জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী তথা সুরকার আদনান শামির সঙ্গে নৈশভোজ আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের। সেই ছবি সামনে আসতেই আরএসএস তথা ভাগবতের বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত হল কংগ্রেস। পাকিস্তানি বায়ু সেনার প্রাক্তন আধিকারিকের পুত্র আদনানের সঙ্গে নৈশভোজকে ‘দেশবিরোধী’ বলে আখ্যা দিল মহারাষ্ট্র কংগ্রেস। গোটা ঘটনায় সরগরম জাতীয় রাজনীতি।
আরও পড়ুন:
শতবর্ষ উপলক্ষে মুম্বইয়ে দু’দিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল আরএসএস। সেই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন বলিউডের তাবড় তাবড় শিল্পীরা। সেখানেই উপস্থিত হয়েছিলেন সঙ্গীত শিল্পী তথা সুরকার আদনান শামি। সেই ছবি সামনে আসতেই আরএসএস ও মোহন ভাগবতের বিরুদ্ধে তোপ দাগে মহারাষ্ট্র কংগ্রেস। এক্স হ্যান্ডেলে হাত শিবিরের তরফে লেখে হয়েছে, ‘আদনান শামির বাবা আরশাদ শামি খান ছিলেন পাকিস্তানি বায়ুসেনার পাইলট। ১৯৬৫ সালের যুদ্ধের সময় পাঠানকোটের বায়ুসেনা ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে তা ধ্বংস করেছিলেন উনি। আজ মোহন ভাগবত তাঁরই পুত্রের সঙ্গে এক টেবিলে বসে খাওয়া দাওয়া করছেন। আরএসএসের এই পদক্ষেপ স্পষ্ট দেশদ্রোহিতা।’
কংগ্রেসের অভিযোগ, ‘আদনান শামির বাবা আরশাদ শামি খান ছিলেন পাকিস্তানি বায়ুসেনার পাইলট। ১৯৬৫ সালের যুদ্ধের সময় পাঠানকোটের বায়ুসেনা ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে তা ধ্বংস করেছিলেন উনি।’
তবে কংগ্রেস সরব হলেও বিশেষ গুরুত্ব দিতে নারাজ সংঘ এবং পদ্মশ্রী পুরস্কারে সম্মানিত আদনান শামি। ভাগবতের সঙ্গে নৈশভোজের ছবি সোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করে তিনি লেখেন, ‘সংঘের পরিচালক মোহন ভাগবতের সঙ্গে একটি দুর্দান্ত দিন কাটালাম। দীর্ঘ কথাবার্তায় তিনি আমার মধ্যে থাকা বহু মিথ ও ভুল ধারনা ভেঙে দিলেন। উনি অত্যন্ত সজ্জন, ও ব্যক্তিত্ববান মানুষ।
পাশাপাশি ওই অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করার সময় বাংলাদেশ ইস্যুতে বার্তা দেন ভাগবত। বলেন, “বাংলাদেশে প্রায় ১.২৫ কোটি হিন্দু বসবাস করেন। যদি তাঁরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিজেদের অধিকারের জন্য লড়াই করেন, তাহলে পৃথিবীর সব হিন্দুরা তাঁদের পাশে দাঁড়াবেন। তাঁদের সাহায্য করবেন।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
সোমালিয়ার সমুদ্রে জলদস্যুদের তাণ্ডবে নিহত কলকাতার নাবিক, শোকে পাথর পরিবার
-
ফ্লাই দুবাইয়ের হামলাকারী সহ-পাইলটের ইরান যোগ! সাংঘাতিক ইঙ্গিত ট্রাম্পের
-
আগেও বহুবার সাউথ পয়েন্টের আহত সহপাঠীকে ‘টার্গেট’, কেন বারবার হামলা? তদন্তে পুলিশ
-
ফ্লাই দুবাই মনে করাচ্ছে কান্দাহার বিমান অপহরণ, মিউনিখ গণহত্যার মতো ঘটনাকে
-
পুজোয় পুরী যাওয়ার পথে একরাত কাটুক জঙ্গলে, সাফারিতে দেখা পেতে পারেন হাতিরও