বিদ্রূপের বাণ, রাহুলকে ঔরঙ্গজেব বলে কটাক্ষ মোদির

ঔরঙ্গজেব রাজ যে দেশের মানুষ চায় না, তাও জানিয়ে দিলেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৯, ১২:৩৫

options
link
বিদ্রূপের বাণ, রাহুলকে ঔরঙ্গজেব বলে কটাক্ষ মোদির

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কংগ্রেসের সভাপতি পদে রাহুল গান্ধীর আসীন হওয়া সময়ের অপেক্ষা মাত্র। ইঙ্গিত বহুদিন থেকেই ছিল। এবার তা বাস্তব হতে চলেছে। ঠিক তার আগেই কড়া বিদ্রূপ ছুটে এল গেরুয়া শিবির থেকে। বাণ হাতে তুলে নিলেন খোদ নরেন্দ্র মোদি। রাহুল গান্ধীকে সরাসরি ঔরঙ্গজেবের সঙ্গেই তুলনা করলেন তিনি। কংগ্রেসের রাজত্ব তথা ঔরঙ্গজেব রাজ যে দেশের মানুষ চায় না, তাও জানিয়ে দিলেন।

Advertisement

মর্মান্তিক, চার বছরের মেয়েকে গরম কড়াইয়ের উপর বসাল মা ]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

অস্ত্র অবশ্য হাতে তুলে দিয়েছিলেন কংগ্রেস নেতা মনিশঙ্কর আইয়ারই। রাহুল গান্ধীর সভাপতি হওয়া, পরিবারতন্ত্রের জোরাল উদাহরণ বলেই তা নিয়ে সরব হয়েছে বিজেপি। গান্ধী পরিবারের পঞ্চম সদস্য হিসেবে কংগ্রেসের সর্বোচ্চ আসনে বসতে চলেছেন রাহুল। কিন্তু কেন রাহুল? সহ-সভাপতি হিসেবে কী তাঁর পারফরম্যান্স? এই প্রশ্নই উঠছিল। উত্তরে মনিশঙ্কর আইয়ার বলেন, “মোঘল আমলে কি ভোটভুটি ছিল? জাহাঙ্গিরের পর শাহজাহান সিংহাসনে বসবেন, এটাই তো দস্তুর।” তাঁর মন্তব্যেই প্রার্থিত অস্ত্রটি হাতে পেয়ে যায় বিজেপি। তোপ দেগে মোদি বলেন, “কংগ্রেস তো স্বীকারই করে নিল যে এটি একটি পারিবারিক রাজনৈতিক দল। এবার শাহজাহানের পর ঔরঙ্গজেব আসবে। দেশে ঔরঙ্গজেবের রাজত্ব চলবে।” কিন্তু দেশের মানুষ তা চায় না বলেই সাফ কথা মোদির।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ধর্ম নিয়ে কংগ্রেসের রাজনীতি নিয়েও এদিন মুখ খুলেছেন মোদি। এতদিন এ অভিযোগ ছিল বিজেপির বিরুদ্ধে। কিন্তু গুজরাট নির্বাচনে গিয়ে রাহুল নিজেও একের পর এক হিন্দু মন্দিরে গিয়েছেন। হিন্দু রাজনীতির তাস তিনিও গোপন করেননি। এদিন মোদি কটাক্ষ করে বলেন, “কংগ্রেস খুব ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলে। কিন্তু তারা কী করছে, কোথায় যাচ্ছে, তা তো আর গোপন থাকছে না। সকলেই সবকিছু দেখতে পাচ্ছেন।” ‘ঔরঙ্গজেব রাজের’ জন্য কংগ্রেসকে তিনি অভিনন্দন জানিয়েছেন। তবে জনাদেশই যে বিজেপির শক্তি, তা জানিয়ে দিতেও ভোলেননি।

এদিকে রাহুলের সভাপতি হওয়া নিয়ে বিজেপির অন্যান্য নেতারাও মুখ খুলেছেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান জানিয়েছেন, “ভোটাভুটি যা হচ্ছে সে শুধু নির্বাচন কমিশনকে দেখানোর জন্য। রাহুলই দলের মালিক। তাই কংগ্রেসকে এ ব্যবস্থা করতেই হবে। পুরোটাই দলের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু দলের মধ্যে যে গণতন্ত্র বলে কিছু নেই তা এই ঘটনায় স্পষ্ট হয়ে গেল।”

কটাক্ষ করেছেন মুখতার আব্বাস নকভিও। জানিয়েছেন, “কোনও কাজ না করেই রাহুলের যে পদোন্নতি হল, সে কারণে তাঁকে অভিনন্দন।” তবে কংগ্রেসের মতো ফিউডাল দলেই এ সব সম্ভব বলে কটাক্ষও করেছেন তিনি।

[ আন্তর্জাতিক মঞ্চে বয়ঃসন্ধির যন্ত্রণার কথা শোনাবে পুরুলিয়ার শীলা ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.