IIT Bombay Student Dies

জাতিবিদ্বেষী কটাক্ষ, ছাত্রকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা! ‘শাস্তি’ অধ্যাপককে, ক্ষমা চাইল বম্বে আইআইটি

কেবল পরীক্ষার দিন নয়, গত তিনমাস ধরে মানসিক নির্যাতন চালিয়েছিলেন ওই অধ্যাপক। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর ঘর থেকে উদ্ধার হয় আইআইটি পড়ুয়ার দেহ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬, ১৪:২১

options
link
জাতিবিদ্বেষী কটাক্ষ, ছাত্রকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা! ‘শাস্তি’ অধ্যাপককে, ক্ষমা চাইল বম্বে আইআইটি
অভিযোগের কেন্দ্রে পরীক্ষক সূর্যনারায়ণ দুল্লা।

অধ্যাপক জাতিবিদ্বেষী কটাক্ষ করায় আত্মঘাতী হয়েছেন পড়ুয়া। গত দু’দিন ধরে এই অভিযোগে বিদ্ধ বম্বে আইআইটি। এবার অভিযুক্ত অধ্যাপককে সাসপেন্ড করল প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ। ইতিমধ্যেই ওই অধ্যাপকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছেন আত্মঘাতী পড়ুয়ার বাবা-মা। সাসপেন্ড করার পাশাপাশি অতীতের যাবতীয় মন্তব্যের জন্য ক্ষমাও চেয়ে নিয়েছে বম্বে আইআইটি।

Advertisement

শনিবার জানা যায়, সাহিল ওয়াকোড়ে নামে বম্বে আইআইটির এক পড়ুয়া পরীক্ষায় চ্যাটজিপিটির সাহায্য নিয়ে ধরা পড়েছিলেন। তারপরেই আত্মঘাতী হন সাহিল। তাঁর পরিবার এবং বন্ধুদের কথায়, দুপুর দু’টো থেকে চারটে পর্যন্ত পরীক্ষা ছিল। পরীক্ষা চলাকালীন তাঁর কাছ থেকে একটি মোবাইল উদ্ধার করেন পরীক্ষক। ছেলেটির সঙ্গে কথা বলেন পরীক্ষক ও বিভাগীয় প্রধান। এরপর ওই পড়ুয়া নিজের হস্টেলের ঘরে ফিরে যান। সন্ধের দিকে তাঁর নিথর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ছেলের মৃত্যুর পরে থানায় এফআইআর দায়ের করেন সাহিলের বাবা-মা। অভিযোগের কেন্দ্রে পরীক্ষক সূর্যনারায়ণ দুল্লা।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পরীক্ষার সময়ে নজরদারির দায়িত্বে ছিলেন এই সূর্যনারায়ণই। অভিযোগ, সাহিল ধরা পড়ার পর তাঁকে সাসপেন্ড করে দেওয়ার কথা বলেছিলেন এই অধ্যাপক। এমনকি জাতিপরিচয় নিয়ে অপমানজনক মন্তব্য করেছেন বলেও অভিযোগ ওঠে। কেবল পরীক্ষার দিন নয়, গত তিনমাস ধরে মানসিক নির্যাতন চালিয়েছিলেন ওই অধ্যাপক। যদিও বম্বে আইআইটি কর্তৃপক্ষের দাবি ছিল, এই সংক্রান্ত কোনও অভিযোগ পাননি। মৃত্যুর দু’দিন আগেও সাহিলের আচরণে কোনও অস্বাভাবিকতা দেখেননি বলেই জানাচ্ছেন তাঁর বাবা-মা। তাঁদের অভিযোগ, বম্বে আইআইটির অধ্যাপক আত্মহত্যায় প্ররোচনা দিয়েছেন।

Advertisement

রবিবার সূর্যনারায়ণের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়। সোমবারই তাঁকে সাসপেন্ড করে দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে বম্বে আইআইটির বিবৃতি, ‘সাহিলের মৃত্যু নিয়ে এর আগে প্রতিষ্ঠানের তরফ থেকে যা বলা হয়েছে তার জন্য ক্ষমাপ্রার্থী। গোটা ঘটনাটি নিয়ে উপযুক্ত পর্যায়ে তদন্ত চলছে। সেজন্য সাহিলের এই পরিণতির কারণ ঘিরে আপাতত মন্তব্য করা উচিত নয়।’ প্রশ্ন উঠছে, তাহলে দু’দিন পর্যন্ত কর্তৃপক্ষ যেসব মন্তব্য করে গেল সেটা কার নির্দেশে? কেন প্রথম থেকে সবদিক খতিয়ে দেখা হয়নি?

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.