সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনের আগে দিল্লির একটি জনসভায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর মঞ্চ থেকে বলেছিলেন, ‘দেশকে গদ্দারও কো।’ আর নিচে থাকা দর্শকাসন থেকে আওয়াজ উঠে ছিল ‘গোলি মারো..।’ বিষয়টি নিয়ে চরম বিতর্ক তৈরি হয়। দিল্লিতে হওয়া অশান্তির সময়ই এই স্লোগানটি বারবার শোনা গিয়েছিলে কিছু দুষ্কৃতীর মুখে। এরপরই দিল্লি হাই কোর্টের ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে। তাঁর বিরুদ্ধে কেন পদক্ষেপ নেওয়া হল না সেই প্রশ্ন করা হয়। বিষয়টি নিয়ে বিতর্কের রেশ এখনও কাটেনি। এর মাঝেই রবিবার কলকাতার রাস্তায় একদল বিজেপি(BJP) সমর্থককে এই স্লোগান দিতে দেখা যায়। এই ঘটনা সামান্য বিষয় বলে উল্লেখ করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের শহিদ মিনার ময়দানে আয়োজিত সভায় যাওয়ার পথে ওই স্লোগান দেয় একদল বিজেপি কর্মী। চৌরঙ্গি এলাকায় রাস্তার উপরে অমিত শাহের সভার বিরোধিতা প্রতিবাদ জানাচ্ছিলেন একদল যুবক-যুবতী। তাঁদের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় ‘গোলি মারো’ স্লোগান দেয় বিজেপি কর্মীরা। সামনে পুলিশ থাকলেও কিছু বলেনি বলে অভিযোগ। যদিও পরে বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক দেখা দিতে তিন বিজেপি কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
[আরও পড়ুন: বিজেপির সঙ্গে বাম-কংগ্রেসের সেটিং! মমতার কটাক্ষের কড়া জবাব দিলেন সেলিম]
সোমবার রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে এই বিষয়ে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। এর উত্তরে রাজ্যপাল বলেন, ‘আমাদের দেশ খুব বড়। এখানে অনেক ধরনের মানুষ বাস করেন। এর মধ্যে কতজন কত কিছুই বলেন। তাই আপনাদের বিষয়টি অনেক বড় বলে মনে হলেও এটা আমার কাছে তেমন কিছু নয়। একটা সামান্য বিষয়।’
[আরও পড়ুন: দিল্লির হিংসা ‘পরিকল্পিত গণহত্যা’, কেন্দ্রের বিরুদ্ধে ফের আক্রমণাত্মক মমতা]
সর্বশেষ খবর
-
এবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি, তোলাবাজির অভিযোগ, পুলিশের দ্বারস্থ বধূ
-
‘খুব বাঁচা বেঁচেছি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ’, রচনার সুরবদলের পরই কেন একথা বললেন মনোরঞ্জন?
-
আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধেও চুনকাম! ১০৫০ দিন পর সিরিজ হার ভারতের, কেন খেলানো হল না বৈভবকে?
-
‘তোলাবাজি’র অর্থে মেয়ে-স্বামীর নামে সম্পত্তি, নির্বাচনী হলফনামায় তথ্য গোপন! তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ
-
অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে গ্রুপ থেকে বিদায়, বিশ্বকাপে স্বপ্নভঙ্গ ভারতের মেয়েদের