দুর্গাপুজো

প্রবীণ ও বিশেষভাবে সক্ষমদের জন্য পাস দেবে পুজো কমিটি

ফোরাম ফর দুর্গোৎসবের অনুরোধে সায় মুখ্যমন্ত্রীর।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০১৯, ১০:০৬

options
link
প্রবীণ ও বিশেষভাবে সক্ষমদের জন্য পাস দেবে পুজো কমিটি

সন্দীপ চক্রবর্তী: বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, বিশেষভাবে সক্ষমরা যাতে সহজে পুজো দেখতে পারেন, সেদিকে নজর রাখা দরকার। ওঁদের সেই সুযোগ করে দেওয়ার জন্য বিশেষ পাসের বন্দোবস্ত করতে পুজো উদ্যোক্তাদের বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি ক্লাবের সঙ্গে যুক্তদের বা পাড়ার লোকেদের সুবিধার জন্য ‘কার্ড’-এর মাধ্যমে ছাড়ের আবেদন করেছিল ফোরাম ফর দুর্গোৎসব। সেই আরজি মেনে ‘ক্লাব ইনভাইটি’ বা আমন্ত্রিত কার্ডের অনুমোদন দিতেও আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

Advertisement

[আরও পড়ুন: পুজোর অনুদান ১৫ হাজার বাড়ালেন মমতা, দিলেন ভিআইপি পাস বন্ধের নির্দেশও]

দিন পাঁচেক আগে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে পুলিশ-পুরসভা ও পুজো কমিটিগুলির বৈঠকে সাধারণ মানুষের কোনওরকম অসুবিধা যাতে না হয়, তাই ‘ভিআইপি পাস’ উঠিয়ে দেওয়ার কথা বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে এর পরই বড় বড় পুজো কমিটিগুলির কর্তারা বিভিন্ন মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে কিছু আরজি জানিয়েছেন। রাজ্যের প্রায় সব মন্ত্রী বড় বড় পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তাঁদের কাছেও ফোরামের সদস্যরা আবেদন রাখেন। বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের পাশাপাশি অনাথ, দুঃস্থ বা শারীরিক, মানসিকভাবে অক্ষম মানুষদের পুজো দেখার ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে। বিভিন্ন সংগঠন এই ব্যবস্থায় পুজো কমিটিগুলিকেও যুক্ত করে। ‘ভিআইপি পাস’ উঠে গেলে এঁদের মণ্ডপ-প্রতিমা দেখা কঠিন হয়ে যাবে। মূলত এই কারণেই মুখ্যমন্ত্রী ফোরামের প্রস্তাবটি গ্রহণ করেন।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এছাড়াও একটি সূত্র জানিয়েছে, মূলত স্পনসর ও ক্লাবের শুভাকাঙ্ক্ষীরা যাতে সহজে ঠাকুর দেখার সুযোগ পান, সে ব্যাপারে চিন্তিত ছিলেন পুজো কর্তারা। হাই কোর্ট বা সুপ্রিম কোর্ট ও বিভিন্ন আদালতের বিচারপতি বা বিচারকরা অনেকেই নিরাপত্তার খাতিরে ভিড়ে না গিয়ে ঠাকুর দেখতে চান। ভিন রাজ্যের বিশেষ অতিথিরাও আসেন। রাজ্য সরকারের পর্যটন দপ্তরের পক্ষ থেকেও বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে। অন্য একটি সূত্রের মত, ‘ভিআইপি পাস’ না পেলে ক্লাবের সদস্যদের মধ্যে উৎসাহ কমে যেতে বাধ্য। পাড়াতেই অনেকের বাড়িতে আত্মীয়রা আসেন। তাঁদেরও সহজে ঠাকুর দেখার ব্যবস্থা করে দিতে হয়।

Advertisement

এই ক্ষেত্রে ‘ক্লাব ইনভাইটি’ বলে একটি পাস দেওয়া যেতে পারে বলে মুখ্যমন্ত্রী প্রস্তাব দিয়েছেন। মন্ত্রী-আমলাদের জন্য যদিও আলাদাভাবে কোনও ‘পাস’ থাকবে না। তবে তাঁদের কীভাবে পুজো-চত্বরে ‘এন্ট্রি’ দেওয়া যেতে পারে, তা নিয়ে এখনও চিন্তা কাটেনি পুজো উদ্যোক্তাদের। মুখ্যমন্ত্রী বুধবার বিধানসভায় ফোরামের আরজি নিয়ে মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে কথা বলেন। পার্থ চট্টোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিমকেও নির্দিষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.