'বিষাদনগরী' আনন্দপুর
Suvendu Adhikari

নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও আনন্দপুরে শুভেন্দু! শুক্রে শর্তসাপেক্ষে মিছিলের অনুমতি হাই কোর্টের

Anandapur Fire Incident: পুলিশ মিছিলের অনুমতি না দেওয়ায় কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন শুভেন্দু অধিকারী।

Advertisement
গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৯, ২০২৬, ১৬:৩২

options
link
নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও আনন্দপুরে শুভেন্দু! শুক্রে শর্তসাপেক্ষে মিছিলের অনুমতি হাই কোর্টের
শুভেন্দু অধিকারী। ফাইল ছবি

আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডের জল গড়াল কলকাতা হাই কোর্টে। বিজেপির শুক্রবারের মিছিলের অনুমতি দিল আদালত। তবে শুভেন্দু অধিকারী বেশ কয়েকটি শর্ত বেঁধে দিয়েছেন বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ। এদিকে, ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৬৩ ধারা বজায় থাকলেও আনন্দপুরের নাজিরাবাদে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। সঙ্গে রয়েছেন শঙ্কুদেব পণ্ডা, অগ্নিমিত্রা পল, সুব্রত ঠাকুর, নীলাদ্রিশেখর দানা-সহ দলীয় নেতানেত্রীরা। শুভেন্দু বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজধর্ম পালন করেননি। একবারও আসেননি ঘটনাস্থলে। মানুষের পাশে থাকতে এসেছি। আইন মেনে দূর থেকে দেখব।”

Advertisement
Suvendu
নাজিরাবাদে শুভেন্দু অধিকারী। নিজস্ব চিত্র

শুক্রবার মিছিলের রুট বেঁধে দিয়েছেন কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ। জানানো হয়েছে, গড়িয়া শীতলা মন্দির অথবা শহিদ ক্ষুদিরাম মেট্রো স্টেশন থেকে বাঁদিকের রাস্তা ধরে বাইপাস হয়ে নরেন্দ্রপুর থানা পর্যন্ত মিছিল করতে পারবেন শুভেন্দু অধিকারীরা। থানার ২০০ মিটার আগে পর্যন্ত যাওয়া যাবে। মিছিলে সর্বাধিক ২০০০ কর্মী-সমর্থক নিয়ে মিছিল করা যাবে। তবে থানায় স্মারকলিপি জমা দিতে যেতে পারবেন মাত্র ৫ জন। এই শর্তেই মিছিলে অনুমতি দিয়েছেন বিচারপতি।

Advertisement

গড়িয়া শীতলা মন্দির অথবা শহিদ ক্ষুদিরাম মেট্রো স্টেশন থেকে বাঁদিকের রাস্তা ধরে বাইপাস হয়ে নরেন্দ্রপুর থানা পর্যন্ত মিছিল করতে পারবেন শুভেন্দু অধিকারীরা।
Advertisement

উল্লেখ্য়, রবিবার রাতেও আনন্দপুরের নাজিরাবাদে ছিল কারখানা, গুদাম। প্রতিমুহূর্তে কর্মীদের আনাগোনা লেগেই থাকত। লেলিহান শিখা নিমেষে বদলে দিয়েছে সেই চির পরিচিত ছবি। এখন সেখানে শুধুই ধ্বংসস্তূপ আর পোড়া গন্ধ। তার মধ্যেও প্রিয়জনের খোঁজ চালাচ্ছেন নিখোঁজদের পরিবার। যদিও সময় যত গড়াচ্ছে ততই বাড়ছে উদ্বেগ। অন্যদিকে উদ্ধার হওয়া ২১টি দেহাংশের পরিচয় নিশ্চিত করতে আজ থেকেই ডিএনএ ম্যাপিংয়ের কাজ শুরু হতে পারে। নিহতদের সঠিক পরিচয় জানার ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়াকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসন। আর সেই কাজ সম্পন্ন হলেই দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে খবর। বলে রাখা প্রয়োজন, ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডের প্রশ্নে মুখে ওয়াও মোমো। ঘটনার প্রায় ৬০ ঘণ্টা পর বুধবার এই বিষয়ে সংস্থার তরফে একটি বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। সোশাল মিডিয়া পোস্টে সংস্থার তরফে দায় চাপানো হয়েছে পাশের গুদামের উপর। নিহত ৩ কর্মীর পরিবারের পাশেও দাঁড়ায় মোমো প্রস্তুতকারক সংস্থা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.