Gurugram

প্রেম করে বিয়ে! পণ না মেলায় বিয়ের ৪ মাসের মধ্যে স্ত্রীকে বিষ ইঞ্জেকশনে ‘খুন’, গ্রেপ্তার স্বামী

কাজলের ভাইয়ের অভিযোগ, পণের দাবিতে বোনের উপর শারীরিক নির্যাতন চালাতেন তাঁর জামাইবাবু।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২২, ২০২৬, ১৮:০১

options
link
প্রেম করে বিয়ে! পণ না মেলায় বিয়ের ৪ মাসের মধ্যে স্ত্রীকে বিষ ইঞ্জেকশনে ‘খুন’, গ্রেপ্তার স্বামী
ছবি: সংগৃহীত

প্রেম করে ৪ মাস আগে বিয়ে। কয়েক মাস যেতেই না যেতেই পণের দাবিতে অত্যাচার!  স্ত্রীর বাপের বাড়িতেই কে বিষ ইঞ্জেকশন দিয়ে বধূকে খুন রেডিওলজিস্ট স্বামীর! অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে হরিয়ানার গুরুগ্রামে।

Advertisement

মৃত যুবতীর নাম কাজল শর্মা। তিনি একটি নার্সিংহোমে নার্স হিসাবে কর্মরত ছিলেন। সেই নার্সিংহোমেই রেডিওলজিস্ট হিসাবে যোগ দেন উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদের বাসিন্দা অরুণ শর্মা। ক্রমেই তাঁদের ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। তারপর প্রেম। সম্পর্ককে পরিণতি দিতে গত নভেম্বর মাসে বিয়ে করেন তাঁরা। কয়েক মাস যেতে না যেতেই সম্পর্কে ভাঙন ধরে। কাজলের ভাইয়ের অভিযোগ, পণের দাবিতে বোনের উপর শারীরিক নির্যাতন চালাতেন তাঁর জামাইবাবু।

Advertisement

৪ মার্চ হোলির দিন দম্পতি কাজলের বাপের বাড়িতে কিছুদিন কাটাবেন বলে যান। সেখানেও স্বামী -স্ত্রীর মধ্যে ঝামেলা হয় বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। এরপর ১৭ তারিখ অরুণ মদ্যপ অবস্থায় কাজলকে মারধর করেন বলে অভিযোগ। পরের দিন সকালে অরুণ কথা বলবেন বলে কাজলকে বাড়ির গেটের সামনে ডাকেন। তার কিছুক্ষণ পর যুবতীকে সিঁড়ির কাছে অবচেতন অবস্থায় তাঁকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। তাঁর নাক থেকে রক্ত বেরতে দেখেন বাড়ির লোকজন। কাজলকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও, বাঁচানো যায়নি। মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। কাজলের পরিবার টয়লেটে একটি সিরিঞ্জ পায় বলে দাবি করেছে।

Advertisement

কাজলের পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ অরুণই তাঁকে বিষ ইঞ্জেকশন দিয়েছে। স্থানীয় থানায় খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয়। তদন্ত নামে পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয় অরুণকে। পুলিশের দাবি, ধৃত খুনের কথা স্বীকার করে জানিয়েছে, তিনি বিষ ইঞ্জেকশন দিয়ে খুন করেছে কাজলকে। ভিসেরা রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা। ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.