Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ আশ্বিন ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Beporoya Review

প্রেমের সিনেমা নয়, জীবনের ক্যানসার স্টাডি! কেমন হল আদৃতের ‘বেপরোয়া’?

প্রেম নামক ক্যানসারের ন’টা স্টেজ! এই নটা পর্বগুলো একে একে পরিবেশনের মধ্যে কমেডির পাঞ্চিং ভালো।

নির্মল ধর
নির্মল ধর

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬, ১৮:০৭

link
নির্মল ধর
নির্মল ধর

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬, ১৮:০৭

options
link
প্রেমের সিনেমা নয়, জীবনের ক্যানসার স্টাডি! কেমন হল আদৃতের ‘বেপরোয়া’? zoom
বেপরোয়া সিনেমায় আদৃত-আর্যা। ছবি: সংগৃহীত
Advertisement

‘বেপরোয়া’ প্রেমিক কখনও দেবদাস, কখনও রোমিও! প্রেম নিয়ে ট্র্যাজিক গল্প অন্তহীন। আবার কমিক গল্পও কম নেই। তবে পরিচালক অভিরূপ ঘোষ ‘বেপরোয়া’ ছবিতে জয় (আদৃত রায়) নামের ক্লাস ইলেভেনের মাত্র সতেরো বছরের ছাত্র সহপাঠী রিঙ্কুর ভালোবাসা পেতে কখনও সেজেছে রোমিও, আবার প্রত্যাখ্যাত হলে সে মদ, গাঁজা, ড্রাগ নেওয়া দেবদাস। আবার কখনও সলমন খান। অবশ্য ছবির শুরুতেই তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, ‘এটা প্রেমের সিনেমা নয়, জীবনের ক্যানসার স্টাডি। ক্যানসারের  থাকে চারটে স্টেজ, আর প্রেম নামক ক্যানসারের ন’টা স্টেজ!’

এই নটা পর্বগুলো একে একে পরিবেশনের মধ্যে কমেডির পাঞ্চিং ভালো। দর্শক মজা পাবেন এমন পর্ব বিন্যাস দেখে। অ্যাট্রাকশন থেকে ইনফ্যাচুয়েশন হয়ে প্রেম-ওয়ারশিপ পর্যায়ে আসতে তিনটি গানের সাহায্য নিয়েছেন। গানগুলো মন্দ নয়। রক স্টাইলে গান এবং তার সঙ্গে আদৃতের নাচ চমক লাগায়। ছোটপর্দায় দেখা আদৃত এই ছবিতে সম্পূর্ণ বিপরীত চরিত্র ও চেহারায়। হায়ার সেকেন্ডারি পাশ করে নিট পরীক্ষায় ভালো র‍্যাংক করে নামী ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে পাঠপর্ব শেষে প্রেমিকা রিঙ্কুকে বিয়ের প্রস্তাব দিতেই প্রেমের যন্ত্রণার প্রথম স্টেজ শুরু।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
‘বেপরোয়া’ সিনেমার দৃশ্য

রিঙ্কু বিয়েতে নারাজ। কারণ রক্ষণশীল বাবা (শান্তিলাল মুখোপাধ্যায়) এবং রিঙ্কু নিজেও নিজের মতো আলাদা স্পেস নিয়ে বাঁচতে চায়। আর এখান থেকেই শুরু ক্যান্সারের দ্বিতীয় স্টেজ! বিরহ থেকে রাগ, রাগ থেকে প্রতিশোধ স্পৃহা জেগে ওঠে জয়ের হৃদয়ে তো বটেই, অ্যাকশনেও। দু’জনার ভুল বোঝাবুঝির ব্যাপারটা নিয়ে ঘটনা ও অঘটন যে কতদূর যেতে পারে সেটা নিয়ে দর্শকের ধৈর্যের পরীক্ষা হতে পারে! তবে হৃদয় ভাঙার পর নায়ক বিভিন্ন রূপে অবতীর্ণ হয়েছেন। দর্শকের কতটা বিশ্বাসযোগ্য মনে হবে তা নিয়ে সন্দেহ রয়েই যায়।

আদৃতের প্রথম সিনেমা

তবে সবটাই আদৃত সামলে নিয়েছেন অতি ‘নাটকীয়’ অভিনয়ের সঙ্গে, সুন্দর সামাল দিয়েছেন অবাস্তব পরিস্থিতিকে। রিঙ্কু বারবার নিজের একান্ত স্পেস, নিজের স্বাধীনতার কথা বললেও জয় যে কেন অমন পাগলামি করে তার কোনও উত্তর চিত্রনাট্যে নেই! বাবা-মায়ের সঙ্গেও জয়ের সম্পর্কটা রীতিমতো টক্সিক! এমনকী রিঙ্কুর সাধাসিধে বাবার সঙ্গে জয় কখনও কমেডি মার্কা! তবে ছবির দ্বিতীয় পর্বে আসে বড় চমক! তিনি মনোবিদ, প্রেমে হতাশ কিছু প্রেমিকদের নিয়ে ‘দ্য ল্যাং ক্লাব’ খুলেছেন। এখান থেকেই ছবির গতি ঝুলতে শুরু করল। আদৃতের সাবলীল অভিনয়ও কিন্তু চিত্রনাট্যে বাড়তি কিছু আনন্দ যোগ করে না!

কেমন হল ‘উচ্ছেবাবু’ আদৃতের প্রথম ছবি?

ছবির শেষটা উহ্যই থাক। অভিরূপ ঘোষের ছবিটি পুরোপুরি বাণিজ্যিক ঘরানার হয়েও অভিনবত্ব রয়েছে। নায়িকার চরিত্রে আরিয়া রায় দর্শকের নজরে পড়বে কিনা সন্দেহ। যদিও দুবাইয়ের বালিয়াড়ি এবং সমুদ্র সৈকতে গান, নাচের দৃশ্যে শরীরী আবেগ প্রকাশে তিনি দক্ষতা দেখিয়েছেন। অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়ের সুরে ‘ভুলে যাও না প্লিজ…’ বা ‘তুমি কি জানো আছি আমি কেমন..’ শুনতে এবং দেখতেও মন্দ লাগে না! শুভদীপ নস্করের ক্যামেরায় আউটডোরের দৃশ্য মন্দ নয়।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.