Kakali Ghosh Dastidar Sashi Panja

‘একা শশী নন, মায়ের সঙ্গে গোপন বৈঠকে ছিলেন আরেক প্রাক্তন মন্ত্রী’, কাকলিপুত্রের মন্তব্যে তুঙ্গে জল্পনা

কার কথা বললেন বৈদ্যনাথ?

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: আগস্ট ২, ২০২৬, ২১:৪৬

options
link
‘একা শশী নন, মায়ের সঙ্গে গোপন বৈঠকে ছিলেন আরেক প্রাক্তন মন্ত্রী’, কাকলিপুত্রের মন্তব্যে তুঙ্গে জল্পনা
'একা শশী নন, মায়ের সঙ্গে গোপন বৈঠকে ছিলেন আরেক প্রাক্তন মন্ত্রী', দাবি কাকলিপুত্রের।

শনিবার এনসিপিআই সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের চেম্বারে গিয়েছিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী শশী পাঁজা। তাতেই জল্পনা উসকেছিল যে, এবার আরও একা হওয়ার পথে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার সোশাল মিডিয়ায় কাকলিপুত্র বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার দাবি করলেন একা শশী নন, বৈঠকে ছিলেন আরও এক হেভিওয়েট প্রাক্তন মন্ত্রী।  যদিও নাম প্রকাশ করতে পারবেন না বলেই জানিয়েছেন তিনি। কার কথা বললেন বৈদ্যনাথ? সেই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে সর্বত্র। 

Advertisement

বিধানসভা ভোটে ভরাডুবির পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে তৈরি তৃণমূল কংগ্রেস কার্যত ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছে। দলে ভাঙনের পর এনসিপিআই দলে যোগ দিয়েছেন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। মমতার মহিলা ব্রিগেডে চতুর্ভুজ হিসেবে সবসময়ে দেখা যেত কাকলি ঘোষ দস্তিদার, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, কৃষ্ণা চক্রবর্তী, শশী পাঁজাকে। এঁদের মধ্যে প্রথম তিনজন ধাপে ধাপে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গ ছেড়েছেন। কাকলি যোগ দিয়েছেন ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া বা এনসিপিআইতে। এখন তিনি লোকসভায় সেই দলের মুখ্য সচেতক। পরবর্তী সময়ে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ও কৃষ্ণা চক্রবর্তীরা যোগ দেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আসল’ তৃণমূলের শিবিরে। ভোটে হারার পর শশী পাঁজা একেবারেই প্রচারের বাইরে চলে গিয়েছিলেন। কোনও শিবিরে আর তাঁকে দেখা যায়নি। শোনা যাচ্ছিল, নিজের মাতৃভূমি অন্ধ্রে চলে গিয়েছেন তিনি। তবে আগস্ট পড়তেই ফের প্রকাশ্যে দেখা গেল রাজ্যের প্রাক্তন নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রীকে। শনিবার কালীঘাটে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ফার্টিলিটি ক্লিনিকে গিয়েছিলেন শশী। 

Advertisement

এই সাক্ষাৎ স্বাভাবিকভাবেই উসকে দিয়েছিল দলবদলের জল্পনা। এরই মাঝে রবিবার সন্ধ্যায় ফেসবুকে কাকলিপুত্র দাবি করলেন, তাঁর মায়ের সঙ্গে গোপন বৈঠকে ছিলেন দুই হেভিওয়েট প্রাক্তন মন্ত্রী। একজন যে শশী পাঁজা, তা নিয়ে কারও সংশয় নেই। তবে দ্বিতীয়জন কে, তা নিয়েই শুরু কানাঘুষো। তবে ওই পোস্টেই বৈদ্যনাথ স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, তিনি কারও নাম প্রকাশ করবেন না। সঠিক সময়ে সংবাদমাধ্যমে বিষয়টা জানানো হবে। এবার কে কে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছাড়তে চলেছেন, সেটাই দেখার।  উল্লেখ্য, এদিন সকালেও এসংক্রান্ত একটি পোস্ট করেছিলেন বৈদ্যনাথ। যদিও পরে তা মুছে ফেলেন। 

Advertisement

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.