ASI agrees to survey at Jama Masjid, Badaun to verify whether it was mosque or Neelkanth Mahadev Temple

জামা মসজিদ নাকি নীলকণ্ঠ মহাদেবের মন্দির? দ্বন্দ্ব ঘোচাতে সমীক্ষায় রাজি ASI

এএসআই-কে ১৫ দিন সময় দিল আদালত।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৮, ২০২৩, ১০:৫২

options
link
জামা মসজিদ নাকি নীলকণ্ঠ মহাদেবের মন্দির? দ্বন্দ্ব ঘোচাতে সমীক্ষায় রাজি ASI

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মন্দিরের ভিতের উপর মসজিদ তৈরি হয়েছিল নাকি গোড়া থেকেই তা মসজিদ? উত্তরপ্রদেশের জামা মসজিদ (Jama Masjid) নিয়ে অখিল ভারত হিন্দু মহাসভার দ্বন্দ্ব ঘোচাতে সমীক্ষায় রাজি ভারতীয় পুরাতত্ব বিভাগ (Arecheological survey of India)। হিন্দু মহাসভার দাবি, বাদাউন ওই জায়গায় ছিল নীলকন্ঠ মহাদেবের মন্দির (Neelkanth Mahadev Temple)। তা ভেঙে মসজিদের রূপ দেওয়া হয়েছে। এখন তার পরিচিতি জামা মসজিদ হিসেবে। এই দাবির সত্যতা যাচাই করতে এএসআই-কে দিয়ে সমীক্ষা করানোর আবেদন ছিল হিন্দু মহাসভার। সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে সমীক্ষায় রাজি ভারতীয় পুরাতত্ত্ব বিভাগ। বাদাউন আদালতে আবেদনপত্রও জমা দিয়েছে তারা।

Advertisement

২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে অখিল ভারত হিন্দু মহাসভার (Akhil Bharat Hindu Mahasabha) তরফে রাজ্য সভাপতি মুকেশ প্যাটেল বাদাউনের দায়রা আদালতে একটি আবেদন জানান। যার মূল বিষয়বস্তু, জামা মসজিদ আসলে মন্দিরের বিনির্মাণ। নীলকন্ঠ মহাদেবের মন্দির ধ্বংস করে তার উপর মসজিদটি গড়ে উঠেছে। এএসআইকে (ASI) দিয়ে তার সমীক্ষা করাতে হবে। তিন পক্ষকে পার্টি করে মামলা শুরু হয়। এএসআই, রাজ্য সরকার এবং মসজিদ কর্তৃপক্ষ। সেই মামলায় এএসআইয়ের মত জানতে চেয়েছিল আদালত।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: গেরুয়াপন্থী সংগঠনের রবীন্দ্র অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্র থেকে বাদ শুভেন্দুর নাম, সংযোজিত সুকান্ত]

তারা জানায়, জামা মসজিদে পুরাতাত্বিক সমীক্ষা করতে রাজি এএসআই। তাদের তরফে আদালতে এই মর্মে আবেদনপত্র পেশ করে সময় চাওয়া হয়েছে। মামলাকারী হিন্দু মহাসভার তরফে আইনজীবী বেদপ্রকাশ সাউ জানিয়েছেন, এএসআই কে ১৫ দিন সময় দিয়েছে আদালত। তার মধ্যে প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিতে হবে। মামলার পরবর্তী শুনানি ৩০ মে।

Advertisement

উত্তরপ্রদেশের একাধিক মসজিদ মন্দির ধ্বংস করে নির্মিত হয়েছে, এমন অভিযোগ উঠেছে বারবার। কোথাও কোথাও মসজিদের পাতালে শিবলিঙ্গ পাওয়া গিয়েছে বলেও দাবি। সেসবের সত্যতা যাচাই করতে জ্ঞানবাপীর মতো বেশ কয়েকটি মসজিদে চলছে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব বিভাগের খননকাজ, সমীক্ষা। এবার আরও একটি জায়গায় তা শুরু হতে চলেছে। এসআইয়ের রিপোর্টই হয়ত সত্যের সন্ধান দেবে।

[আরও পড়ুন: অভিষেকের বার্তার পরই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চান বায়রন বিশ্বাস, তুঙ্গে জল্পনা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.