Vijay

কুরসির স্বপ্নভঙ্গ! একটা ছোট্ট ভুলেই তামিলনাড়ুর মসনদে বসা হবে না বিজয়ের?

যদি শেষপর্যন্ত তিনি মুখ্যমন্ত্রী হতে না পারেন, সেক্ষেত্রে ওই ছোট ভুলই বড় ফ্যাক্টর বলে গণ্য হবে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৮, ২০২৬, ১৭:০০

options
link
কুরসির স্বপ্নভঙ্গ! একটা ছোট্ট ভুলেই তামিলনাড়ুর মসনদে বসা হবে না বিজয়ের?
একক বৃহত্তম দল হয়েও টিভিকে এখনও সরকার গড়তে পারেনি।

একক বৃহত্তম দল হয়েও টিভিকে এখনও সরকার গড়তে পারেনি। শুক্রবার তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকার বার্তা দিয়েছেন, বিধানসভার ‘ম্যাজিক সংখ্যা’ যে দলের কাছে থাকবে তাকেই সরকার গড়তে ডাকা হবে। আর এক্ষেত্রেই উঠছে প্রশ্ন। ১০৮টি আসনে জয়ের পরও কি বিজয় আদৌ বসতে পারবেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রীর কুরসিতে? মনে করা হচ্ছে, একটি ছোট্ট ভুল তিনি ইতিমধ্যেই করে ফেলেছেন। যার খেসারত দিতে হতে পারে তাঁকে। যদি শেষপর্যন্ত তিনি মুখ্যমন্ত্রী হতে না পারেন, সেক্ষেত্রে ওই ছোট ভুলই বড় ফ্যাক্টর বলে গণ্য হবে।

Advertisement

কী সেই ভুল? আসলে টিভিকের প্রাপ্ত আসন সংখ্যা ১০৮। কিন্তু ২৩৪ আসন বিশিষ্ট তামিলনাড়ুর বিধানসভায় সরকার গড়তে গেলে দরকার ১১৮টি আসন। এই অবস্থায় বিজয়ের দলকে সমর্থন জানিয়েছে কংগ্রেস। সবমিলিয়ে বিজয়ের পক্ষে এখন রয়েছে ১১৩টি আসন। যেটিও পর্যাপ্ত নয়। এখনও দরকার ৫ বিধায়কের সমর্থন। এই পরিস্থিতিতে তিনি বুধবার রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে যে আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন তাতে টিভিকে বিধায়কদের স্বাক্ষর ছাড়াও রয়েছে কংগ্রেস বিধায়কদের স্বাক্ষরও।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

১০৮টি আসনে জয়ের পরও কি বিজয় আদৌ বসতে পারবেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রীর কুরসিতে? মনে করা হচ্ছে, একটি ছোট্ট ভুল তিনি ইতিমধ্যেই করে ফেলেছেন। যার খেসারত দিতে হতে পারে তাঁকে।

আর এখানেই হয়ে গিয়েছে ভুল। কেননা হাত শিবিরের জয়ী প্রার্থীদের নাম রাখার অর্থ ওই আবেদনপত্র মিলিজুলি সরকার গড়ার। মনে করা হচ্ছে, সেই কারণেই রাজ্যপাল তাঁর প্রস্তাব ফিরিয়ে বলেছেন ১১৮ জনের স্বাক্ষর নিয়ে আসতে। রাজ্যপালের সঙ্গে দ্বিতীয় বৈঠকও ফলপ্রসূ হয়নি। তামিলনাড়ু লোক ভবন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে যে, সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে বিজয় ব্যর্থ হয়েছেন। এক রাজনৈতিক বিশ্লেষক দাবি করেছেন, বিজয় যদি একক বৃহত্তম দল হিসেবে সরকার গঠনের দাবি জানাতেন, তবে সেই দাবি অনুমোদিত হত। কিন্তু তা যেহেতু হয়নি তাই পরিস্থিতিত জটিল হতে শুরু করেছে। মনে করা হচ্ছে, এর নেপথ্যে রয়েছে বিজয়ের অনভিজ্ঞতা।

Advertisement

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.