Christmas

বড়দিনে চন্দননগরের আলোয় সেজে উঠেছে পার্ক স্ট্রিট, সেলফি তোলার হিড়িক আমজনতার

পার্কস্ট্রিটের আলোয় মোহিত সতেরো থেকে সত্তর প্রত্যেকেই।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৫, ২০২২, ১৩:৪৮

options
link
বড়দিনে চন্দননগরের আলোয় সেজে উঠেছে পার্ক স্ট্রিট, সেলফি তোলার হিড়িক আমজনতার

নব্যেন্দু হাজরা: নানা রঙের স্টার, বড় বড় সান্তাক্লজ, জিংগেল বেল, ক্রিসমাস ট্রি-কি নেই বড়দিনের থিমে। পুরোটাই আলোয়। কে বলে চন্দননগরের আলোর জাদু শুধু দুর্গাপুজো আর জগদ্ধাত্রীতে দেখা যায়! এবার বড়দিনেও আলোর থিমে চোখ ধাঁধিয়ে দিচ্ছে চন্দননগর। ফরাসডাঙার শিল্পীদের আলোতেই বড়দিনের রাতে ঝলমলে হয়ে উঠেছে সাহেবপাড়া। যা দেখে মোহিত পার্কস্ট্রিটের রাস্তা ধরে হাঁটা সতেরো থেকে সত্তর প্রত্যেকেই। সাহেব পাড়ায় আসা সাহেবরাও মুগ্ধ এবারের আলো দেখে।

Advertisement

বড়দিনে প্রায় প্রতিবছরই আলোর সাজে রঙীন হয়ে ওঠে পার্ক স্ট্রিট। এবার যেন একটু বেশি। অন্তত ফুটপাথ ধরে হাঁটা মানুষের চোখেমুখে সে ভাষাই স্পষ্ট। হা করে দাঁড়িয়ে দেখছেন আলোর যাদু। যে যাদু দেখা যায় প্রতি পুজোয়। এবার সেই যাদুই বড়দিনের আলোতে। ‘‘কী দারুন লাইটিং! একটু দাঁড়া না। একটা ছবি তুলি। এই আলোতে তোকেও শাহরুখের মতো লাগবে।’’ বড়দিনের আগের রাতে সান্তাক্লজের টুপি মাথায় বয়ফ্রেন্ডকে বগলদাবা করে খুনসুটিতে মত্ত অষ্টাদশী এক তন্বী। অ‌্যালেন পার্কের ভিতরের যে লাইটিং তাতে এবার সবাই শাহরুখ, সবাই অনুষ্কা। সেলফি তোলার হুঁড়োহুড়িতে ভিড় সামাল দিতে সেখানে এদিন সাধারণ মানুষকে রীতিমতো খেঁদাতে হল পুলিশকে। ডানদিক-বাঁদিক যেদিকেই চোখ যাচ্ছে, শুধুই আলোতে ধাঁধাচ্ছে চোখ।

Advertisement

[আরও পড়ুন: নন্দীগ্রামের সমবায়ে ১২-০, শুভেন্দুর হারে খুশির হাওয়া বিজেপির অন্দরেই!]

সেলিব্রেশনের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছিল চার দিন আগেই। মুখ‌্যমন্ত্রী মমতা বন্দেপ‌্যাধ‌্যায় (Mamata Banerjee) অ‌্যালেন পার্কে দাঁড়িয়ে বড়দিন উৎসবের সূচনা করেছিলেন। সেদিন থেকেই জ্বলে গিয়েছে আলো। যা দেখতে ভিড়ও জমতে শুরু করেছিল পার্কস্ট্রিটে। এমন আলোয় শহর ভাসবে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত। তবে শুধু পার্কস্ট্রিট নয়। শহরের বিভিন্ন উড়ালপুল, একাধিক রাস্তাও সেজেছে ওখানকার শিল্পীদের আলোতেই। যা দেখে মুগ্ধ বাচ্চা থেকে বুড়ো প্রত্যেকেই। এলইডি রোপ লাইট আর এসএমডি (সারফেস মাউন্টেড ডিওডে) দিয়ে সেজেছে পার্কস্ট্রিট এবং শহরের নানা প্রান্ত। শিল্পীদের কথায়, সবকিছুতেই অনেক টেকনোলজি আসছে। আলোতেও। এখানকার আলো দেশ-বিদেশে যায়। বড়দিনের শহর সাজাতেও তাই এবার থিমের প্রবেশ।

Advertisement

আলোকশিল্পী জয়ন্ত দাস (বাবাই) এখানে এবার আলো দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘‘এবারই প্রথম পার্কস্ট্রিটে আলো দিলাম। বড়দিনে যতরকমের থিম করা যায় চেষ্টা করেছি করার। আরও কয়েকটি জায়গাও সেজেছে আমার করা আলোতে।’’ আরেক শিল্পী ভাস্কর দে সরকারের কথায়, ‘‘বাইপাসের একাধিক জায়গায় আমার আলো গিয়েছে। আলো দিয়ে এলইডি স্ক্রিনের মতো করা হয়েছে। সেখানে শান্তাকে দেখা যাচ্ছে।’’

[আরও পড়ুন: নন্দীগ্রামের পিছিয়ে থাকা এলাকার সমবায় সমিতিতে ১২-০ ব্যবধানে জয়, ভেটুরিয়ার ফল তাতাচ্ছে তৃণমূলকে]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.