হাতছাড়া হয়েছে দলের নাম-প্রতীক। যা নিয়ে রীতিমতো বিড়ম্বনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শিবির। তবে এরমধ্যেই স্বস্তির খবর। দলীয় তহবিল ব্যবহারের অধিকার রইল কালীঘাট তৃণমূল অর্থাৎ ‘মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসে’র কাছে। এক্ষেত্রে কলকাতা হাই কোর্টের স্পষ্ট নির্দেশ, প্রতীক বদল হলেও অ্যাকাউন্ট ব্যবহারে কোনও বাধা নেই। আজ, সোমবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে তহবিল সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। শুনানিতে বিচারপতি ভট্টাচার্যের পর্যবেক্ষণ, কমিশন এখনও চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত জানায়নি। তৃণমূলের নাম এবং প্রতীক নিয়ে যে অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তা উপনির্বাচনকে মাথায় রেখে। ফলত ২০২৭ সালের ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত তহবিল থেকে টাকা খরচের অধিকার থাকবে মমতা তৃণমূলের কাছেই। অর্থাৎ আগের নির্দেশই বহাল রাখল কলকাতা হাই কোর্ট।
মামলার শুনানিতে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ সংক্রান্ত মামলার শুনানি কত গ্রহণযোগ্য তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল রাজদীপ মজুমদার। এক্ষেত্রে তাঁর যুক্তি, ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’-এর নামে এই মামলা করা হয়। কিন্তু কোনও রাজনৈতিক দল এই নামে নেই। দলের প্রতীক, নাম সব ফ্রিজ হয়ে গিয়েছে।
সামনেই নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগরে উপনির্বাচন। কার্যত ‘হেভিওয়েট’ দুই কেন্দ্রে ভোটের আগে ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং ‘জোড়াফুল’ প্রতীক ফ্রিজ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ফলত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিংবা ঋতব্রত শিবির, কেউ এই নাম এবং প্রতীক ব্যবহার করতে পারছে না। এই পরিস্থিতিতে দলের তহবিল কার ‘দখলে’ থাকবে তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়। যদিও এদিন মামলায় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ সংক্রান্ত মামলার শুনানি কতটা গ্রহণযোগ্য তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল রাজদীপ মজুমদার। এক্ষেত্রে তাঁর যুক্তি, ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’-এর নামে এই মামলা করা হয়। কিন্তু কোনও রাজনৈতিক দল এই নামে নেই। দলের প্রতীক, নাম সব ফ্রিজ হয়ে গিয়েছে।
যদিও এক্ষেত্রে পালটা পর্যবেক্ষণে আদালত জানায়, অন্তবর্তী নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। ফলত আগের অবস্থানেই আদালত থাকবে। বলে রাখা প্রয়োজন, গত শুনানি অর্থাৎ ৯ জুলাই নির্দেশে আদালত জানিয়েছিল, ব্যাংক অ্যাকাউন্টগুলি কালীঘাট তৃণমূল ব্যবহার করতে পারবে। তিন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট পরিচালনার জন্য বিশেষ অফিসার নিয়োগ করেছিলেন বিচারপতি ভট্টাচার্য। তবে খরচের ক্ষেত্রে বেশ কিছু বিধি নিষেধ আরোপ করা হয়েছিল। অর্থাৎ যথেচ্ছভাবে টাকা খরচ করা যাবে না বলে জানানো হয়। শুধু তাই নয়, আগামী ২৯ জানুয়ারি এই নির্দেশ থাকবে বলেও নির্দেশে জানিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট। আজ, সোমবার সেই নির্দেশই বহাল রাখল বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চ।
সর্বশেষ খবর
-
ভাঙড়ে সংখ্যালঘু বিজেপি কর্মীর মাথা ফাটাল আইএসএফ! দু’পক্ষের সংঘর্ষে আক্রান্ত বহু পুলিশ
-
সুচিত্রার মতোই অন্তরালে! তবু বাঙালি-হৃদয়ে চির‘আশ্রিতা’ মিঠু মুখোপাধ্যায়
-
ব্রিটিশ শাসকদের সঙ্গে বিজেপির তুলনা! মীনাক্ষীদের ‘ইনকিলাব’ সমাবেশে নতুন লড়াইয়ের ডাক
-
জিন্নার গোপন রোগ লুকিয়ে দেশভাগ! সাত দশক পর ২ চিকিৎসককে ‘সম্মানিত’ করছে পাকিস্তান
-
জাতিবিদ্বেষী কটাক্ষ, ছাত্রকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা! ‘শাস্তি’ অধ্যাপককে, ক্ষমা চাইল বম্বে আইআইটি