উত্তর কলকাতায় ভয়াবহ আগুন (Kolkata Fire)। বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিটের (BB Ganguly Street) একাধিক আসবাবের দোকানে আগুন (Fire) লাগে। ঘটনাস্থলে দমকলের ১০টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে আগুন নেভানোর জন্য পৌঁছে যায়। ভয়াবহ আগুনের জেরে কালো ধোয়ায় ঢেকে গিয়েছে এলাকার আকাশ। স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে প্রবল আতঙ্ক ছড়ায়।
আরও পড়ুন:
উত্তর কলকাতার বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিটের উপর আসবাব, প্লাইউডের একাধিক দোকান আছে। আজ, বুধবার বেলায় তারই একটি দোকানে আগুন দেখা যায়। দোকানে সেসময় কর্মীদের পাশাপাশি অন্যান্যরাও ছিলেন বলে প্রাথমিক খবর। আগুন মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে যায়। আগুন নেভাতে চেষ্টা করেন স্থানীয়রাই। খবর দেওয়া হয় পুলিশ ও দমকলে। কিন্তু আগুন দ্রুত আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে। লেলিহান শিখা গ্রাস করে পাশের দুটি আসবাবের দোকানকে। তিনটি দোকানই দাউদাউ করে জ্বলতে থাকে। গোটা এলাকা কালো ধোয়ায় ঢেকে যায়।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে দমকলের ১০টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। দ্রুত আগুন নেভানোর চেষ্টা চলে। ওই এলাকা যথেষ্ট ঘিঞ্জি। আশপাশে বহুতল আছে। এছাড়াও প্রচুর সংখ্যায় দোকানপাট আছে। ফলে আগুন আরও ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি অনেকটাই জটিল হয়ে যাবে। তেমন আশঙ্কা করা হয়। আগুন যাতে আর ছড়িয়ে না পড়ে, সেই দিকে লক্ষ্য রাখেন দমকলকর্মীরা। পুলিশ ওই এলাকা ঘিরে রাখে। স্থানীয়দের নির্দিষ্ট দূরত্বে সরিয়ে দেওয়া হয়। কলকাতার ওই ব্যস্ত রাস্তায় যান চলাচলও সাময়িক বন্ধ করে দেওয়া হয়। বেশ কিছু সময় পরে ওই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
কিন্তু কীভাবে লাগল ওই আগুন? দমকলের তরফে অনুমান, শটসার্কিট থেকে ওই আগুন লেগেছে। দোকানে আসবাব, কাঠের জিনিসপত্র, প্লাস্টিকের সরঞ্জাম, দাহ্যপদার্থ ছিল। ফলে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে যায়। পাশের দুটি দোকানেও ওই আগুন লাগে। সেগুলিতেও একই জিনিসপত্র রয়েছে। ফলে আগুন ক্রমশ বড় আকার নিতে শুরু করে। কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ওইসব দোকানগুলির? সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বিশ্বকাপে মহা অঘটন! রুদ্ধশ্বাস টাইব্রেকারে প্যারাগুয়ের কাছে হেরে বিদায় জার্মানির
-
সামুরাই সূর্যাস্ত, শিষ্য জাপানকে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় গুরু ব্রাজিল
-
‘তৃণমূলের ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি নেই’, বঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক কংগ্রেস নেতা বেনুগোপালের
-
এবছরই দেশে ফেরার ঘোষণা হাসিনার, কী বলল ঢাকা?
-
‘বিয়ে করতে জেলে যাচ্ছি’, টোপর পরিয়ে ‘জামাই আদর’, তৃণমূল কাউন্সিলরকে ঘিরে জনরোষ!