Andhra Pradesh

বেড়েই চলেছে অন্ধ্রের ‘রহস্যময়’ অসুখে আক্রান্তের সংখ্যা! নেপথ্য কারণ হিসেবে উঠে এল এই তথ্য

আক্রান্তের সংখ্যা ইতিমধ্যেই সাড়ে পাঁচশো ছাড়িয়ে গিয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৮, ২০২০, ১৯:৪৫

options
link
বেড়েই চলেছে অন্ধ্রের ‘রহস্যময়’ অসুখে আক্রান্তের সংখ্যা! নেপথ্য কারণ হিসেবে উঠে এল এই তথ্য

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অন্ধ্রপ্রদেশে (Andhra Pradesh) দেখা দিয়েছে এক রহস্যময় অসুখ। শনিবার রাত থেকে হঠাৎই রাজ্যের পশ্চিম গোদাবরী (West Godavari‌)‌ জেলার এলুরুতে (‌Eluru)‌ আক্রান্ত হতে শুরু করেন বহু মানুষ। এখনও পর্যন্ত সংখ্যাটা সাড়ে পাঁচশো ছাড়িয়ে গিয়েছে। রাতারাতি দেখা দেওয়া এমন রহস্যময় অসুখের উৎস কী তা এখনও নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তবে প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, কীটনাশকের মধ্যে থাকা বিশেষ রাসায়নিকই এই অসুস্থতার জন্য দায়ী। অপেক্ষা চূড়ান্ত পরীক্ষার ফলাফলের জন্য।

Advertisement

ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের এক বিশেষজ্ঞ দলকে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে অন্ধ্রপ্রদেশে পাঠানো হয়েছে। ঠিক কী কী লক্ষণ দেখা যাচ্ছে আক্রান্তদের মধ্যে? জানা গিয়েছে মাথা ঘোরা, মাথা যন্ত্রণা, বমি বমি ভাব ও অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গের কথা। আক্রান্তদের রক্তের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে শিসা ও নিকেল পাওয়া গিয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। আরও নমুনা দিল্লির এইমসে পাঠানো হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে। প্রসঙ্গত, এদিন সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জগন্মোহন রেড্ডি একটি হাসপাতালে আক্রান্তদের দেখতে গিয়েছিলেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: বিরোধী কন্ঠরোধের চেষ্টা! ফের ‘গৃহবন্দি’ মেহবুবা মুফতি, ভিডিও পোস্ট করে সরব পিডিপি নেত্রী়]

বিশেষজ্ঞদের যে দল এখানে এসেছে, তাঁরাও নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা চালাচ্ছেন অসুখের উৎস কী তা খুঁজে বের করতে। প্রাথমিক ভাবে তাঁদের অনুমান ছিল দুধ কিংবা জল থেকে অসুখ ছড়াতে পারে। কিন্তু পরে তাঁরা সেই সম্ভাবনা বাতিল করে দিয়েছেন। সারা দেশের আরও কয়েকটি বিশেষজ্ঞের দলও গবেষণা চালাচ্ছে অসুখটি নিয়ে। তাঁদেরই মধ্যে এক চিকিৎসক জানিয়েছেন, সম্ভবত কীটনাশক ও মশা নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত স্প্রেতে থাকা ক্লোরিন ও হাইড্রোকার্বনের মিশ্রণই এই অসুখের আসল কারণ হতে পারে। বেশ কিছু সবজির নমুনা পাঠানো হয়েছে গবেষণাগারে। তবে এখনও চূড়ান্ত পরীক্ষার রিপোর্ট আসেনি। তা না আসা পর্যন্ত এবিষয়ে একদম নিশ্চিত করে কিছু বলা যাবে না। শনিবার রাত থেকেই অসুখের প্রকোপ শুরু হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে রয়েছে বহু শিশুও। এই মুহূর্তে আক্রান্তের সংথ্যা ৫৫১। তার মধ্যে ১৭৪ জনকে এখনও পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন : দেশের দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কমে দাঁড়াল ২৬ হাজার, অনেকটা কমল মৃত্যুও]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন