খুন, ডাকাতি, অপহরণের মতো অভিযোগে পুলিশের চাকরি খোয়া গিয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক ফৌজদারী মামলাও চলছে। উত্তরপ্রদেশের পুলিশের বরখাস্ত হওয়া সেই কনস্টেবলের বিরুদ্ধে এবার এক ভিখারিকে খুনের অভিযোগ উঠল। তদন্তকারীদের দাবি, আইনত নিজেকে মৃত বলে প্রমাণ করতেই এই কাজ করেন তিনি। গ্রেপ্তার করা হয়েছে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে।
গত ১২ মার্চ হাথরস রোড হল্টের কাছে রেললাইনের ধার থেকে এক ব্যক্তির দেহ উদ্ধার করে রেল পুলিশ। অভিযোগ, ৫৫ বছরের রাজবীর সিং খুন করেন এক ভিখারিকে। এর পর পুড়িয়ে দেন দেহ। ঘটনাস্থলে ইচ্ছাকৃত ভাবে রেখে আসেন নিজের পরিচয়পত্র। যাতে প্রমাণিত হয় যে মৃত ব্যক্তির নাম রাজবীর সিং। ঘটনার তদন্তে নেমে শুরুতে তেমনটাই মনে হয়েছিল জিআরপির। যদিও পরে পর্দাফাঁস হয়। ১৪ এপ্রিল মৈনপুর জেলার কিশনা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় অভিযুক্তকে।
জিআরপির হাথরসের স্টেশন-ইন-চার্জ সুয়াশ সিং জানিয়েছেন, নিজেক মৃত প্রমাণ করতে খুন করেছেন রাজবীর। যদিও তদন্তের ফলে সত্যটা সামনে এসে গিয়েছে। ওঁর মধ্য অপরাধ করার প্রবৃত্তি রয়েছে। ফিরোজাবাদ, আলিগড়, মোরাদাবাদ, হারদোই, মাইনপুরি এবং বাদাউনে একাধিক থানায় অপহরণ, হত্যা, ডাকাতি ও প্রতারণার মতো গুরুতর অভিযোগে রাজবীরের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। তাঁকে গ্রেপ্তার করে নতুন করে একধিক ধারায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। যদিও এখনও স্পষ্ট নয়, ঠিক কোন কারণে নিজেকে মৃত প্রমাণ করতে চান রাজবীর। পুলিশ অনুমান করছে, একাধিক মামলা থেকে রেহাই পেতেই নিজেক মৃত প্রমাণ করার চেষ্টা করেন রাজবীর।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বিশ্বকাপে মহা অঘটন! রুদ্ধশ্বাস টাইব্রেকারে প্যারাগুয়ের কাছে হেরে বিদায় জার্মানির
-
সামুরাই সূর্যাস্ত, শিষ্য জাপানকে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় গুরু ব্রাজিল
-
‘তৃণমূলের ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি নেই’, বঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক কংগ্রেস নেতা বেনুগোপালের
-
এবছরই দেশে ফেরার ঘোষণা হাসিনার, কী বলল ঢাকা?
-
‘বিয়ে করতে জেলে যাচ্ছি’, টোপর পরিয়ে ‘জামাই আদর’, তৃণমূল কাউন্সিলরকে ঘিরে জনরোষ!