সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশের অনেক নাগরিকের একটা চাপা আক্ষেপ ছিল সংসদের ক্যান্টিনে থাকা খাবারের মূল্যতালিকা নিয়ে! বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়ালে পাল্লা দিয়ে বাড়ত হা-হুতাশের শব্দও। দেশের নীতি নির্ধারণ ও উন্নয়নের দায়িত্বে থাকা মানুষগুলি কম টাকায় ভাল খাবার খান বলে চাপা একটা রাগও জন্ম নিয়েছিল কারও কারও মনে! বহুদিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে তা প্রকাশ করেছিলেন। এবার তারই যেন প্রভাব পড়ল! খুব তাড়াতাড়ি ক্যান্টিনে বিক্রি হওয়ার বিভিন্ন খাবারের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল লোকসভার সচিবালয় (Lok Sabha secretariat)। শুধু তাই নয় বদলে যাচ্ছে খাদ্যতালিকাও।
গত ডিসেম্বরে পিঁয়াজের দাম বৃদ্ধি নিয়ে দেশজুড়ে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। সেসময় ডাকা একটি সর্বদলীয় বৈঠকের সময় সংসদের ক্যান্টিন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য লোকসভার সচিবালয়ের কাছ থেকে জানতে চান অধ্যক্ষ ওম বিড়লা। তাঁকে জানা হয়, ২০১৯ সালে সংসদের ক্যান্টিনে মোট ১৭ কোটি টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছিল। যদিও গোটা বছরে সাংসদের উপস্থিতি খুব কমই ছিল ক্যান্টিনে। তার বদলে ভর্তুকির টাকায় খাবার খেয়েছেন সাংসদের সহায়ক ও অতিথি, নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীরা ও খবর সংগ্রহ করতে আসা সাংবাদিকরা। মাত্র ২৪ লক্ষ টাকার খবর খেয়েছেন সাংসদরা। বিষয়টি জানতে পারার পরেই সর্বদলীয় বৈঠকে উপস্থিত সাংসদের সমানে ক্যান্টিন থেকে ভর্তুকি কমানোর প্রস্তাব দেন অধ্যক্ষ। তাতে সম্মতি জানান সকলেই। এরপরই ক্যান্টিনের জন্য নতুন মূল্য তালিকা তৈরির নির্দেশ দেন অধ্যক্ষ। বাজেট অধিবেশন শুরুর দিন আগামী ৩১ জানুয়ারি থেকে নতুন দরে খাবার বিক্রির করার নির্দেশ দেন। যদিও তা পরে বদলে মার্চ মাস থেকে চালু করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
[আরও পড়ুন: কাশ্মীরের অবন্তীপোরায় নিরাপত্তা রক্ষীদের সঙ্গে গুলির লড়াই, খতম ২ হিজুবল জঙ্গি ]
সোমবার এপ্রসঙ্গে ওম বিড়লা জানান, বাজেট অধিবেশনের দুটি পর্বের মাঝে ক্যান্টিনে বিক্রি হওয়া খাবার ও দামের নতুন তালিকা প্রকাশ করা করা হবে। আর মার্চ মাস থেকে নতুন দামে বিক্রি করা হবে খাবার। তবে সবার সঙ্গে আলোচনার পরে ভেজ থালি ও রুটির দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
[আরও পড়ুন: ‘এবার আপনার উপরও আক্রমণ হবে’, IMF প্রধানকে সতর্ক করলেন চিদম্বরম ]
সংসদ সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে সংসদের ক্যান্টিনটি যারা চালায় আগেও তারাই চালাবে। এবিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অভিযোগ এলেও ওই সংস্থাকে এখনই দায়িত্ব থেকে সরানো হচ্ছে না। তবে নজরদারি চালানো হবে। এবার থেকে দুপুরের খাবার ও সন্ধ্যার জলখাবার মিলিয়ে মোট ৪৮ পদ বিক্রি হবে। মটন কাটলেট এবং দক্ষিণ ভারতীয় পোহা ও বোন্ডার মতো খাবারগুলি আর রোজ পাওয়া যাবে না।
সর্বশেষ খবর
-
‘নেতা যায়, নেতা আসে…’, রাহুলের মৃত্যু তদন্ত নিয়ে কড়া প্রশ্ন তুললেন জীতু
-
হাসনাবাদে হাড়হিম ঘটনা! বাড়ির পাশের পুকুর ভাসছে দু’মাসের শিশু, খুনের অভিযোগ সন্তানহারা মায়ের
-
সপ্তাহের শুরুতেই পার্ক স্ট্রিটের কাছে দুর্ঘটনার কবলে পুলকার, আহত ৩ পড়ুয়া, আটক ২ গাড়ির চালক
-
কুড়মালি ও সাঁওতালি ভাষায় গীতার অনুবাদ, আরও এক জরুরি কাজ অভিমন্যুর
-
তিন দশকের সুর-সফর, দেবজ্যোতিকে সম্মানিত করল শ্যাম সুন্দর কোং জুয়েলার্স