Madhyamik Exam 2026

SIR-এর প্রভাব মাধ্যমিকে! কমিশনের কাজে নিযুক্ত শিক্ষকদের অব্যাহতির আবেদন পর্ষদের

আগামী ২ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু, চলবে ১২ তারিখ পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে পর্যাপ্ত পরীক্ষকের ঘাটতির আশঙ্কা প্রকাশ পর্ষদ সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায়ের।

Advertisement
বিধান নস্কর
বিধান নস্কর

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩০, ২০২৬, ২২:৪৯

options
link
SIR-এর প্রভাব মাধ্যমিকে! কমিশনের কাজে নিযুক্ত শিক্ষকদের অব্যাহতির আবেদন পর্ষদের
ফাইল ছবি

রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের কাজ এখনও খানিকটা বাকি। এখনও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে সরকারি কর্মীরা এই কাজে সদাব্যস্ত। তার মাঝেই শুরু হয়ে যাচ্ছে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষা। ছাত্রছাত্রীদের কাছে জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা। ২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে মাধ্যমিক। তা যাতে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়, বরাবরের মতো এবারও তাতে তৎপর মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। সেই এসআইআরের কাজ চলাকালীন তা কীভাবে হবে, সেই চিন্তা দানা বেঁধেছে। শুক্রবার পর্ষদ সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় জেলাশাসকদের চিঠি লিখে আবেদন জানিয়েছেন, মাধ্যমিকের সময়টায় এসআইআরের কাজে যুক্ত শিক্ষকদের অব্যাহতি দেওয়া হোক, নইলে পরীক্ষকের ঘাটতি হবে।

Advertisement
শিক্ষকদের এসআইআরের কাজ থেকে অব্যাহতির আবেদনে পর্ষদ সভাপতির চিঠি।

আগামী ২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু এবছরের মাধ্যমিক পরীক্ষা। আর হিসেবমতো এসআইআরের শুনানি পর্ব চলবে ৭ তারিখ পর্যন্ত। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে বহু শিক্ষকই বিএলও-র কাজে যুক্ত। শুনানি চলাকালীন তাঁদের উপস্থিত থাকতে হবে। সেক্ষেত্রে তাঁরা মাধ্যমিকের নির্দিষ্ট সময় পরীক্ষার হলে থাকতে পারবেন না। মধ্যশিক্ষা পর্ষদের হিসেব অনুযায়ী, রাজ্যজুড়ে মোট ২৬৮২ পরীক্ষাকেন্দ্রে পরীক্ষা দেবে ১০, ৭৯, ৮৯৭ পরীক্ষার্থী। তাঁদের জন্য অন্তত ১ লক্ষ পরীক্ষক প্রয়োজন। কিন্তু পরীক্ষার্থী, পরীক্ষাকেন্দ্র ও পরীক্ষকের অনুপাত করে দেখা যাচ্ছে, পরীক্ষকের সংখ্যা ঢের কম হচ্ছে শুধুমাত্র তাঁরা এসআইআরের কাজে নিযুক্ত বলে। চিঠিতে পর্ষদ সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় উল্লেখ করেছেন, এই বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে মাধ্যমিক পরীক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যাচ্ছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মধ্যশিক্ষা পর্ষদের হিসেব অনুযায়ী, রাজ্যজুড়ে মোট ২৬৮২ পরীক্ষাকেন্দ্রে পরীক্ষা দেবে ১০, ৭৯, ৮৯৭ পরীক্ষার্থী। তাঁদের জন্য অন্তত ১ লক্ষ পরীক্ষক প্রয়োজন। কিন্তু পরীক্ষার্থী, পরীক্ষাকেন্দ্র ও পরীক্ষকের অনুপাত করে দেখা যাচ্ছে, পরীক্ষকের সংখ্যা ঢের কম হচ্ছে শুধুমাত্র তাঁরা এসআইআরের কাজে নিযুক্ত বলে।

পর্ষদ সভাপতির আরও বক্তব্য, শুধুমাত্র পরীক্ষকের অভাবই নয়, সেন্টার ইনচার্জ বা ভেন্যু সুপারভাইজার পদেও পর্যাপ্ত শিক্ষক প্রয়োজন। তাঁদের অনেকেই এই মুহূর্তে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের কাজে জড়িত। তাঁদেরও অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন জানিয়েছে পর্ষদ। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে এবিষয়ে সবরকম সাহায্য করা হবে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। মাধ্যমিকের পর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা আছে। তবে ততদিনে এসআইআরের কাজ শেষ হয়ে চূড়ান্ত তালিকাও প্রকাশ হয়ে যাবে। ফলে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় পরীক্ষকের অভাব ঘটবে না। চিন্তা বাড়িয়েছে এসআইআর শেষের আগেই মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরুর বিষয়টি। এখন পর্ষদের আবেদনের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন একাজে নিযুক্ত শিক্ষকদের নিয়ে কী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, সেদিকে নজর সকলের।

Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.