প্রাতঃকৃত্য সারতে গিয়ে এ কী করলেন গ্রামের বাসিন্দারা !

চর্তুদিকে দূষণ ছড়ানোর প্রতিযোগিতা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১, ২০১৭, ১০:১০

options
link
প্রাতঃকৃত্য সারতে গিয়ে এ কী করলেন গ্রামের বাসিন্দারা !

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গ্রামে সবার পাকা বাড়ি। প্রত্যেকেই মোটের ওপর স্বচ্ছল। তবে একটা জিনিসের বড্ড অভাব। তা হল সচেতনতা। প্রকৃতির ডাক এলে গ্রামবাসীদের একাংশের বাড়িতে মন বসে না। সূর্য উঠতে উঠতেই তারা বালতি, মগ, ঘটি নিয়ে গ্রামের ফাঁকা মাঠে পৌঁছে যান। বছরের পর বছর এভাবে প্রাতঃকৃত্য সারার ফলে জায়গার অভাব দেখা দিয়েছে। এর সমাধানে এলাকায় থাকা রাজ্য সড়ক তারা বেছে নিয়েছেন। সাত-সকালে কয়েকশো গ্রামবাসীর প্রাতঃকৃত্যর জন্য সেই রাস্তা এখন অচল হয়ে পড়েছে। দুর্গন্ধের ভয়ে গ্রামেই আসতে চান না পার্শ্ববর্তী এলাকার বাসিন্দারা।

Advertisement

MAIN-ROAD-TOILET-2

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[দীর্ঘদিন পরচুলা না খোলায় মাথায় থিকথিকে পোকা, তারপর…]

কর্নাটকের বেলাগাভি জেলার মুনায়ল গ্রামে প্রায় এক হাজার মানুষের বাস। গ্রামের ৪৫০টি পরিবারের মধ্যে মাত্র ৪০ শতাংশের বাড়িতে রয়েছে শৌচাগার। যাদের শৌচাগার রয়েছে তারাও প্রতিবেশীদের ছোঁয়ায় বাড়িতে প্রাতঃকৃত্য সারতে চান না। ফাঁকা মাঠে চলে যান। গ্রামবাসীদের দীর্ঘ দিনের এই বদভ্যাসের জেরে গ্রামে আর তেমন ফাঁকা জায়গা নেই। সকালের কাজ কোথায় হবে এই নিয়ে এলাকার লোকজন চিন্তায় পড়ে যান। গ্রামেরই কয়েকজন মুশকিল আসানের ভূমিকা নেন। গ্রামের মধ্যে দিয়ে গিয়েছে মুনায়ল-হুনাশল রাজ্য সড়ক। বিশাল রাস্তার ধারে কেউ ঘটি নিয়ে বসলে কারও আপত্তি থাকার নয়। কারণ রাস্তা তো ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। এই ফর্মুলায় ভরতি মাঠ ছেড়ে ফাঁকা রাস্তায় বসতে থাকেন গ্রামের লোকজন। দিনের পর দিন এই অপরিচ্ছন্ন সংস্কৃতিতে রাজ্য সড়কও কার্যত ‘ভরে’ ওঠে। মুনায়লের বাসিন্দাদের এই কাণ্ডে ওই রাস্তা ধরতে ভয় পান দূরের বাসিন্দারা। দুর্গন্ধে তাদের গা ঘিন ঘিন করে ওঠে। বাধ্য হয়ে মেন রোড ছেড়ে লাগোয়া রাস্তা ধরছেন পথচারী বা গাড়ি চালকরা। তবে তাদের আশঙ্কা কয়েক বছরে এই রাস্তাও মুনায়ল গ্রামের বাসন্দাদের ‘কুনজরে’ পড়বে।

Advertisement

[মদ চুরি করাই নেশা যুবকের, শেষমেশ কী ঘটল জানেন?]

দূষণ ছড়ানোর প্রতিযোগিতা চলছে পুরোদমে। কী করছে প্রশাসন? ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক জানিয়েছেন, অনেক প্রচার হয়েছে। জরিমানাও করা হয়েছে। তবুও বাগে আনা যায়নি অবাধ্য গ্রামবাসীদের। এভাবে নিজেদের এলাকা নোংরা করা নিয়ে অদ্ভুত যুক্ত দিয়েছেন জ্ঞানপাপীরা। তাদের বক্তব্য, এতে যে কত শান্তি তা একমাত্র তারাই জানেন। তবে তাদের এই শান্তি পাওয়ার লোভ, প্রতিবেশীদের অশান্তির কারণ হয়ে উঠছে। কর্নাটকের মতো রাজ্যে যেখানে শিক্ষার হার বেশ উঁচুতে সেখানে মুনায়লের ঘটনায় বাকিদের মাথা হেঁট হতে বসেছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.