CM Suvendu Adhikari

বিধায়কদের ক্লাস করাতে এসে শুভেন্দুর প্রশংসায় পঞ্চমুখ ওম বিড়লা! মুখ্যমন্ত্রীর নিশানায় বাম-তৃণমূল

পুরোনো ধারা বদলানো হচ্ছে জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, "আমাদের সরকার প্রশাসনিক বৈঠকে বিরোধী বিধায়কদের আমন্ত্রণ জানাচ্ছে।"

বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত

শেষ আপডেট: জুলাই ৩, ২০২৬, ২৩:৩৯

options
link
বিধায়কদের ক্লাস করাতে এসে শুভেন্দুর প্রশংসায় পঞ্চমুখ ওম বিড়লা! মুখ্যমন্ত্রীর নিশানায় বাম-তৃণমূল
উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু, রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ, বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসু প্রমুখ।

নিউটাউনের কনভেনশন সেন্টারে দু’দিনের ওরিয়েন্টেশন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। এই অনুষ্ঠানে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ লোকসভার স্পিকার। শুভেন্দুর অধিকারীর প্রশংসা করেন তিনি বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রীর দূরদৃষ্টি রয়েছে। তিনি গণতন্ত্রকে মজবুত করতে চান।’’ পালাবদলের পরে বিধানসভার অধিবেশনের লাইভ সম্প্রচার শুরু হয়েছে। এর জন্যও শুভেন্দুর প্রশংসা করেন তিনি। বিড়লার কথায়, ‘‘এই স্বচ্ছতার প্রয়োজন রয়েছে।’’একই সঙ্গে সুশাসনের উপরে জোর দেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর পরিষদীয় দক্ষতার প্রশংসাও করেন ওম বিলড়া। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু, রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ, বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসু প্রমুখ।

Advertisement

রাজ্য সরকারের অধিকাংশ বিধায়ক ও মন্ত্রী প্রথমবারের জন্য বিধানসভায় পৌঁছেছেন। পরিষদীয় নীতি ও বিধানসভার কার্যপ্রণালী বিষয়গুলি তাঁদের কাছে প্রথম। সেই লক্ষ্যে তাঁদের ওরিয়েন্টশন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। দুই দিনের এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন স্পিকার ওম বিড়লা। সেখানে বিধায়কদের সব সময়ে শেখার ইচ্ছা থাকা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘জীবনে শেখার ইচ্ছা থাকা প্রয়োজন।’ এদিন, পশ্চিমবঙ্গের হারানো গৌরব ও ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি। এরপরই শুভেন্দুর প্রশংসা করেন তিনি, ‘মুখ্যমন্ত্রীর দূরদৃষ্টি রয়েছে। তিনি গণতন্ত্রকে মজবুত করতে চান।’

Advertisement

এ দিনের অনুষ্ঠানে বিগত বাম সরকারকে খোঁচা ও তৃণমূল জমানার শাসনব্যবস্থাকে তুলোধনা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিধায়কদের প্রশিক্ষণ শিবিরে তিনি বলেন, “এখানকার প্রশাসনিক ব্যবস্থা আগে এতটা খারাপ ছিল না। বামেদের ৩৪ বছর সব সিদ্ধান্ত তো পার্টি অফিস থেকে হত। বিধানসভার কোনও ভূমিকাই ছিল না। আর গত পনেরো বছরে যা হয়েছে, তা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না।” তিনি আরও বলেন, “আজ কোনও কটু কথা বলতে চাই না, তবে কিছু রূঢ় বাস্তব আমাদের মেনে নিতেই হবে। রাজ্যে এমন এক ব্যবস্থা তৈরি হয়েছিল যেখানে বিরোধী দলের বিধায়ক ও সাংসদদের কোনও মূল্যই ছিল না। এমনকি থানার ওসি-আইসিরাও তাঁদের পাত্তা দিত না। সব ক্ষেত্রেই শুধু রাজনৈতিক পরিচয় দেখা হত।”

Advertisement

পুরোনো ধারা বদলানো হচ্ছে জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, “আমাদের সরকার প্রশাসনিক বৈঠকে বিরোধী বিধায়কদের আমন্ত্রণ জানাচ্ছে। রাজ্যের উন্নয়নে প্রাকৃতিক সম্পদ এবং মানব সম্পদকে সঠিক ভাবে কাজে লাগাতে হবে।” একইসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ গঠনে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অবদানও স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, “ভারতে অন্তর্ভুক্তির ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত এই বিধানসভাতেই নেওয়া হয়েছিল। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় না থাকলে আমরা কেউ এখানে উপস্থিত থাকতে পারতাম না।” অন্যদিকে, ওম বিড়লা ও রথীন্দ্র বোস তৃণমূল ভাঙানোর কাজ করছেন। অভিযোগ তুলে শিবির বয়কট করে বেড়িয়ে যান তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.