Berger Paints India

শুধু নির্মাণ নয়, দীর্ঘস্থায়ী পরিকাঠামো গড়তে বার্জার হাউসে বিশেষ কর্মশালা

পরিকাঠামোর নীরোগ স্থায়িত্বেই লুকিয়ে 'বিকশিত ভারত ২০৪৭'-এর চাবিকাঠি!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬, ১৩:৪৬

options
link
শুধু নির্মাণ নয়, দীর্ঘস্থায়ী পরিকাঠামো গড়তে বার্জার হাউসে বিশেষ কর্মশালা
কলকাতায় বার্জার ও সিইএআই-এর বিশেষ কর্মশালা।

ভারতের পরিকাঠামো উন্নয়নে এক নয়া দিগন্ত দৃশ্যমান। ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’ গড়তে দেশজুড়ে এখন ব্যাপক নির্মাণকাজ চলছে। তবে শুধুই নতুন সেতু বা রাস্তা তৈরি যথেষ্ট নয়। ‘নেট জিরো ২০৭০’-এর লক্ষ্য ছুঁতে এই পরিকাঠামো দীর্ঘস্থায়ী করাও অত্যন্ত জরুরি।

Advertisement

বর্তমানে দেশের এই জাতীয় সম্পদকে নীরবে ধ্বংস করছে করোশন বা ক্ষয়। এক সাম্প্রতিক শিল্প-সমীক্ষায় চমকে দেওয়ার মতো তথ্য উঠে এসেছে। প্রতি বছর এই ক্ষয়ের কারণে ভারতে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৪ লক্ষ কোটি টাকা। বিশেষজ্ঞ মহল মনে করছে, এই বিপুল ক্ষতির সামান্য অংশও আটকানো গেলে সেই পরিমাণ অর্থ শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের মতো জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যবহার করা সম্ভব।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এই প্রেক্ষাপটে ক্ষয় রোধে সচেতনতা বাড়াতে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করল ‘বার্জার পেইন্টস ইন্ডিয়া’ (Berger Paints India)। সহযোগিতায় ছিল ‘কনসাল্টিং ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়া’ (CEAI)। গত ১১ সেপ্টেম্বর কলকাতার বার্জার হাউসে এক বিশেষ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। সেখানে ফ্যাব্রিকেশন, স্থাপত্য ও সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ক্ষেত্রের ৭০ জনেরও বেশি প্রথম সারির বিশেষজ্ঞ উপস্থিত ছিলেন।

Advertisement

আলোচনায় উঠে আসে, শুধু প্রাথমিক খরচের কথা ভাবলে চলবে না। নজর দিতে হবে স্থায়িত্ব এবং জীবনের দীর্ঘমেয়াদি মূল্যের (Life Cycle Value) দিকে। পুরনো ধাঁচের ভাবনা বদলে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের সময় এসেছে। এ ক্ষেত্রে ফ্লোরোপলিমারের (Fluoropolymer) মতো নতুন ব্যবস্থা পরিকাঠামো সুরক্ষায় বড় ভূমিকা নিতে পারে। তবে শুধু প্রযুক্তিই যথেষ্ট নয়। সঠিক ভাবে জমি তৈরি, দক্ষ কর্মী প্রয়োগ, নিয়মিত পরিদর্শন ও সঠিক রক্ষণাবেক্ষণও ভীষণ দরকার।

দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ‘প্রোটেক্টন’ (Protecton)-এর মাধ্যমে মেঝে থেকে ছাদ পর্যন্ত সুরক্ষাকবচ গড়ে তুলেছে বার্জার। বিশাল উৎপাদন ক্ষমতা ও দেশজোড়া জোগান ব্যবস্থার মাধ্যমে তারা এই পরিষেবা দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের দাবি, প্রযুক্তি গ্রহণ ও মান নির্ধারণের ক্ষেত্রে সরকারি স্তরে কোটিং বিশেষজ্ঞদের রাখা প্রয়োজন।

উন্নয়নের এই যাত্রাপথকে সংক্ষেপে ‘৩-সি’ (3C) সূত্রে বাঁধা হয়েছে। প্রথমত, যোগাযোগের মাধ্যমে সচেতনতা (Communication)। দ্বিতীয়ত, বিভিন্ন ক্ষেত্রের মেলবন্ধন (Collaboration)। আর তৃতীয়ত, যৌথ ভাবে সমাধান খোঁজা (Co-creation)। এই পথ ধরেই আসবে সঠিক বিকাশ ও সাফল্য।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.