Assam Lok Sabha Bypoll

দু’বছর আগে হেরেছিলেন ১০ লক্ষ ভোটে! অসমে ফের ভোট ময়দানে সেই ‘আতর সম্রাট’

ঘুরে দাঁড়াতে নিজের ভাবমূর্তিকেই বাজি ধরছেন অসমের বৃদ্ধ আতর সম্রাট।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬, ১৬:০০

options
link
দু’বছর আগে হেরেছিলেন ১০ লক্ষ ভোটে! অসমে ফের ভোট ময়দানে সেই ‘আতর সম্রাট’
বদরুদ্দিন আজমল। ফাইল ছবি।

তাঁর বয়স ৭০। ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে পড়তে হয়েছে বিশ্রী হারের মুখে। ১০ লক্ষেরও বেশি ভোটে তাঁকে হারিয়ে দিয়েছেন কংগ্রেসের রাকিবুল হোসেন। মাঝে ২০২৫ বিধানসভা নির্বাচনে দলের ভরাডুবি। দল এখন অস্তিত্ব সংকটে। কিন্তু অসমের ‘সুগন্ধী সম্রাট’ বদরুদ্দিন আজমল আশা ছাড়ছে না। ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে ফের লোকসভার লড়াইয়ে নামছেন তিনি।

Advertisement

অসমের নগাঁও (Assam’s Nagaon) লোকসভা কেন্দ্রে আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন (Lok Sabha Bypoll)। ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে ওই কেন্দ্রে জিতেছিল কংগ্রেস। কিন্তু গত বছর বিধানসভা নির্বাচনের আগে নগাঁও কেন্দ্রের সাংসদ প্রদ্যোত বরদলুই পদত্যাগ করে বিজেপিতে যোগ দেন। ফলে ওই কেন্দ্রে উপনির্বাচনের প্রয়োজন পড়েছে। ইতিমধ্যেই ওই কেন্দ্রে বিজেপি নিজেদের প্রার্থী হিসাবে আইএএএস আধিকারিক দেবাশিস শর্মার নাম ঘোষণা করেছে। কংগ্রেস প্রার্থী করেছে প্রাক্তন বিধায়ক শিবমণি বোরাকে। এআইইউডিএফের তরফে লড়বেন আজমল নিজেই।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নগাঁও লোকসভা কেন্দ্রের ৬০ শতাংশের বেশি ভোটার মুসলিম। ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে মূলত মুসলিমদের ভোটেই জিতে এসেছিলেন কংগ্রেসের বরদলুই। আসলে অসমে ভোটের সমীকরণ গত এক দশকে অনেকটা বদলেছে। আগে মুসলিম ভোটারদের মূল আস্থার জায়গা ছিল এআইইউডিএফ। কিন্তু বিজেপির আগমনের পর সংখ্যালঘুরা কংগ্রেসের দিকে ঝুঁকেছেন। এই পরিস্থিতিতে নিজেদের পুরনো সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক ফিরে পেতে খোদ আজমলের উপরই ভরসা করছে তাঁর দলের নেতারা। তাঁরা বলছেন, নগাঁও কেন্দ্রের মানুষ আগেরবার কংগ্রেসকে ভোট দিয়ে ভুল করেছেন। সেই সাংসদ এখন দল বদলে বিজেপিতে। এবার খোদ মৌলানা আজমল প্রার্থী। সংখ্যালঘুদের সমর্থন তাঁর দিকেই থাকবে।

Advertisement

তবে দলীয় নেতারা যতই ভরসা দিন, আজমল এবং তাঁর দলের সামনে চ্যালেঞ্জটা যে অত্যন্ত কঠিন, তা মানছে ওয়াকিবহাল মহল। গতবারের জোটসঙ্গী কংগ্রেস এবার ‘প্রতিপক্ষ’। ফলে ত্রিমুখী লড়াই হবে। যেই জিতুক, মার্জিন থাকবে কমই। সূক্ষ্ণ হিসেবে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হতে পারে। আগে দলের সাফল্য নির্ভর করত সংখ্যালঘু ভোটের একত্রীকরণের ওপর। কিন্তু এখন ভোট বিভাজন হয়ে যাচ্ছে। তাই কংগ্রেস ও আজমলের দলের মধ্যে ভোট কাটাকাটি হয়ে বিজেপিকে সুবিধা করতে পারে, এমনটা মনে করছে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.