চন্দ্রকুমার বসু

নেতাজির মূর্তির হাতে বিজেপির পতাকা নিয়ে বিতর্ক, CAA ইস্যুতে দল ছাড়ছেন অসন্তুষ্ট চন্দ্র বসু!

ধর্মের ভিত্তিতে নাগরিকত্ব আইন সংশোধনের তীব্র বিরোধিতা করেছেন তিনি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৩, ২০২০, ১৫:৪১

options
link
নেতাজির মূর্তির হাতে বিজেপির পতাকা নিয়ে বিতর্ক, CAA ইস্যুতে দল ছাড়ছেন অসন্তুষ্ট চন্দ্র বসু!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতায় আগেই মুখ খুলেছিলেন। বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছিল বঙ্গ বিজেপির অন্দরে। এবার নেতাজির মূর্তির হাতে বিজেপির পতাকা গুঁজে দেওয়ার ছবি ভাইরাল হতেই ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছেন সুভাষচন্দ্র বসুর ভাইপো চন্দ্রকুমার বসু। এতে বাংলার তথা ভারতের সম্মান নষ্ট হয়েছেন বলেই মনে করছেন তিনি। এর পাশাপাশি CAA ইস্যুতে নিজের অসন্তোষ প্রকাশ করে বিজেপি ছাড়ারও ইঙ্গিত দিচ্ছেন।

Advertisement

বৃহস্পতিবার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মদিনের দিন, নদিয়া জেলার একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়ে যায়। ওই ছবিটিতে দেখা যায়, নেতাজির মূর্তির সামনে থাকা গ্রিলে বিজেপির পতাকা লাগানোর পাশাপাশি তাঁর হাতেও একটি পতাকা গুঁজে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে নিমিষে আলোড়ন শুরু হয় রাজ্যজুড়ে। নিন্দায় সরব হয়ে ওঠেন সমস্ত স্তরের মানুষ। বিষয়টি জানতে পেরে প্রচণ্ড অসন্তুষ্ট হন নেতাজির ভাইপো ও বঙ্গ বিজেপির সহ-সভাপতি চন্দ্র কুমার বসুও।

Advertisement

[আরও পড়ুন: চাপের মুখে বন্ধ বিয়ের আসর, গার্ডেনরিচের স্কুলে কড়া নিরাপত্তায় চলছে স্পোর্টস ]

 

Advertisement

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ‘নেতাজি সুভাষচ্ন্দ্র বসু একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হলেও তিনি রাজনীতির অনেক ঊর্দ্ধে। আমি মনে করি আজকের কোনও রাজনৈতিক দলই নেতাজিকে নিজেদের বলে দাবি করতে পারে না। কেউই তাঁর মূর্তির হাতে একটি দলের পতাকা ধরিয়ে দিয়ে তাঁর ওপর অধিকার দেখাতে পারে না। এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। আমি এর তীব্র নিন্দা করি। আমার মনে হয় রাজ্যের বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের খুব তাড়াতাড়ি এই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’

[আরও পড়ুন: প্রবীণ আবাসিকদের জন্য বিশেষ উদ্যোগ, বইমেলা থেকে বই পৌঁছে যাবে বৃদ্ধাশ্রমে ]

 

এরপরই ফের সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে মন্তব্য করেন বঙ্গ বিজেপির সহ-সভাপতি। সামান্য কিছু পরিবর্তন করলে এই আইন মানতে তাঁর কোনও আপত্তি নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এপ্রসঙ্গে গান্ধীজির প্রসঙ্গ উত্থাপন করে মুসলিমদেরও CAA-এর অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দেন। বলেন, ‘সামান্য কিছু পরিবর্তন হলেই আমি এই আইন সমর্থন করতে রাজি। গান্ধীজিও বলেছিলেন, আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলি থেকে অত্যাচারিত কেউ ভারতে এলে তাঁকে আশ্রয় দিতে। কিন্তু, সেই ক্ষেত্রে কোনও নির্দিষ্ট ধর্মের কথা তিনি বলেননি। তিনি সবাইকেই এই সুযোগ দেওয়ার পক্ষপাতী ছিলেন। তাই যদি সত্যিই যদি আমরা তাঁর দেখানো পথে চলতে চাই তাহলে তিনি যা বলেছিলেন সেটাই করতে হবে। ওই আইন থেকে ধর্মের বিষয়টি সরিযে দিলে বিরোধীদের বিরোধিতাও একনিমিষে উধাও হবে। কিন্তু, তা যদি না হয় তাহলে বিজেপিতে থাকার বিষয়ে নতুন করে চিন্তাভাবনা করতে হবে আমাকে।’

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.