reservation

‘আইএএস আধিকারিকদের ছেলেমেয়েরাও কেন সংরক্ষণের আওতায়?’, বড়সড় প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট

বস্তুত সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ ঘুরিয়ে সংরক্ষণের পদ্ধতির আমুল বদলের পক্ষে সওয়াল করল। একই পরিবারে এক প্রজন্মের বেশি সংরক্ষণ পাওয়া উচিত কিনা সেই মৌলিক প্রশ্নই উঠে যাচ্ছে বিচারপতিদের পর্যবেক্ষণে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২২, ২০২৬, ২০:১০

options
link
‘আইএএস আধিকারিকদের ছেলেমেয়েরাও কেন সংরক্ষণের আওতায়?’, বড়সড় প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট
বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্কে জড়ানো দিয়ে কারোর চরিত্র বিচার করা যায় না। গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করল সুপ্রিম কোর্ট।

বাবা-মা দুজনেই রাজ্য সরকারি কর্মচারী। তা সত্ত্বেও সংরক্ষণের সুবিধা দাবি করছে সন্তান। সেই মামলায় শীর্ষ আদালত সরাসরি প্রশ্ন করল, “বাবা-মা দু’জনেই যদি সরকারি চাকরিরত। তারপরও সংরক্ষণের সুবিধা দাবি করছেন কীসের ভিত্তিতে?” সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বিভি নাগরত্ন সোজা বলে দিচ্ছেন, “এভাবে চলতে থাকলে আমরা কোনওদিন সংরক্ষণের বেড়াজাল থেকে বেরোতে পারব না।”

Advertisement

মূল মামলাটি কর্নাটকের। সে রাজ্যের কুর্বা জনজাতির এক যুবক সরকারি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে সংরক্ষণের সুবিধা না দেওয়ার অভিযোগ তুলে মামলা করেছিলেন। ওই যুবকের বাবা-মা দু’জনেই রাজ্য সরকারি কর্মচারী। ওই যুবকের দাবি, কর্নাটকের ওবিসি সংরক্ষণ আইনে তাঁর সংরক্ষণের সুবিধা পাওয়ার কথা। পালটা সরকারি আধিকারিকদের দাবি ছিল, ওই যুবকের বার্ষিক পারিবারিক আয় ১৯.৪৮ লক্ষ টাকা। ওই যুবকের বাবা-মা দু’জনেই সরকারি কর্মী। এত আয়ের পরিবারের সদস্যরা সংরক্ষণ পেতে পারে না।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সংরক্ষণের সুবিধা না পেয়ে ওই যুবক মামলা করেন। কর্নাটক হাই কোর্ট ঘুরে মামলাটি পৌঁছেছে সুপ্রিম কোর্টে। শীর্ষ আদালতের বিচারপতি বি ভি নাগরত্ন এবং বিচারপতি উজ্জ্বল ভুঁইয়ার বেঞ্চ বলছে, “যদি বাবা-মা দু’জনেই আইএএস আধিকারিক হন, তাহলে আবার কেন সংরক্ষণ পাবে? শিক্ষা এবং আর্থিক সামর্থ্য বৃদ্ধির সঙ্গে সমাজে গ্রহণযোগ্যতাও বৃদ্ধি পায়, কিন্তু এরপরও যদি ছেলেমেয়ের জন্য সংরক্ষণ দাবি করা হয়, তাহলে আমরা কোনওকালেই এই চক্রের বাইরে বেরোতে পারব না।”

Advertisement

বিচারপতি নাগরত্ন এর আগেও সংরক্ষণ নিয়ে একাধিকবার উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। তাঁর বেঞ্চ বলছে, “এই ব্যাপারগুলো আমাদের ভাবাচ্ছে। এখানে স্পষ্ট বিষয়, বাবা-মা সংরক্ষণের সুবিধা পেয়েছে। পড়াশুনো করেছে, চাকরি পেয়েছে। এবার ওদের সন্তানদের সংরক্ষণের বাইরে বেরনো উচিত।” বস্তুত বিচারপতি বিভি নাগরত্ন এবং বিচারপতি উজ্জ্বল ভুঁইয়া ঘুরিয়ে সংরক্ষণের পদ্ধতির আমুল বদলের পক্ষে সওয়াল করল। একই পরিবারে এক প্রজন্মের বেশি সংরক্ষণ পাওয়া উচিত কিনা সেই মৌলিক প্রশ্নই উঠে যাচ্ছে বিচারপতিদের পর্যবেক্ষণে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.