ভারতে ফতোয়া, সৌদিতে ক্রীড়ার স্বীকৃতি পেল যোগ

কী বলছেন সে দেশের মৌলবিরা?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৯, ১৩:০২

options
link
ভারতে ফতোয়া, সৌদিতে ক্রীড়ার স্বীকৃতি পেল যোগ

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ধর্মনিরপেক্ষ দেশ ভারতে আজও যোগ অনুশীলন করতে গিয়ে ফতোয়ার মুখে পড়েন মুসলিম মহিলা রাফিয়া নাজ। সেখানে মুসলিম অধ্যুষিত দেশ সৌদি আরবে ক্রীড়ার স্বীকৃতি পেল যোগ।

Advertisement

বিধানসভার অধিবেশনে গরহাজির, অভিনেত্রীদের সঙ্গে নাচে ব্যস্ত বিধায়ক ]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সম্প্রতি সৌদি মন্ত্রকের তরফে যোগকে ক্রীড়াতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফলে এখন থেকে প্রশিক্ষকরা লাইসেন্স পাবেন। নিজেদের যোগ সেন্টার ও স্টুডিও খুলতে পারবেন। কোথাও তা অবৈধ বলে গণ্য হবে না। পরিস্থিতি অবশ্য এতটা সহজ ছিল না। উপসাগরীয় দেশগুলিতে যোগের বিস্তারের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করেছেন রিয়াধের যোগ প্রশিক্ষক নওফ মারওয়াই। তাঁকেও অনেক বাধার মুখে পড়তে হয়েছে। তবু হাল ছাড়েননি। শেষমেশ সৌদি মন্ত্রক যে যোগকে ক্রীড়ার মর্যাদা দিয়েছেন তাতে তিনি খুশি।

Advertisement

 প্রচারে ক্লান্ত, কর্মীদের দিয়ে ম্যাসাজ করালেন যোগী সরকারের মন্ত্রী ]

সৌদির এই স্বীকৃতি অবশ্য দেশের মাটিতে অন্য প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। এই ক’দিন আগেই যোগ শেখাতে গিয়ে ফতোয়ার মুখে পড়েছিলেন এক মুসলিম মহিলা। তার ঘরবাড়িতে তাণ্ডব চালিয়েছিল মৌলবিরা। বলা হয়েছিল, যোগ ইসলামে নিষিদ্ধ। তাই যদি হবে তাহলে মুসলিম অধ্যুষিত একটি দেশ কীভাবে যোগকে মর্যাদা দিল? আর যে দেশে আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের জন্ম, সে দেশে কেন ফতোয়ার মুখে পড়তে হবে প্রশিক্ষককে? উত্তর দিয়ে মৌলানা সাজিদ রাশিদি জানিয়েছেন, “যোগ কখনওই ইসলামে নিষিদ্ধ নয়। স্বাস্থ্যের কারণেই গুরুত্ব আছে যোগের, ইসলাম কখনও তা অস্বীকার করে না। তাহলে আপত্তি কোথায়?” মৌলবি জানাচ্ছেন, সূর্য নমস্কার নিয়ে তাঁরা আপত্তি তোলেন। কেননা এই ব্যায়ামের সঙ্গে সরসারি হিন্দু ধর্মের সংযোগ রয়েছে। স্বাস্থ্যের কারণে তৈরি যোগের সঙ্গে কোনও ধর্মীয় সংযোগ বাঞ্ছনীয় বলেই মনে করেন তিনি। তাই সৌদির যোগ স্বীকৃতিতে অন্যায্য কিছু দেখছেন না তিনি। বরং সমর্থন করেছেন।

রক্ত ঝরবে কুম্ভ মেলায়, চরম হুঁশিয়ারি আইএস জঙ্গিদের ]

সৌদির এই সিদ্ধান্তের তারিফ করেছেন বাবা রামদেবও। যোগগুরু হিসেবে তাঁর খ্যাতি আন্তর্জাতিক স্তরে। তাঁর সঙ্গে যোগ করেই ফতোয়ার মুখে পড়েছিলেন মুসলিম মহিলা। এদিন তিনি জানান, যোগ অনুশীলন সবসবময় ধর্মনিরপেক্ষ। কোনও ধর্মীয় বাধায় তা আটকানো কাম্য নয়। সৌদির এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন তিনি। যোগগুরুর সংযোজন, ধর্মের বাইরে গিয়ে বিজ্ঞানভিত্তিক ও ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তই নিয়েছে সৌদি।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.