Jamia University

জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরেই আদিবাসী কর্মীকে মারধর অধ্যাপকের! উলটে ‘শাস্তি’ হল নিগৃহীতরই

নিগ্রহের ঘটনায় ইতিমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই কর্মী দিল্লি পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন। তার ভিত্তিতে তফসিলি জাতি এবং তফসিলি জনজাতি আইনে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২১, ২০২৬, ১৭:০৩

options
link
জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরেই আদিবাসী কর্মীকে মারধর অধ্যাপকের! উলটে ‘শাস্তি’ হল নিগৃহীতরই
ছবি: সংগৃহীত।

জাতপাত তুলে তাঁকে ‘অকথ্য ভাষায়’ গালিগালাজ করা হয়েছে তাঁকে। এমনকি মারধরও করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরের ভিতর। দিল্লির জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপকের বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ তুলেছেন ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এক কর্মী। কিন্তু অভিযোগ, এই ঘটনার পর ‘শাস্তি’র কবলে পড়তে হল অধ্যাপকের হাতে নিগৃহীত সেই আদিবাসী কর্মীকেই।

Advertisement

নিগ্রহের ঘটনায় ইতিমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই কর্মী দিল্লি পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন। তার ভিত্তিতে তফসিলি জাতি এবং তফসিলি জনজাতি আইনে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তারা জানিয়েছে, অভিযোগকারী কর্মীকে তলব করা হয়েছে তাঁর বয়ান সংগ্রহ করার জন্য। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে। রেজিস্ট্রার জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পুলিশ জানিয়েছে, জামিয়ার সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অ্যায়োসিয়েট প্রফেসর রিয়াজুদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মী রামফুল মীনা। তাঁর অভিযোগ, ওই অধ্যাপক তাঁকে জাত তুলে গালিগালাজ এবং তাঁকে মারধর করেছেন ক্যাম্পাসের ভিতর। এই ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁকে সংস্কৃত বিভাগে বদলি করে দিয়েছে। তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। তাঁদের প্রশ্ন, অভিযুক্ত অধ্যাপকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ না করে কেন রামফুলকে বদলি করা হল?

Advertisement

রামফুল পুলিশকে জানিয়েছেন, প্রথম ঘটনাটি ঘটে গত ১৩ জানুয়ারি। ওই দিন ঘরে ঢুকে অধ্যাপক তাঁকে গালিগালাজ করেছেন। তিনি তার প্রতিবাদ করায় আরও সুর চড়িয়েছিলেন অধ্যাপক। তাঁর পরিবার নিয়েও খারাপ কথা বলা হয়। দ্বিতীয় ঘটনাটি ঘটে ১৬ জানুয়ারি। ওই দিন আবার তাঁকে গালিগালাজ করেন রিয়াজুদ্দিন। তাঁকে বলা হয়, “আদিবাসী হয়ে এত সাহস কী করে হয়?” রামফুলের অভিযোগ, তিনি অধ্যাপকের এই মন্তব্যের প্রতিবাদ করেছিলেন বলে তাঁকে মারধরও করা হয়। তাতে ঠোঁটে-চোখে আঘাত পেয়েছেন রামফুল। জামিয়ার আনসারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে তাঁর চিকিৎসা হয়। তার পরেই তিনি পুলিশের দ্বারস্থ হন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.