জেএমবি

বড় সাফল্য এসটিএফের, গ্রেপ্তার জেএমবির ভারতীয় প্রধান মহম্মদ ইজাজ

ধৃতের কাছ থেকে একটি স্যাটেলাইট ফোন উদ্ধার করেছেন তদন্তকারীরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৬, ২০১৯, ১৫:১৫

options
link
বড় সাফল্য এসটিএফের, গ্রেপ্তার জেএমবির ভারতীয় প্রধান মহম্মদ ইজাজ

অর্ণব আইচ: বিহারের গয়া থেকে গ্রেপ্তার হল জামাত-উল-মুজাহিদিনের ভারতীয় প্রধান মহম্মদ ইজাজ। তাকে গ্রেপ্তার করেছে কলকাতা পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল বা এসটিএফ। ট্রানজিট রিমান্ডে ধৃতকে কলকাতায় আনা হচ্ছে। আইবি ও গয়া পুলিসের সহযোগিতায় ইজাজকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ধৃতের কাছ থেকে একটি স্যাটেলাইট ফোনও উদ্ধার করা হয়েছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ক্ষমতা হারানোর জের! প্রত্যাহার করা হল মনমোহন সিংহের এসপিজি নিরাপত্তা]

বাংলাদেশে তৈরি হওয়া জামাত-উল-মুজাহিদিনের ভারতীয় প্রধান ইজাজের বিরুদ্ধে বহুদিন ধরেই খবর পাচ্ছিলেন গোয়েন্দারা। কিন্তু, কিছুতেই সন্ধান মিলছিল না তার। সম্প্রতি গোপন সূত্রে খবর পেয়ে গয়ার একটি জায়গায় হানা দেন এসটিএফের আধিকারিকরা। বুদ্ধগয়া ও খাগড়াগড় বিস্ফোরণ-সহ ভারতে ঘটে যাওয়া জেএমবির একাধিক সন্ত্রাসবাদী হামলার মূল চক্রী ছিল ইজাজ। তার আগে ভারতে জেএমবির মূল দায়িত্বে ছিল খাগড়াগড় বিস্ফোরণ কাণ্ডের মূলচক্রী কওসর। কিছুদিন আগে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয় কওসর। আর তারপরই দায়িত্ব পায় ইজাজ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কলকাতা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, চারদিন আগে ইজাজকে ধরতে এসটিএফের একটি দল কলকাতা থেকে গয়া যায়। তারপর গোপন সূত্রে খবর পেয়ে গয়ার একটি জায়গা থেকে আটক করা হয় তাকে। এরপর শুরু হয় জিজ্ঞাসাবাদ। জেরা করার পর তার কাছ থেকে প্রচুর ভুয়ো নথি উদ্ধার করেন তদন্তকারীরা। ইজাজের পুরনো ছবি ও খাগড়াগড় কাণ্ডে ধৃত কওসরের থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রবিবার তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

Advertisement

[আরও পড়ুন: গ্রেপ্তারি নিয়ে সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে চিদম্বরমের আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে]

গোয়েন্দা সূত্রে খবর, বীরভূম জেলার পাড়ুই এলাকার অবিনাশপুরের বাসিন্দা ইজাজ ২০০৮ সালে জেএমবির সদস্য হয়েছিল। তারপর বীরভূমে জেএমবির মডিউল তৈরির সময় ওই জঙ্গি সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্বের নজরে আসে। বর্ধমানের খাগড়াগড়ে বিস্ফোরণের পর গোয়েন্দাদের তল্লাশির ঠ্যালায় গা ঢাকা দেয় ওই ঘটনার মূলচক্রী কওসর এবং বর্ধমান ও বীরভূম মডিউলের সদস্যরা। সেই সময় সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার দায়িত্ব বর্তায় ইজাজের উপর। আর কওসর গ্রেপ্তার হওয়ার পর জেএমবির প্রধান সালাউদ্দিন সালেহিন তাকে ভারতে সংগঠন পরিচালনার ভার দেয়। ধৃত ইজাজকে জেরা করে জেএমবি প্রধান সালাউদ্দিনের খোঁজ চালাচ্ছেন এসটিএফের আধিকারিকরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.