৭২ ঘণ্টাও কাটল না। টাটা সন্সের দায়িত্বভার ঘিরে তৈরি হল নতুন সমস্যা। কদিন আগেই টাটা সন্সের চেয়ারম্যান পদে এন চন্দ্রশেখরনকে পুনরায় নিয়োগ করেছিল বোর্ড। আগামী ৫ বছরের জন্য এই নিয়োগের প্রস্তাব পাশ করেছিল টাটা সন্স কর্তৃপক্ষ। এবার সেই সিদ্ধান্তকে অবৈধ বা বেআইনি ঘোষণা করল টাটা ট্রাস্ট। এই মর্মে একটি বিবৃতি দিয়েছে তারা। নোয়েল টাটার নেতৃত্বাধীন টাটা ট্রাস্ট এবং তার সঙ্গে যুক্ত ট্রাস্টগুলির হাতে টাটা সন্সের প্রায় ৬৬ শতাংশ মালিকানা রয়েছে এবং কোম্পানির বোর্ডে তাদের দু’জন মনোনীত পরিচালক রয়েছেন। স্বাভাবিক ভাবেই টাটা সন্সের নীতিনির্ধারণের ক্ষেত্রে টাটা ট্রাস্টের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
গত ১৭ সেপ্টেম্বর টাটা সন্সের বোর্ডের সভায় এন চন্দ্রশেখরনকে ফের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ করা হয়। কিন্তু টাটা ট্রাস্ট কর্তৃপক্ষের তরফে বলা হয়েছে, বোর্ডের সভায় গৃহীত ভোটের কোনও আইনি বৈধতা নেই। কারণ, কোম্পানির নিয়ম অনুসারে, চেয়ারম্যান নিয়োগের ক্ষেত্রে ট্রাস্টের মনোনীত পরিচালকদের সম্মতির প্রয়োজন হয়। এই বোর্ডের মিটিংয়ে যা নেওয়া হয়নি। ট্রাস্টের তরফে বলা হয়েছে, টাটা সন্সের আর্টিকেলস অফ অ্যাসোসিয়েশন (এওএ) অনুযায়ী, তাদের মনোনীত দুই পরিচালককেই প্রস্তাব সমর্থন করতে হবে। টাটা ট্রাস্টের মনোনীত সংখ্যাগরিষ্ঠ ডিরেক্টরদের সমর্থন থাকতেই হবে। সেক্ষেত্রে দু’জন ভিন্নমত পোষণ করলে প্রস্তাব বৈধ হবে না বলে জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে যে, বিধিৎ ফলে বোর্ডের কোনও সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র পরিচালকদের সংখ্যার ওপর নির্ভর করে না। এটি একটি পৃথক শর্ত। সেই শর্ত লঙ্ঘিত হয়েছে। তাই সিদ্ধান্তটিও বেআইনি।
আরও পড়ুন:
টাটা সন্সের বোর্ড বৈঠকে টাটা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান নোয়েল সরাসরি চন্দ্রশেখরনের পুনর্নিয়োগের বিরুদ্ধে ভোট দেন, আর অন্য ট্রাস্ট মনোনীত পরিচালক ভেনু শ্রীনিবাসন পক্ষে ভোট দেন। ভেনু টাটা সন্সের পরিচালক পর্ষদের বৈঠকে ‘স্যার দোরাবজি টাটা ট্রাস্ট’ এবং ‘স্যার রতন টাটা ট্রাস্ট’-এর প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন। টাটা ট্রাস্টের দাবি, চেয়ারম্যানের নির্ণায়ক ভোট শুধুমাত্র তখনই প্রযোজ্য হবে যখন সামগ্রিক বোর্ড পর্যায়ে ভোটের সমতা থাকবে। এটি টাটা ট্রাস্ট-এর মনোনীত পরিচালকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। তাই টাটা সন্সের বোর্ডের সভায় গৃহীত ৪:১ ভোটের কোনও আইনি বৈধতা নেই। গত ১২ আগস্ট টাটা শিল্পগোষ্ঠীর অন্দরে ডামাডোলের ইঙ্গিত উস্কে দিয়ে পদত্যাগের কথা ঘোষণা করেছিলেন চন্দ্রশেখরন। জানান, মেয়াদ শেষে আর দায়িত্বে থাকবেন না। নোয়েল শিবিরের দাবি, এই পরিস্থিতিতে বোর্ডের বৈঠক কেবল চন্দ্রশেখরনের উত্তরসূরি মনোনয়নের জন্য ডাকা যায়। তাঁকে পুনর্নিয়োগ দেওয়ার জন্য নয়।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
জাতিবিদ্বেষী কটাক্ষ, ছাত্রকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা! ‘শাস্তি’ অধ্যাপককে, ক্ষমা চাইল বম্বে আইআইটি
-
অভাব অনটন, বিবাহে বাধা? ‘পুরট্টাসি সানি’ পুজোয় দূর হবে বিঘ্ন, জানাচ্ছে শাস্ত্র
-
মাতৃত্বের পর চেহারা নিয়ে লাগাতার কটাক্ষ ক্যাটরিনাকে, শার্ট খুলে সলমন প্রতিবাদ করতেই ক্ষমাপ্রার্থী কে?
-
ফ্রিজ হওয়া তিন অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা যাবে, প্রতীক খুইয়েও হাই কোর্টে স্বস্তি মমতা তৃণমূলের
-
ক্রিকেট কেরিয়ার শেষ! এবার রাজনীতির ময়দানে নামছেন শামি?