Passport

‘পাসপোর্ট বিদেশ ভ্রমণের নথি, নাগরিকত্বের প্রমাণ নয়’, বিদেশমন্ত্রকের মন্তব্যে তুঙ্গে বিতর্ক

বিদেশমন্ত্রকের এই মন্তব্য একটি দ্বন্দ্বের জন্ম দিয়েছে, কারণ অ-নাগরিকদের পাসপোর্ট দেওয়া হয় না। যদিও এই বিষয়ে একটি ব্যাখ্যায় বলা হচ্ছে, পাসপোর্ট ব্যক্তির কাছে থাকলেও তা আদতে রাষ্ট্রের সম্পত্তি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৪, ২০২৬, ২০:৩১

options
link
‘পাসপোর্ট বিদেশ ভ্রমণের নথি, নাগরিকত্বের প্রমাণ নয়’, বিদেশমন্ত্রকের মন্তব্যে তুঙ্গে বিতর্ক
পাসপোর্ট ক্রমতালিকা প্রকাশ। ফাইল ছবি।

পাসপোর্ট দেওয়া হয় কেবলমাত্র ভারতীয় নাগরিকদের। যদিও বুধবার বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানিয়ে দেওয়া হল, “পাসপোর্ট হল বিদেশ ভ্রমণের নথি, নাগরিকত্বের প্রমাণ নয়।” ২৪ জুন ছিল চোদ্দতম পাসপোর্ট দিবস। সেদিনই বিদেশমন্ত্রকের চাঞ্চল্যকর মন্তব্যে ব্যাপক বিতর্ক দানা বাঁধল।

Advertisement

‘পাসপোর্ট নয়, নাগরিকত্বের চূড়ান্ত প্রমাণ তাহলে কী?’ এই প্রশ্ন তুলে এক্স হ্যান্ডেল-সহ বিভিন্ন সোশাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা, এই বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার এখনও পর্যন্ত খোলসা করেনি। বুধবার বিদেশমন্ত্রকের এক আধিকারিক বলেন, “পাসপোর্ট প্রাথমিকভাবে আন্তর্জাতিক ভ্রমণের জন্য একটি জরুরি নথি। এর অর্থ হল, কেবলমাত্র পাসপোর্ট থাকলেই তা নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসেবে গণ্য হবে না।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বিদেশমন্ত্রকের এই মন্তব্য একটি দ্বন্দ্বের জন্ম দিয়েছে, কারণ অ-নাগরিকদের পাসপোর্ট দেওয়া হয় না। যদিও এই বিষয়ে একটি ব্যাখ্যায় বলা হচ্ছে, পাসপোর্ট ব্যক্তির কাছে থাকলেও তা আদতে ব্যক্তির সম্পত্তি নয়। পাসপোর্টে সে কথা লেখাও থাকে— “ভারত সরকারের সম্পত্তি। সরকার নির্দেশ দিলে ফেরত দিতে হবে।”

Advertisement

চলতি বছরের শুরুতে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন সংক্রান্ত শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্ট নিশ্চিত করে, আধার নাগরিকত্বের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। এটি একটি পরিচয়পত্র। ভোটার আইডি কার্ডকেও নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র গণ্য করা হয় না। এটি মূলত পরিচয় ও বাসস্থানের একটি নথি। নির্বাচনের সময় ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ করে দেয়।

প্রসঙ্গত, নাগরিকত্ব আইন অনুযায়ী, কোনও ব্যক্তি যদি ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি বা তার পরে, এবং ১৯৮৭ সালের ১ জুলাইয়ের আগে ভারতে জন্মগ্রহণ করে থাকেন, তবে তিনি জন্মসূত্রে ভারতীয়। ১৯৮৭ সালের জুলাই মাসের পরে জন্মগ্রহণকারী কোনও ব্যক্তিও নাগরিকত্বের দাবি করতে পারেন, যদি তাঁর বাবা-মায়ের মধ্যে অন্তত একজন নাগরিক হন। এছাড়াও ৩ ডিসেম্বর ২০০৪ বা তার পরে জন্মগ্রহণকারীদের ক্ষেত্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের দাবি করা তখনই সম্ভব, যদি তাঁদের বাবা-মা উভয়েই ভারতীয় হন। অথবা বাবা-মায়ের মধ্যে একজন নাগরিক হন এবং অন্যজন জন্মের সময় অবৈধ অভিবাসী না হন। যদিও নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র নিয়ে ধোঁয়াশা কাটছে না।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.