Rahul Gandhi

কংগ্রেসের অন্দরে রাহুলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ! ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধে কেন্দ্রের পাশে চার সিনিয়র নেতা

রাহুল গান্ধীর নেতৃত্ব নিয়ে কংগ্রেসের অন্দরে প্রশ্ন দীর্ঘদিনের। বিশেষ করে তথাকথিত সিনিয়র নেতারা বিরোধী দলনেতার নেতৃত্বে স্বচ্ছন্দ্য নন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৪, ২০২৬, ১৭:৫৩

options
link
কংগ্রেসের অন্দরে রাহুলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ! ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধে কেন্দ্রের পাশে চার সিনিয়র নেতা
অস্বস্তি কংগ্রেসে। ফাইল ছবি।

রাহুল গান্ধীর নেতৃত্ব গোটা কংগ্রেস যখন ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধে ভারত সরকারের অবস্থান এবং দেশের জ্বালানি সংকট নিয়ে কেন্দ্রকে তুলোধোনা করছে, সেখানে কংগ্রেসেরই চারজন সিনিয়র নেতা সম্পূর্ণ উলটো কথা বলছেন। কমল নাথ, শশী থারুর, আনন্দ শর্মা এবং মণীশ তিওয়ারির মতো একেবারে প্রথম সারির নেতারা বলছেন, সরকার যেভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে, তাতে ভুল কিছু নেই।

Advertisement

রাহুল গান্ধী তথা কংগ্রেসের বর্তমান নেতৃত্বের বক্তব্য, ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধে নিজেদের বহু পুরনো অবস্থান থেকে সরে এসে ইজরায়েলের পক্ষ নিয়েছে মোদি সরকার। এমনকী ইরানের সুপ্রিম লিডারের মৃত্যুর পরও সেভাবে ‘পুরনো বন্ধু’ ইরানের পাশে দাঁড়ায়নি। ঠিক উলটো কথা বলছেন সিনিয়র নেতারা। মণীশ তিওয়ারি যেমন বলছেন, কেন্দ্র খুব দক্ষতার সঙ্গে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছে। আবার আনন্দ শর্মা বলছেন, কেন্দ্র এই যুদ্ধ পরিস্থিতিতে যে অবস্থান নিয়েছে, সেটা প্রশংসনীয়। শশী থারুর আগে থেকেই কেন্দ্রের পক্ষে কথা বলেছেন। আর কমলনাথ বলছেন, “এলপিজির যে সংকটের কথা বলা হচ্ছে, তেমন কোনও সংকট নেই।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
Congress leaders break ranks with Rahul Gandhi on Iran war
রাহুল গান্ধী। ফাইল ছবি।

রাহুল গান্ধীর নেতৃত্ব নিয়ে কংগ্রেসের অন্দরে প্রশ্ন দীর্ঘদিনের। বিশেষ করে তথাকথিত সিনিয়র নেতারা বিরোধী দলনেতার নেতৃত্বে স্বচ্ছন্দ্য নন। সেই অস্বস্তি আরও একবার প্রকাশ্যে চলে এল। কমল নাথ মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। শশী থারুর, প্রথম সারির কংগ্রেস নেতা। আনন্দ শর্মা, দীর্ঘদিনের রাজ্যসভার সাংসদ এবং মণীশ তিওয়ারি, বর্তমান লোকসভার সাংসদ। এরা চারজনই একটা সময় কেন্দ্রে মন্ত্রী ছিলেন। সুতরাং এ হেন নেতারা যখন দলের অবস্থানের উলটো কথা বলেন, স্বাভাবিকভাবেই দলের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠে যায়।

Advertisement

এরা চারজনই একটা সময় কেন্দ্রে মন্ত্রী ছিলেন। সুতরাং এ হেন নেতারা যখন দলের অবস্থানের উলটো কথা বলেন, স্বাভাবিকভাবেই দলের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠে যায়।

যদিও কংগ্রেস সূত্র বলছে, যে নেতারা এসব বলছেন তাঁরা এমনিতেই দলের নেতৃত্বের থেকে বিক্ষুব্ধ। মণীশ তিওয়ারি এবং শশী থারুর বিদেশনীতির ক্ষেত্রে বরাবরই নিজেদের স্বতন্ত্র অবস্থান নেন। আনন্দ শর্মা সদ্য রাজ্যসভা না পেয়ে ক্ষুব্ধ। আর কমল নাথ ক্ষুব্ধ মধ্যপ্রদেশে দলের রাশ তাঁর হাত থেকে কেড়ে নেওয়ায়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন