Swastika Mukherjee

‘রাক্ষসী নয় বরং…’, নিন্দুকদের পালটা কী টিপস ‘দিদি নম্বর ওয়ান’ স্বস্তিকার?

'দিদি নম্বর ওয়ান' -এর নতুন মুখ স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়কে লাগাতার 'টিপ্পনি' এই শোয়ের দর্শকের। স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিমায় নিন্দুকদেরই নিন্দা করার টিপস দিলেন অভিনেত্রী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০২৬, ১৭:০১

options
link
‘রাক্ষসী নয় বরং…’, নিন্দুকদের পালটা কী টিপস ‘দিদি নম্বর ওয়ান’ স্বস্তিকার?
নিন্দুকদের পালটা টিপস 'দিদি নম্বর ওয়ান' স্বস্তিকার

বিগত একযুগেরও বেশি সময় ‘দিদি নম্বর ওয়ান’ আর রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন পরস্পরের সমার্থক। নারীকেন্দ্রিক এই রিয়ালিটি শোয়ের সুবাদে বাঙালি দর্শকের হৃদয়জুড়ে একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন। অভিনেত্রীর থেকে বহুলাংশে বাঙালির ঘরে ঘরে প্রিয় ‘দিদি’ হিসেবেই জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছে গিয়েছিলেন। কিন্তু, শোয়ের মুখবদলের গুঞ্জন থেকে চর্চায় সিলমোহর, পুরো সময়জুড়ে স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়কে (Swastika Mukherjee) ‘টিপ্পনি’ কটেছে এই শোয়ের দর্শক। 

Advertisement

রচনার ‘লিগ্যাসি’ মনে করিয়ে চ্যালেঞ্জও ছুড়ে দিয়েছেন অভিনেত্রীকে। মুখবদল নিয়ে সরাসরি নির্মাতাদের কোর্টে বল ঠেলে রচনাও চ্যালেঞ্জ ছুড়েছিলেন, তিনিই ‘পারফেক্ট ম্যাচ’। শোয়ের সম্প্রচারের পর একাংশ স্বস্তিকায় স্বস্তি পেলেও আরেকাংশ প্রতিনিয়ত বিঁধছেন বর্তমান ‘দিদি’ তথা অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়কে। বিন্দুমাত্র বিব্রত না হয়ে নিন্দুকদের সমালোচনা করার পালটা টিপস দিলেন।

Advertisement
Swastika Mukherjee responds to a troll over Didi No. 1
অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়

রচনার পরিবর্তে স্বস্তিকা ‘দিদি নম্বর ওয়ান’ সঞ্চালনা করতেই নানারকম কটূক্তি ধেয়ে এসেছে তাঁর দিকে। আক্রমণাত্মক মনোভাবের প্রতিফলন প্রতিনিয়ত ফুটে ওঠে সমাজমাধ্যমের পাতায়। এহেন ঘটনায় স্বস্তিকার মনোবল কিন্তু, দুর্বল করতে পারেননি। বরং দৃঢ়চেতা মানসিকতারই পরিচয় দিয়েছেন অভিনেত্রী-সঞ্চালিকা স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিমায় সমালোচনার ভিড়ে নিন্দুকদেরই নিন্দা করার টিপস দিয়েছেন অভিনেত্রী।

Advertisement
Swastika Mukherjee shares advice on responsible trolling
রচনার বদলে স্বস্তিকা

আগামী পর্বের প্রোমো ভাগ করে স্বস্তিকা লিখছেন, ‘যে বা যারা আমায় রাক্ষসী বলে ডাকছেন দয়া করে শাঁকচুন্নিতে শিফট করে যান। শাঁকচুন্নিটা বেশি ভালো। আমি শাঁকচুন্নিদের খুব ভালোবাসি।’ এখানেই শেষ করেননি। নিজেকে শাঁকচুন্নি বলার কারণ বাতলে আরও যোগ করেন, ‘কদলীবালা শাঁকচুন্নি ছিল। ওটা আমাকে বেশি মানায়। এবারের দিদি নম্বর ওয়ানের সঞ্চালিকা একজন শাঁকচুন্নি। বলে দেখুন এটা বেশি ভালো লাগছে।’

তবে স্বস্তিকার এমন মজাদার পোস্টে বেশ মজা পেয়েছে নেটাগরিকরাও। অনেকেই মন্তব্যবাক্সে স্বস্তিকার সমর্থন লিখেছেন, প্রতি ঘরে এমন শাঁকচুন্নিকেই তাঁরা দিদি নম্বর ওয়ান হিসেবে দেখতে চান। রচনার সঙ্গে তুলনা টেনেও ‘দিদি’ হিসেবে স্বস্তিকাকেই এগিয়ে রেখেছেন। অনুগামীদের একাংশ তাঁর জবাব দেওয়ার বাচনভঙ্গিমাকেও সাধুবাদ জানিয়েছেন।  

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.