Supreme Court

‘যে ব্যাট করবে, সেই যদি আম্পায়ার ঠিক করে…’, নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে মুখ খুলল সুপ্রিম কোর্ট

২০২৩ সালের আইন অনুযায়ী, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ করে বিশেষ কেন্দ্রীয় কমিটি। ওই প্যানেলে থাকেন প্রধানমন্ত্রী, লোকসভার বিরোধী দলনেতা এবং এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬, ১৮:২৭

options
link
‘যে ব্যাট করবে, সেই যদি আম্পায়ার ঠিক করে…’, নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে মুখ খুলল সুপ্রিম কোর্ট
সুপ্রিম কোর্ট। ফাইল ছবি।

যারা ব্যাট করবে, তারাই যদি আম্পায়ার বেছে নেয়, তাহলে তো পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠবেই। নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের নিয়ম নিয়ে এমনটাই বললেন সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত। ২০২৩ সালের আইন অনুযায়ী, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ করে বিশেষ কেন্দ্রীয় কমিটি। সেই আইন চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হয়েছে পিটিশন। ওই মামলা পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চে শোনা হবে কিনা, সেই নিয়ে কথা বলতে গিয়েই এই মন্তব্য করেন বিচারপতি দত্ত।

Advertisement

বর্তমানে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের দায়িত্ব থাকে তিন সদস্যের প্যানেলের হাতে। ওই প্যানেলে থাকেন প্রধানমন্ত্রী, লোকসভার বিরোধী দলনেতা এবং এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। এই প্যানেলের বিরোধিতা করে দায়ের হওয়া পিটিশন নিয়ে বুধবার বিচারপতি দত্ত এবং বিচারপতি জেসি শর্মা দ্বিমত পোষণ করেন। তবে শেষ পর্যন্ত দুই বিচারপতি রাজি হয়েছেন যেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এই ইস্যুতে সাংবিধানিক বেঞ্চ গঠন করেন। তাঁদের মতে, এই মামলার রায় যেন আগামী দিনেও উদাহরণ হয়ে থাকে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তবে রায় না দিলেও এদিন নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে ইঙ্গিতবাহী মন্তব্য করেছেন বিচারপতি দত্ত। ক্রিকেটের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, “ধরুন একটা দল ব্যাট করবে। কিন্তু তারাই আম্পায়ার নির্বাচন করল। তাহলে তো নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবেই। আম্পায়ার যদি সঠিক সিদ্ধান্তও নেন, তাহলেও তাঁর নিরপেক্ষতা নিয়ে সন্দেহের মেঘ থেকেই যায়। সবসময়ই ধরে নেওয়া হবে, আম্পায়ার ওই টিমের প্রতিই ঝুঁকে থাকবেন।”

Advertisement

বিচারপতি দত্ত আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের মতো বিষয়গুলি এভাবে করা উচিত নয়। তাঁদের স্বাধীনতা এবং নিরপেক্ষতা নিয়ে যেন কোনও প্রশ্ন না ওঠে, সেটা নিশ্চিত করতে হবে। অবাধ এবং স্বচ্ছ ভোট হবে কিনা সেটা পুরোটাই নির্ভর করে নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতার উপর। কমিশন স্রেফ খাতায় কলমে স্বাধীন হলেই হবে না, তার স্বাধীন সত্ত্বাটা প্রকাশও হতে হবে। উল্লেখ্য, সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে’র একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সিদ্ধান্তে আপত্তি ছিল বাকি দুই কমিশনারের। ওই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার দিনই এমন পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.