সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্বামী, সংসার ফেলে চার সন্তান নিয়ে প্রেমের টানে পাকিস্তান থেকে ভারতে পালিয়ে এসে হইচই ফেলে দিয়েছিলেন সীমা হায়দার। এবার সামনে এল ভারত ও বাংলাদেশের ‘প্রেম কাহিনি’। কিন্তু এই কাহিনিতে রয়েছে টুইস্ট। নিজের কোলের বাচ্চাকে সঙ্গে করে ভারতীয় স্বামীকে খুঁজতে এসেছেন বাংলাদেশি মহিলা সোনিয়া আখতার।
গত আটদিন ধরে সন্তানকে নিয়ে নয়ডায় রয়েছেন সোনিয়া। তিনি জানান, সৌরভকান্ত তিওয়ারি নামের এক যুবক কর্মসূত্রে বাংলাদেশে গিয়েছিলেন। সেখানেই সোনিয়ার সঙ্গে আলাপ। ধীরে ধীরে যা বদলে যায় প্রেমে। বছর তিনেক আগে মুসলিম মতে বিয়েও করেন সোনিয়া ও সৌরভ। এমনকী নিজের ভালবাসার জন্য ইসলাম ধর্মও গ্রহণ করেন তিনি। বিয়ের পর সৌরভ জানান, ভারতে তাঁর কিছু কাজ রয়েছে। সেসব সেরেই তিনি বাংলাদেশে ফিরে যাবেন। কিন্তু দীর্ঘদিন অপেক্ষার পরও তিনি ফেরেননি।
[আরও পড়ুন: চোট পাওয়া কেএল রাহুল-শ্রেয়সকে নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিলেন ক্ষুব্ধ সুনীল গাভাসকর]
সৌরভের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেন সোনিয়া। কিন্তু কোনও মোবাইল নম্বরেই ফোন করে তাঁকে পাওয়া যায়নি। স্বামী কোনও সমস্যায় নাকি তাঁর থেকে দূরে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, বুঝে উঠতে পারেন না সোনিয়া। এরই মধ্যে সামনে আসে সীমা হায়দার ও শচীনের প্রেমের ঘটনা। তা দেখে অনুপ্রাণিত হয়েই ভিসা নিয়ে ভারতে চলে আসেন সোনিয়া। লক্ষ্য স্বামীকে খুঁজে বের করা। কিন্তু তিনি নয়ডা পৌঁছতেই পুলিশ তাঁকে আটক করে।
পুলিশকে পুরো ঘটনার কথা জানান সোনিয়া। সৌরভের সঙ্গে সোনিয়ার সমস্যা মেটাতে মধ্যস্থতা করে পুলিশই। যদিও বিশেষ লাভ হয়নি। তবে সোনিয়া সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, হয় তিনি স্বামীর সঙ্গে ভারতেই সংসার পাতবেন আর নাহলে সৌরভকে ফিরে যেতে হবে বাংলাদেশে। এমন পরিস্থিতিতে পুলিশও দিশেহারা! এ প্রেম কাহিনির জল কোন দিকে গড়ায়, সেটাই এখন দেখার।
[আরও পড়ুন: ‘অশ্বিনকে নিয়ে আর বিতর্কের দরকার নেই’, এক ভক্তের প্রশ্নে মেজাজ হারালেন সানি]
সর্বশেষ খবর
-
বিশ্বকাপে মহা অঘটন! রুদ্ধশ্বাস টাইব্রেকারে প্যারাগুয়ের কাছে হেরে বিদায় জার্মানির
-
সামুরাই সূর্যাস্ত, শিষ্য জাপানকে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় গুরু ব্রাজিল
-
‘তৃণমূলের ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি নেই’, বঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক কংগ্রেস নেতা বেনুগোপালের
-
এবছরই দেশে ফেরার ঘোষণা হাসিনার, কী বলল ঢাকা?
-
‘বিয়ে করতে জেলে যাচ্ছি’, টোপর পরিয়ে ‘জামাই আদর’, তৃণমূল কাউন্সিলরকে ঘিরে জনরোষ!