলিশের সেই গাড়িচালকের চাকরি ফেরাল হাই কোর্ট