Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ আশ্বিন ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Taslima Nasrin

মাদ্রাসায় জঙ্গি তৈরি হয়, বুদ্ধদেবের ‘বিতর্কিত’ মন্তব্যকে সমর্থন তসলিমার! সওয়াল অভিন্ন দেওয়ানি বিধির পক্ষেও

তসলিমা জানান, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চাই। যে কোনও সভ্য দেশে অভিন্ন দেওয়ানি বিধির প্রয়োজন। এক দেশ, এক আইন, সবার জন্য সমান আইন চাই।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২, ২০২৬, ২০:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২, ২০২৬, ২০:০০

options
link
মাদ্রাসায় জঙ্গি তৈরি হয়, বুদ্ধদেবের ‘বিতর্কিত’ মন্তব্যকে সমর্থন তসলিমার! সওয়াল অভিন্ন দেওয়ানি বিধির পক্ষেও zoom
বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সুরেই মাদ্রাসা নিয়ে সমালোচনা তসলিমার।
Advertisement

“মাদ্রাসায় জঙ্গি তৈরি হয়”, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের এই মন্তব্যকেই কার্যত সমর্থন করলেন তসলিমা নাসরিন (Taslima Nasrin)। রবিবার বাংলা অ্যাকাডেমিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, অনেক ক্ষেত্রে মাদ্রাসায় জেহাদি তৈরি হয়। কিছু কিছু মাদ্রাসা জেহাদি তৈরির কারখানা। মাদ্রাসাগুলিতে শিশু নির্যাতন, শিশু ধর্ষণ হয়। তাই এসব মাদ্রাসা থাকা উচিত নয়। এর পাশাপাশি অভিন্ন দেওয়ানি বিধির পক্ষেও সওয়াল করেন তসলিমা। তিনি বলেন, “অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চাই। যে কোনও সভ্য দেশে অভিন্ন দেওয়ানি বিধির প্রয়োজন। এক দেশ, এক আইন, সবার জন্য সমান আইন চাই।” ভারত, বাংলাদেশ ও পাকিস্তান তিন দেশেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালুর পক্ষে কথা বলেন তসলিমা। 

২০০২ সালে সীমান্ত এলাকার কিছু অনুমোদনহীন মাদ্রাসা নিয়ে রাজ্যের তৎকালীন মুখ্য়মন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বলেছিলেন, মাদ্রাসাগুলি জঙ্গি কার্যকলাপের আঁতুরঘর হয়ে উঠেছে। এই মন্তব্য নিয়ে বিতর্ক কম হয়নি। এবার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যকেই সমর্থন করলেন তসলিমা। তিনি জানান, বেশিরভাগ সময় মাদ্রাসাগুলিতে সরকারি নিয়ন্ত্রণ থাকে না। ছোটো থেকেই সেখানে অমুসলিমদের প্রতি বিদ্বেষ শেখানো হয়। সব সরকারই ধর্মান্ধদের ভোটের জন্য আপস করে। সেই কারণে মাদ্রাসাগুলিতে জেহাদিদের জন্ম হয়। তাই সব মাদ্রাগুলিতে সরকারি নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন। এই শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তন দরকার বলেও মনে করেন তসলিমা। 

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তসলিমার কথায়, “যে ধর্ম নারীকে যৌন দাসী হিসেবে গণ্য করে, আমি সেই ধর্মের সমালোচনা করি। সমালোচনা করতে হবে। সমালোচনা না করলে সংস্কার হবে না। আমি সমালোচনা করি বলে আমাকে দেশ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল।”

যদিও এদিন তসলিমা স্পষ্ট করে দেন, তাঁর কোনও মন্তব্যের সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। তিনি মুক্তচিন্তায় বিশ্বাসী। তাঁর কথায়, “আমি অনেক রাজ্যেই যাই। এই যেমন কেরলায় যাই, আমি কি সেই রাজ্যের রাজনীতির অংশ হয়ে যাই? কখনোই নয়। আমি আমার মতোই থাকি। কোনও সরকার আমাকে নিরাপত্তা দেয় কারণ নিরাপত্তা দেওয়া তাদের দায়িত্ব। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.