Shashi Panja

‘লাগু আদর্শ আচরণ বিধি, ঘটনা ঘটলে ব্যবস্থা’, শশী পাঁজার উপর বিজেপির ‘হামলা’র জবাব কমিশনের

ঘটনায় এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে কলকাতা পুলিশ। খতিয়ে দেখা হচ্ছে সিসিটিভি ফুটেজ।

নন্দিতা রায়
নন্দিতা রায়

শেষ আপডেট: মার্চ ১৫, ২০২৬, ১৯:২৫

options
link
‘লাগু আদর্শ আচরণ বিধি, ঘটনা ঘটলে ব্যবস্থা’, শশী পাঁজার উপর বিজেপির ‘হামলা’র জবাব কমিশনের
শনিবার ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভার সময় হামলা চালানো হয় মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে।

ভোট ঘোষণার আগের দিন হামলা চালানো হয়েছে বাংলার মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে। তাঁকে খুনের চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগও উঠছে। আজ, ভোট ঘোষণার পর সাংবাদিক বৈঠকে প্রশ্ন উত্তর পর্বে জাতীয় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বললেন, “এখন এই মুহূর্ত থেকে আর্দশ আচরণ বিধি চালু হয়েছে। এই রকম ঘটনা যদি এরপর ঘটে তাহলে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” এছাড়াও ডিপ ফেক অন্যান্য বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে কমিশন। জ্ঞানেশ জানিয়েছেন, “কোনও বিষয়ে সামনে এলে নোডাল অফিসাররা ব্যবস্থা নেবে। এফআইআর দায়ের করা হবে। সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

Advertisement

শনিবার ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভার সময় হামলা চালানো হয় মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে। ব্রিগেডে মোদির সভায় যোগ দিতে বিভিন্ন জেলা থেকে বাসে বিজেপি কর্মীরা কলকাতায় এসেছিলেন। অভিযোগ, গিরিশ পার্কে রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়ির সামনে থাকা ‘বয়কট বিজেপি’ ব্যানার ছিড়ে ফেলেন বিজেপি কর্মীরা। আর তা থেকেই অশান্তি ব্যাপক আকার নেয়।

Advertisement

শুধু তাই নয়, শশী পাঁজার বাড়ি লক্ষ্য করে চলে ইটবৃষ্টি। ঘটনার সময় বাড়িতেই ছিলেন মন্ত্রী। ইটের আঘাতে তিনিও আহত হন। শশী পাঁজার অভিযোগ, “বহিরাগতদের নিয়ে ব্রিগেডে সভা করছে বিজেপি। আর এই বহিরাগতরাই বাস থেকে নেমে আমার বাড়ির সামনে প্ল্যাকার্ড ছিড়ে পালিয়ে গিয়েছে। কেন? সাহস থাকলে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে মোকাবিলা করুক। এত কাপুরুষ যে মেন রাস্তার উপর আমার বাড়ির ঢোকার মুখে ওরা ভাঙচুর করেছে। ইট ছুড়েছে, আমার বাড়ির জানলার কাচ ভেঙে গিয়েছে। আমার গায়ে লেগেছে, আমাকে খুনের ষড়যন্ত্র করছে ওরা।” সেই ঘটনার কথা তুলে জ্ঞানেশ কুমারকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “আইন ও নিয়ম মেনে নির্বাচন হয়। এখন থেকে আর্দশ আচরণ বিধি চালু হল। এই রকম ঘটনা ঘটলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

Advertisement

এদিকে প্রথমে গিরিশ পার্ক থানার পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে তদন্তে নামে। বিএনএসের একাধিক ধারা যেমন খুনের চেষ্টা, সরকারি কর্মীদের মারধর, দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা, ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা, ব্যক্তিগত সম্পত্তি ভাঙচুর, বেআইনি জমায়েত-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে ৪ অভিযুক্তদের শনিবার গ্রেপ্তার করা হয়। পরে থানায় অভিযোগ জানায় তৃণমূল ও বিজেপি উভয়পক্ষ। তারপরই আরও ৫ জনকে গ্রেপ্তার হয়। তারা সকলেই বিজেপি কর্মী। অভিযুক্তদের ১৯ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.