সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আধার কার্ড ছিল না। তাই রেশন পায়নি পরিবার। আর সেকারণেই গত সেপ্টেম্বর মাসে অনাহারে মৃত্যু হয়েছিল ১১ বছরের এক নাবালিকার। পড়শি রাজ্য ঝাড়খণ্ডের করিমতির এই ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসতেই তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দেশ জুড়ে। আর সমালোচনার মাঝে পড়ে চাপে পড়েছে ঝাড়খণ্ড সরকার। পালটা বিবৃতি দিয়ে সে রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী সরযূ রায় জানিয়ে দিলেন, রেশন নেওয়ার জন্য আধার কার্ডের প্রয়োজন নেই।
[যমরূপী দূষণ হঠাতে গাছের কপালে ফোঁটা পরিবেশপ্রেমী ও ছাত্রীদের]
শনিবার এক বিবৃতিতে সরযূ রায় বলেন, ‘রেশন নিতে গেলে আধার কার্ড কখনওই আবশ্যিক নয়। রেশন কার্ড, ভোটার কার্ড কিংবা ড্রাইভিং লাইসেন্সের মতো কার্ডও ব্যবহার করা যাবে।’ পাশাপাশি তিনি বলেন, প্রত্যেকটি ব্লকে রেশন দোকানের ব্যবস্থা করা হবে। শুধু তাই নয়, এদিন রেশন সংক্রান্ত যে কোনও ধরনের অভিযোগ দায়ের করার জন্য একটি টোল ফ্রি নম্বর চালু করেছেন তিনি। নম্বরটি হল- ১৮০০২১২৫৫১২।
[পাক ‘আত্মীয়’র সঙ্গে সম্পত্তি নিয়ে বিবাদে জড়ালেন নবাব সইফ]
এর আগে জানা গিয়েছিল, রেশন কার্ডের সঙ্গে আধার নম্বর না জোড়ায় গত ছ’মাস ধরেই নাকি রেশন পাচ্ছিল না ঝাড়খণ্ডের করিমতি গ্রামের ওই বালিকার পরিবার। বিকল্প ব্যবস্থা হিসাবে মেয়ের স্কুলের মিড ডে মিলে কোনওমতে পেট ভরাচ্ছিলেন পরিবারের সদস্যরা। গোল বাধে দুর্গাপুজোয় স্কুল ছুটি থাকায়। খাবার জোগাড়ের দ্বিতীয় রাস্তাটিও বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপদে পড়ে হতদরিদ্র ওই পরিবার। দিনের পর দিন অনাহারে থেকে শেষে অনুরোধ নিয়ে যায় রেশন দোকানেই। কিন্তু, কষ্টের কথা জেনেও খাবার দিতে রাজি হয়নি রেশন দোকানের আধিকারিকরা। শেষে গত ২৮ সেপ্টেম্বর অনাহারেই মৃত্যু হয়েছে ১১ বছরের ছোট্ট সন্তোষীর। এমনটাই অভিযোগ করেছে রাইট টু ফুড ক্যাম্পেন নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্মীরা। যদিও গত ১৭ অক্টোবর ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী রঘুবীর দাস জানিয়েছিলেন, অনাহারে নয়, ম্যালেরিয়ায় মারা গিয়েছে ওই নাবালিকা। এর আগে ৬ অক্টোবর তিন সদস্যের একটি দলও তদন্ত করে বলেছিল, মেয়েটির মৃত্যু ম্যালেরিয়ার কারণেই হয়েছিল।
সর্বশেষ খবর
-
প্রেমের সিনেমা নয়, জীবনের ক্যানসার স্টাডি! কেমন হল আদৃতের ‘বেপরোয়া’?
-
বিধানসভায় পাশ শিক্ষক বদলি বিল, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বশাসন দুর্বল হবে না তো?
-
শিল্প-পর্যটনে জোয়ার, রুখা পুরুলিয়ায় বিনিয়োগ ১ লক্ষ কোটি টাকা
-
পুজোর আগে ঘরকে দিন নতুন রূপ, এই ৬ জিনিস বদলালেই কেল্লাফতে
-
সুদর্শন নায়কের টানেই পড়াশোনায় মন! পাঠ্যবইয়ে হৃত্বিক সংক্রান্ত প্রশ্নের প্রস্তাব কলকাতার স্কুলের