নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী নির্দেশে হাতছাড়া দলের নাম এবং তৃণমূলের ঘাসফুল প্রতীক। তারপরই সুপ্রিম কোর্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে মামলা গ্রহণ করে। দ্রুত শুনানির আর্জি জানানো হয়েছে।
এদিন আদালতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে আইনজীবী কপিল সিব্বল জানান, দলের প্রতীক ফ্রিজ করা হয়েছে। ভোটের নোটিফিকেশন জারি করা হয়েছে আগেই। তারই মাঝে ফ্রিজ করা হয়েছে প্রতীক। কী সব চলছে দেখুন। দলের তরফে আগেই বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। তারপরেও প্রতীক ফ্রিজ করা হয়েছে। দ্রুত এই মামলার শুনানি করা হোক। আইনজীবী কপিল সিব্বলের আর্জির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি জানান, “আমরা চেষ্টা করব এই সপ্তাহে শুনানি করার। শুনানির সময়ে আপনি সওয়াল করবেন।”
আরও পড়ুন:
বলে রাখা ভালো, ছাব্বিশের ভোটে পরাজিত হওয়ার পর থেকেই সদ্যপ্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেসে শুরু হয় মুষলপর্ব। জয়ী ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ৬৫ জনই নিজেদের ‘আসল’ তৃণমূল বলে দাবি করে মমতা শিবির থেকে বেরিয়ে যান। দ্বিধাবিভক্ত দলে নাম, প্রতীক ও তহবিল নিয়ে টানাপোড়েন শুরু হয়। দুই শিবিরই দলের নাম, প্রতীক, তহবিল হাতে রাখতে চেয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বরাস্থ হয়ে নিজেদের প্রমাণ পেশ করে। কিন্তু কমিশন দীর্ঘদিন কোনও সিদ্ধান্ত জানায়নি। শেষমেশ ১৮ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার ইতি পড়ে এই প্রতীক যুদ্ধে। এদিন দুপুরে বিজ্ঞপ্তি জারি করে কমিশন জানায়, জোড়াফুল প্রতীক ও সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস – কোনওটিরই অস্তিত্ব নেই। মমতার শিবিরের নাম ‘মমতা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’, প্রতীক ‘ফুটবলার’। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের নাম ‘ডেমোক্র্যাটিক তৃণমূল কংগ্রেস’, প্রতীক ‘খাম’।
আগামী ৬ অক্টোবর রাজ্যের দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচনের আবহে তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এরপর বিকেলে মমতা সাংবাদিক বৈঠকে বসে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেন। সেইসঙ্গে জানান, নিজের হাতে গড়া দল ও প্রতীকের অধিকার তিনি ছাড়বেন না, শেষপর্যন্ত লড়ে যাবেন। কথামতোই কাজ। শুক্রবার রাতে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরোধিতায় শীর্ষ আদালতের মামলা দায়ের করে মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস। সেই মামলাই গৃহীত হল এদিন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
অস্ট্রেলিয়ার কোচ হচ্ছেন রমেশ পওয়ার! হতে পারেন নির্বাচকও
-
উনিশের কিশোরী স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা! ধৃত ৭৫-এর জামাত এমপি
-
‘হেলথ স্কিম’ থেকে নাম বাদ গেলেও সরকারি রেটে চিকিৎসা, বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের
-
‘আলবিদা ক্যানিং’, সোশাল মিডিয়ায় ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করে ভবানীভবনে ক্যানিং পশ্চিমের ঋতপন্থী বিধায়ক
-
আরও ৫ মামলার খাঁড়া ঝুলছে! গ্রেপ্তারির আশঙ্কায় রক্ষাকবচ চেয়ে হাই কোর্টে নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী