Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ আশ্বিন ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Mithu Mukherjee

ক্যানসার কেড়ে নিল প্রাণ, ‘স্বয়ংসিদ্ধা’ মিঠু মুখোপাধ্যায়ের জীবনাবসান

না ফেরার দেশে মিঠু মুখোপাধ্যায়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬, ১৩:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬, ১৩:২৬

options
link
ক্যানসার কেড়ে নিল প্রাণ, ‘স্বয়ংসিদ্ধা’ মিঠু মুখোপাধ্যায়ের জীবনাবসান zoom
প্রয়াত মিঠু। ছবি: সোশাল মিডিয়া
Advertisement

শরীরে থাবা বসিয়েছিল মারণরোগ ক্যানসার। দীর্ঘ এক বছরের লড়াই শেষ। জীবনাবসান বর্ষীয়ান অভিনেত্রী মিঠু মুখোপাধ্যায়ের। রবিবার রাতে মুম্বইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ‘মৌচাক’ খ্যাত এই বর্ষীয়ান অভিনেত্রী। দক্ষিণ কলকাতার ঘরবাড়ি বিক্রি করে মুম্বই ছিল তাঁর স্থায়ী ঠিকানা। সেখানেই চলছিল তাঁর চিকিৎসা। কিন্তু, শেষ রক্ষা হল না। জীবনমৃত্যুর লড়াইয়ে হার মানলেন মিঠু। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১।

সাতের দশকে বাংলা সিনেমায় মিঠু মুখোপাধ্যায়ের উপস্থিতি ছিল দর্শকের কাছে অন্যতম আকর্ষণ। গোলপানা মিষ্টি মুখ, সৌন্দর্য আর ব্যক্তিত্বের সঙ্গে সাবলীল অভিনয়ের মিশেলে পর্দায় তৈরি করেছিল নিজস্ব আবহ। অল্পদিনের অভিনয় কেরিয়ারে এমন কিছু ছবিতে কাজ করেছেন যা দর্শকের হৃদয়ে গেঁথে রয়েছে। মিঠু অন্তরালে থাকলেও তাঁর অভিনয়শৈলী আজও বাংলা ছবির দর্শকের মনে জীবন্ত।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শুধু বাংলাই নয়, টলিউডের গণ্ডি পেরিয়ে হিন্দি ও ওড়িয়া ছবিতেও অভিনয় করেছিলেন। ১৯৭০ থেকে ১৯৯০ পর্যন্ত বিস্তৃত মিঠু মুখোপাধ্যায়ের অভিনয় কেরিয়ার। তবে শেষজীবনটা লোকচক্ষুর আড়ালেই ছিলেন। সুচিত্রা সেনের পর বাংলা সিনেমায় মিঠু মুখোপাধ্যায় ছিলেন একমাত্র অভিনেত্রী যিনি জনপ্রিয়তার শিখরে থেকেও অন্তরালে ছিলেন। তবে এক্ষেত্রে একটা কথা না বললেই নয়, সুচিত্রা সেন কিন্তু স্বইচ্ছায় অন্তরালে গিয়েছিলেন। অন্যদিকে একের পর এক কালজয়ী ছবি উপহার দিয়েছিলেন মিঠু। এমনকী শেষ ছবি ‘আশ্রিতা’ও ছিল সুপারহিট। মহানায়িকার গ্ল্যামারের দ্যুতির ধারেপাশেও না থাকলেও হঠাৎ সিনেজগৎ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেওয়া স্বেচ্ছায় নির্বাসন বলা যায় কী!

বাঙালি দর্শকের মনে আজও প্রশ্ন উঁকি মারে তা বলাই বাহুল্য। ১৯৭১ সালে চিত্ত বসুর ‘শেষ পর্ব’-তে বড়পর্দায় তাঁর অভিষেক। বিপরীতে ছিলেন সমিত ভঞ্জ। প্রথম ছবিতেই সাফল্য পেয়েছিলেন এমনটা নয়। তবে ১৯৭৩ সালে দীনেন গুপ্তের ‘মর্জিনা আবদুল্লা’ দর্সকের দরবারে তাঁকে সফল অভিনেত্রী হিসেবে পরিচিতি তৈরি করেছিল। এরপর আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। ১৯৭১ সালে চিত্ত বসুর ‘শেষ পর্ব’-তে বড়পর্দায় তাঁর অভিষেক। বিপরীতে ছিলেন সমিত ভঞ্জ।

প্রথম ছবিতেই সাফল্য পেয়েছিলেন এমনটা নয়। তবে ১৯৭৩ সালে দীনেন গুপ্তের ‘মর্জিনা আবদুল্লা’ দর্শকের দরবারে তাঁকে সফল অভিনেত্রী হিসেবে পরিচিতি তৈরি করেছিল। এরপর আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। ধূমকেতুর মতো গতিতে এগিয়ে চলে মিঠুর কেরিয়ার। যে ইন্ডাস্ট্রিতেই কাজের সুযোগ পেয়েছেন সেখানেই অভিনয় দক্ষতার ছাপ রেখে গিয়েছেন।

সাদা-কালো সেলুলয়েডের ধুসর ক্যানভাসে রঙিন বসন্তের ছোঁয়া দিয়েছিলেন। ডাকসাইটে সুন্দরীই নন, চাবুক ফিগার আর তুখোর অভিনয়ের সংমিশ্রণে মিঠুর সম্মোহন ঝড় তুলল সাতের দশকের বাঙালি পুরুষ হৃদয়ে। রূপের মাধুর্যে ‘কলকাতার রেখা’ তকমা জুড়ে ছিল তাঁর নামের সঙ্গে। সৌন্দর্য, অভিনয় দক্ষতা সবকিছু থাকা সত্ত্বেও বাঙালির প্রিয় ‘মর্জিনা’ অন্তরালে থেকেও দর্শকের হৃদয়ে ‘আশ্রিতা’ হয়ে ছিলেন, আগামীতেও থাকবেন।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.