ডুপ্লেক্স ফ্ল্যাটে পড়ে রয়েছে একটি কঙ্কাল। প্রৌঢ়ার। প্রাথমিক তদন্তে দেখা গিয়েছে, অন্তত এক বছর আগেই তিনি মারা গিয়েছেন। স্বাভাবিক ভাবেই এমন মর্মান্তিক ঘটনায় শিউরে উঠেছেন এলাকার বাসিন্দারা। স্তম্ভিত পুলিশও।
আরও পড়ুন:
জানা গিয়েছে, ৫২ বছর বয়সি ওই মহিলার দাক্ষায়ণী। পুলিশের সন্দেহ, বছরখানেক আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু যেহেতু কেউ কোনও খোঁজ নেয়নি, তাই তাঁর দেহ অনাবিষ্কৃতই রয়ে গিয়েছিল এতদিন। বেঙ্গালুরুর (Bengaluru) বাগালাগুন্টে অঞ্চলে বসবাসকারী ওই মহিলার স্বামী মারা গিয়েছিলেন বছর দশেক আগে। একমাত্র ছেলের অকালেই মৃত্যু হয় ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে। যদিও মেয়ে রয়েছে, তবু তিনি কিংবা তাঁর স্বামী কেউই খোঁজ নিত না অন্তরালে চলে যাওয়া ওই প্রৌঢ়ার। স্বামী-পুত্রকে হারিয়ে তীব্র ডিপ্রেশনেও তিনি ভুগতেন বলে জানা যাচ্ছে। ঘটনাস্থল থেকে কঙ্কালটি উদ্ধার করার পাশাপাশি চারদিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঠিক কী কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কিনা সবকিছু নিয়েই তদন্ত করা হচ্ছে।
এক বছরের মধ্যে নিজের প্রৌঢ়া মায়ের কেন কোনও খোঁজখবর নিলেন না কন্যা বা জামাই সেই প্রশ্ন সত্যিই ভাবিয়ে তুলেছে। পাশাপাশি এটাও আশ্চর্যের, প্রতিবেশী কিংবা অন্য আত্মীয়স্বজনরা কেউ এই সময়ের মধ্যে কোনও যোগাযোগই করার চেষ্টা করেননি তাঁর সঙ্গে। আসলে আধুনিক পৃথিবীতে, বিশেষত নাগরিক জীবনে ক্রমেই যেন মহামারীর আকার ধারণ করছে একাকিত্ব। একদিকে ফ্ল্যাটকেন্দ্রিক জনপদ, অন্যদিকে প্রযুক্তির দাপাদাপিতে মানুষ ক্রমেই একে অন্যের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে। সমাজমাধ্যমে অনলাইন থাকলেও বাস্তব জীবনে একাকিত্ব যে কতটা তীব্র হয়ে উঠছে, সেকথাই যেন বেঙ্গালুরুর ঘটনা তুলে ধরল নতুন করে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মক্কায় তৈরি মুসলিম ন্যাটো ‘কাগুজে বাঘ’! যুদ্ধ বাঁধলে সত্যিই কি পাকিস্তানে সেনা পাঠাবে তুরস্ক-সৌদি?
-
খিচুড়ির সঙ্গে ডিম, বোনাস গজা, শনিবারের মিড-ডে মিলে খুশি পড়ুয়ারা
-
লাগবে না ইথানল! ভারতের প্রথম ‘উড়ন্ত গাড়ি’ বানিয়ে নজির উত্তরাখণ্ডের তরুণের
-
‘রাত ২টো পর্যন্ত কাজ করেও হচ্ছে না’, মুখ্যমন্ত্রীর ‘হর ঘর তেরঙ্গা’ কর্মসূচিতে খুশির হাওয়া হাওড়ার পতাকা বাড়িতে!
-
মহিলা সংরক্ষণ বিলে রাহুল-রিজিজু ‘ডুয়েল’! আসন পুনর্বিন্যাস নিয়ে তরজায় শাসক-বিরোধী