বেকারত্বের হার

লাগাতার লকডাউনের জের, একলাফে দেশে বেকারত্বের হার বেড়ে হল ২৭.১১ শতাংশ

একাধিক উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এল সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমি'র রিপোর্টে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৬, ২০২০, ১১:৪৭

options
link
লাগাতার লকডাউনের জের, একলাফে দেশে বেকারত্বের হার বেড়ে হল ২৭.১১ শতাংশ
ছবি প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লকডাউনের ভয়াবহ প্রভাব অর্থনীতিতে। এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে রেকর্ড হারে বাড়ল বেকারত্ব। ৩ মে শেষ হওয়া সপ্তাহে ভারতে বেকারত্বের হার ২৭.১১ শতাংশ। যা সাম্প্রতিক অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। দেশের অর্থনীতির থিংক ট্যাঙ্ক সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমির (CMIE)সাম্প্রতিক রিপোর্টে কপালে ভাঁজ ফেলার মতো পরিসংখ্যান দেখা গিয়েছে।

Advertisement

করোনা ভারতে প্রকোপ দেখানোর আগেও অর্থনীতি খুব একটা ভাল জায়গায় ছিল না। সেসময় বেকারত্বের হার ছিল ৭ শতাংশের আশেপাশে। কিন্তু করোনার প্রভাবে একপ্রকার কোমরই ভেঙে গিয়েছে অর্থনীতির। মাত্র ২ মাসের মধ্যে বেকারত্বের হার ৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ২৭ শতাংশে পৌঁছে গিয়েছে। অর্থাৎ, লকডাউনের জেরে দেশে কাজ হারিয়েছেন প্রায় ২০ শতাংশ মানুষ। গ্রামের তুলনায় শহরের ছবিটা বেশি উদ্বেগের। CMIE রিপোর্ট বলছে, গত সপ্তাহে শহরাঞ্চলে বেকারত্বের হার ছিল ২৯.২২ শতাংশ। আর গ্রামের দিকে গত সপ্তাহে বেকারত্বের হার ছিল ২৬.৬৯ শতাংশ। লকডাউনের পর থেকেই CMIE-র পেশ করা রিপোর্টে বেকারত্বের হার বেড়েই চলেছে। গত ২৯ মার্চ শেষ হওয়া সপ্তাহে বেকারত্বের হার ছিল ২১.৮১ শতাংশ। লকডাউনের ভয়াবহতা বোঝা যায় CMIE-র দেওয়া আরও একটি তথ্যে। সংস্থাটি বলছে, গত মার্চ মাসে দেশে বেকারত্বের হার ছিল ৮.৭৪ শতাংশ। এপ্রিলে তা একলাফে বেড়ে হয় ২৩.৫২ শতাংশ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: পেট্রলে ১০ টাকা, ডিজেলে ১৩ টাকা! জ্বালানিতে রেকর্ড হারে অন্তঃশুল্ক বাড়াল কেন্দ্র]

করোনার জেরে বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দার মার। রাষ্ট্রসংঘ আগেই রিপোর্ট প্রকাশ করেছিল, করোনার জেরে গোটা বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষ কাজ হারাবেন। রাষ্ট্রসংঘের সতর্কবাণীই সত্যি হচ্ছে ভারতে। ইতিমধ্যে দেখা যাচ্ছে, করোনা মোকাবিলায় দেশজুড়ে লকডাউনের প্রভাব ব্যাপকভাবে পড়েছে দেশের কর্মসংস্থানে। লকডাউনের জেরে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ ছিল সমস্তরকম উৎপাদন। কল-কারখানা, পরিবহন, ই-কমার্স, নির্মাণ কাজ প্রায় সবই বন্ধ। করোনা আতঙ্কে বছরের শুরু থেকেই কম হয়েছে আন্তর্জাতিক পর্যটকদের আনাগোনা। লকডাউনের পর পুরো বন্ধ পর্যটন। যা কিনা অনেকের ঘরে আঁধার ডেকে এনেছে।

Advertisement

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.