Sujit Bose-ED

বাড়িতে ঢুকে ১০ ঘণ্টা ধরে কী করল ইডি? জানালেন সুজিত বসুর ছেলে

টানা প্রায় ১০ ঘণ্টা ধরে একটি বাড়িতে তল্লাশি চলেছে। পরে আরেকটি বাড়ি ও অফিসে অভিযান চলে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১২, ২০২৪, ১৭:৩৮

options
link
বাড়িতে ঢুকে ১০ ঘণ্টা ধরে কী করল ইডি? জানালেন সুজিত বসুর ছেলে

বিধান নস্কর, দমদম: শুক্রবার সকাল থেকেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা, আধা সামরিক বাহিনীতে ছয়লাপ লেকটাউন (Lake Town) এলাকা। প্রায় ১০ ঘণ্টা ধরে দমকল মন্ত্রী সুজিত বসুর (Sujit Basu)বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছেন ইডি আধিকারিকরা। বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ ইডি আধিকারিকরা মন্ত্রীর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে বেরন বাড়ি থেকে। যান আরেকটি বাড়িতে তল্লাশি চালানোর জন্য। এতক্ষণ ধরে কী করলেন ইডি আধিকারিকরা? তার জবাবও দিলেন মন্ত্রীপুত্র। বাড়ির বাইরে ভিড়ের মাঝে উত্তেজিত জনতার উদ্দেশে তিনি বলেন, ”কেন্দ্রীয় আধিকারিকরা এখানে কাজ করতে এসেছেন। ওঁদের কাজ করতে দিন। আমরা পুরোপুরি সহযোগিতা করছি।”

Advertisement

পুরনিয়োগ মামলার তদন্তে শুক্রবার সাতসকালে মন্ত্রী সুজিত বসুর বাড়িতে পৌঁছে যান ইডি আধিকারিকরা। একইসঙ্গে বিধায়ক তাপস রায় ও প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুবোধ চক্রবর্তীর বাড়িতেও হাজির কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। বাড়ি ঘিরেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে গোটা শ্রীভূমি এলাকা ছেয়ে যায় সিআরপিএফে (CRPF)। সন্দেশখালি থেকে শিক্ষা নিয়ে বাহিনী এবার আরও সাবধানী। সঙ্গে তাঁদের সাউন্ড গ্রেনেড, অস্ত্রশস্ত্র। মন্ত্রীর বাড়ির সামনে ভিড় জমতেই দেয়নি বাহিনী। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার জন্য কেন ২২ জানুয়ারিকেই বেছে নেওয়া হল?]

প্রায় ১০ ঘণ্টা পর বিকেলে সুজিত বসুর বাড়ি থেকে বেরন ইডি আধিকারিকরা। সঙ্গে ছিলেন মন্ত্রীর ছেলে সমুদ্র। তাঁকে সঙ্গে নিয়ে সুজিত বসুর অন্য বাড়ি ও  অফিসে তল্লাশি চালান ইডি আধিকারিকরা।  তবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের সঙ্গে সহযোগিতার কথা বলেলন মন্ত্রীর ছেলে। এতক্ষণ ধরে ইডি তল্লাশি চালিয়ে কী কী বাজেয়াপ্ত করল? এই প্রশ্নের জবাবে সমুদ্র বসু জানান,  ”এখনও তদন্ত চলছে, ওঁদের কাজ করতে দিন।”

Advertisement

দেখুন ভিডিও:

[আরও পড়ুন: রামমন্দির উদ্বোধনে বাকি ১১ দিন, আজ থেকেই ‘কঠোর সংযম’ শুরু মোদির]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.